স্যাটেলাইট ছবিতে চীনা যুদ্ধজাহাজের মাঝে পাকিস্তানি সাবমেরিন

সম্প্রতি করাচি বন্দরে নোঙ্গর করা চীনা যুদ্ধ জাহাজের মাঝে পাকিস্তান নৌবাহিনীর একটি সাবমেরিনকে অবস্থান করতে দেখা গেছে। দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা সম্পর্কের বিষয়টি সুবিদিত।

চীনের কাছ থেকে আটটি টাইপ-০৩৯বি ইউয়ান-ক্লাস সাবমেরিন কিনে পাকিস্তান সম্প্রতি তার সাবমেরিন বহরকে ব্যাপক শক্তিশালী করার কর্মসূচি নিয়েছে। সাবমেরিনটির অবস্থান দেখে মনে হয় দুই নৌবাহিনীর মধ্যে শুধু জ্ঞানই নয় হার্ডওয়্যারও বিনিময় হচ্ছে।

বাণিজ্যিক স্যাটেলাইটের ছবিতে চীনা যুদ্ধ জাহাজের মাঝে পাকিস্তানী সাবমেরিনের অবস্থান ধরা পড়ে। ছবিটি খুটিয়ে পরীক্ষা করার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে এটা একটি পাকিস্তানী সাবমেরিন এবং এটা আগস্টা-৯০বি টাইপ সাবমেরিন। পাকিস্তান নৌবাহিনী শুধু এই শ্রেনীর সাবমেরিন অপারেট করে। স্থানীয়ভাবে এগুলো হলো হাসমত-ক্লাস সাবমেরিন।

গত জানুয়ারিতে ‘সি গার্ডিয়ান-২০২০’ মহড়ায় অংশ নিতে করাচি বন্দর সফর করে চীনা নৌবাহিনীর জাহাজ। আগেও ছবিতে সাবমেরিনটি দেখা গেছে কিন্তু তা শনাক্ত করা যায়নি।

স্থানীয় মিডিয়ায় মহড়ার কথা বলা হলেও তাতে পাকিস্তানি সাবমেরিন অংশ নেয়ার কথা বলা হয়নি। দি নেশনের রিপোর্টে ফ্রিগেট, মিসাইল বোট, এন্টি-সাবমেরিন পেট্রল এয়ারক্রাফট, হেলিকপ্টার ও স্পেশাল ফোর্সের কথা উল্লেখ করা হয়। তবে সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের রিপোর্টে সাবমেরিনের কথা বলা হলেও এর কোন পরিচিতি দেয়া হয়নি।

এটা পাকিস্তান নৌবাহিনীর স্বাভাবিক কোন নোঙ্গর নয়, কমার্শিয়াল ডকে ঘেরাও করা অংশে নোঙ্গর করা। আবার এমনভাবে সাবমেরিনটি রাখা যা কাকতালীয় কিছু বলেও মনে হয় না।

পাকিস্তানের হাতে ফ্রান্সের তৈরি ৫টি আগস্টা-ক্লাস সাবমেরিন আছে। এগুলোর তিনটি আবার উন্নত সংস্করণের এয়ার ইনডিপেন্ডেন্ট পাওয়ার (এআইপি) যুক্ত, যা চীনা যুদ্ধ জাহাজগুলোর সঙ্গে রয়েছে।

এই শ্রেণীর সাবমেরিনের তাৎপর্য হলো এগুলো পাকিস্তান নৌবাহিনীর অস্ত্রভাণ্ডারে থাকা অন্যতম আধুনিক ও ভয়ংকর অস্ত্র। এগুলো পানির নিচ দিয়ে নিঃশব্দে চলতে পারে এবং এগুলোতে এএস-৩৯ এক্সোসেট এন্টি-শিপ মিসাইল রয়েছে। এসব সাবমেরিন পাকিস্তানের নিজস্ব তৈরি পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম বাবুর-৩ ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপের প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।

চীনা যুদ্ধ জাহাজের মাঝে নোঙ্গর করার মানে সাবমেরিনে চীনাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এর মানে হলো চীনাদের সঙ্গে পাকিস্তান তার অন্যতম শক্তিশালী উইপন প্লাটফর্মের কর্মপদ্ধতি বিনিময় করেছে।

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ইউয়ান ক্লাস সাবমেরিনের প্রথম ব্যাচ পাকিস্তান হাতে পাবে। এগুলোর কয়েকটি স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হতে পারে। তাতে সুনির্দিষ্টভাবে পাকিস্তানের তৈরি অস্ত্র যেমন বাবুর-৩ মিসাইল নিক্ষেপের ব্যবস্থা হয়তো থাকবে।

এর আগেও চীনা নৌবাহিনী ভারত মহাসাগরে তাদের সাবমেরিন মোতায়েন করেছে। ২০১৬ সালে চীনের পারমাণবিক শক্তিচালিত টাইপ-০৯১ হান ক্লাস সাবমেরিন করাচি বন্দর সফর করে। সেটি একই জায়গায় রাখা হয়েছিলো যেখানে ছবিতে পাকিস্তানের সাবমেরিনটিকে অবস্থান করতে দেখা গেছে।

সুত্র: ফোর্বস

সীমান্তে উত্তেজনায় ভারতের বিরুদ্ধে ড্রোন, পিজিএম, উচ্চপ্রযুক্তি ব্যবহার করবে চীন

পূর্ব লাদাখে স্থিতিবস্থা অব্যাহত রয়েছে। ১৪ জুলাই ও ২ আগস্ট কোর কমান্ডার পর্যায়ে দুই দফা বৈঠক ও ৮ আগস্ট ডিভিশন কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠক সত্ত্বেও অচলাবস্থার নিরসন ও সৈন্য প্রত্যাহারের ব্যাপারে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) ডেপসাং প্লেইনস ও প্যাংগং সো থেকে সরে যেতে অস্বীকার করে বলেছে যে ১৯৫৯ সালের চুক্তি অনুযায়ী তারা এখানে মোতায়েন রয়েছে। হট স্প্রিংস-কুগরাং রিভার-গগরা সেক্টরে প্রত্যাহার এক কিলোমিটারে সীমিত রয়েছে।

অথচ কোর কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকে চার কিলোমিটার পর্যন্ত সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। একমাত্র গালওয়ান রিভারে প্রত্যাহার সম্পূর্ণ হয়েছে। এখানে চার কিলোমিটারের বাফার জোন সৃষ্টি হয়েছে, এর তিন কিলোমিটার হলো লাইন অব অ্যাকচুয়ালে ভারতের অংশ।

উভয় পক্ষের বাহিনী বিভিন্ন অবস্থানে প্রায় কাছাকাছি অবস্থায় থাকলেও এবং ১৫ জুনের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা ও উত্তেজনা বৃদ্ধি সত্ত্বেও দুই দেশ প্রচলিত প্রবল যুদ্ধে যাবে, এমন সম্ভাবনা নেই।

তবে আমার মতে, পিএলএ প্রচলিত ধরনের যুদ্ধের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না।

পার্বত্য এলাকায় প্রচলিত যুদ্ধের ধরন

পার্বত্য এলাকায় প্রচলিত যুদ্ধের ধরনের অন্যতম বিষয় হলো টিলাগুলোর ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রয়াস। প্রবল প্রতিরোধের পাশাপাশি পর্যাপ্ত যুদ্ধাস্ত্র ও পাল্টা হামলার জন্য প্রস্তুতি থাকতে হয়। এ ধরনের যুদ্ধে রিজার্ভ বাহিনী থাকতে হবে বেশ পর্যাপ্ত মাত্রায়।

উচ্চ এলাকা হওয়ায় এখানে অক্সিজেন পাওয়া যায় অনেক কম। ফলে চলাচল বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। আবার বিমান হামলার মুখে বেশ অসহায়ও হয়ে পড়তে হয়।

এসব এলাকায় আক্রমণের জন্য অনেক বেশি শক্তি জড়ো করতে হয়। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কার্গিল যুদ্ধে দুই ডিভিশনের পাশাপাশি অতিরিক্ত সৈন্যও মোতায়েন করতে হয়েছিল ভারতকে।

ফলে চীনও যদি ভারতকে হটিয়ে দিতে চায়, তবে তাকেও বিপুল সৈন্য মোতায়েন করতে হবে। তবে অভিজ্ঞ ভারতীয় সৈন্যদের বিরুদ্ধে সহজ জয়ের আশায় চীন যুদ্ধে নামলে তা হবে তাদের জন্য বিপর্যয়কর। তাহলে চীন কী পরিকল্পনা করতে পারে?

চীনের সম্ভাব্য পরিকল্পনা

গত তিন দশক ধরে গুপ্তচরবৃত্তি, নজরদারি, বিমান থেকে প্রিসিশন মিউটিনেশন (পিজিএম) ও উইপেন প্লাটফর্মে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। সামরিক প্রযুক্তি এখন কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স ও স্যাটেলাইটের ব্যাপক ব্যবহারের ওপর নির্ভরশীল।

এ কারণে স্থল, সাগর ও আকাশ- এই তিন ক্ষেত্র ছাড়াও সাইবার, ইলেকট্রনিক ও মহাকাশ- এই তিনটি এলাকাতেও এখন যুদ্ধ হয়।

১৯৯০ সালের প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ থেকে পিএলএ রেভলিউশন ইন মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স (আরএমএ)-এর সাথে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে। তারা তিন বাহিনীর সম্মিলিত মঞ্চ গড়ে তুলছে। বর্তমানে ছয়টি ক্ষেত্রের সবগুলোতেই যুক্তরাষ্ট্রের পরই বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে তারা।

তাই বলা যায়, তারা প্রতিকূল এলাকায় উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। পিজিএম, সাইবার ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধেই তারা অংশ নেবে, তা বোঝা যাচ্ছে। মুখোমুখি হয়ে প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করার যুদ্ধ আসলে গত শতকেই শেষ হয়ে গেছে।

পাহাড়ি এলাকার যুদ্ধে স্যাটেলাইট, ড্রোন, সাইবার/ইলেকট্রনিক নজরদারিই সবচেয়ে কার্যকরি মাধ্যম। উচ্চ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে আবহাওয়া বা জলবায়ু বলতে গেলে কোনোই সমস্যা হবে না। সূত্র: দি প্রিন্ট

শূন্য ভাণ্ডার থেকে পরমাণু শক্তি অর্জনের পথে পাকিস্তানের বর্ণাঢ্য অভিযাত্রা

পাকিস্তান ১৪ আগস্ট তাদের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। আর বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন যে দেশটির ব্যর্থতার সাথে বিপুল সাফল্যও রয়েছে।

মুসলিমদের আবাসভূমি হিসেবে ১৯৪৭ সালে পাকিস্তানের যাত্রা শুরু হয়েছিল। শুরুতেই জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সাথে উত্তেজনা, অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে অস্তিত্ব নিয়ে শঙ্কা এবং উদ্বাস্তু ও ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ভিড় করেছিল।

ইতিহাসবিদদের মতে, উপমহাদেশ ভাগের সময় বিশ্বের অন্যতম বাস্তুচ্যুতির ঘটনা ঘটেছিল। সারা ভারত থেকে সাড়ে ৬৫ লাখের বেশি মুসলিম পাকিস্তানে চলে এসেছিলেন।

মুসলিম বিশ্বের একমাত্র পরমাণু শক্তিধর দেশটির জনসংখ্যা এখন ২১ কোটির বেশি। অথচ এর যাত্রার সময় এর কোনো সরকারি সচিবালয় বা আবাসনের ব্যবস্থা পর্যন্ত ছিল না।

ইতিহাসবিদেরা মনে করেন, গত ৭৩ বছরে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ওষুধ ও খেলাধুলাসহ বিভিন্ন দিকে দেশটি বেশ ভালো কিছু অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে।

লাহোরভিত্তিক ইতিহাসবিদ আখতার হোসাইন আনাদোলু এজেন্সিকে বলেন, অন্য সব দেশের মতো পাকিস্তানের ইতিহাসও সাফল্য ও ব্যর্থতার মিশেলে গড়া। কৌশলগত ও অর্থনৈতিক সম্ভাবনার বিবেচনায় সন্দেহাতীতভাবেই বলা যায়, দেশটি আজ যে অবস্থানে আছে, তার চেয়ে ভালো কিছু করতে পারত।

তিন বলেন, ভারতের সাথে কয়েক দফা প্রচলিত ও অপ্রচলিত যুদ্ধ, বর্তমানে বিলুপ্ত পরাশক্তি সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আফগান যুদ্ধ ও এরপর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধে অংশগ্রহণ সত্ত্বেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেশটির যেসব অর্জন রয়েছে, সেগুলো নিয়ে গর্ব করতে পারে।

আরেক ইতিহাসবিদ মোহাম্মদ রেজা কাজিমি বলেন, পাকিস্তানের টিকে থাকাটাই অন্যতম অর্জন। অনেকেই বলেছিল, দেশটি বেশি দিন টিকবে না।

করাচিভিত্তিক ত্রৈমাসিক জার্নালের সম্পাদক কাজিমি বলেন, ব্রিটিশরা পাকিস্তান স্বীকার করেছিল এ কারণে যে তারা মনে করেছিল দেশটি টিকবে না। ভারতবর্ষের শেষ ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহেরলাল নেহরুকে বলেছিলেন, অর্থনৈতিকভাবে টেকসই হবে না পাকিস্তান। ছয় মাসের মধ্যে সে ভারতের সাথে আবার যোগ দেয়ার আবেদন জানাবে।

কঠিন সফর

পাকিস্তানকে পুরনো রাজধানী কলকাতা বা নতুন রাজধানী নয়া দিল্লির কোনোটিই দেয়া হয়নি। বন্দরনগরী করাচিকে রাজধানী ঘোষণা করা হয়। এটি মাত্র এক দশক আগে দক্ষিণাঞ্চলীয় সিন্ধু প্রদেশের প্রশাসনিক কেন্দ্রে পরিণত হয়েছিল।

তিনি বলেন, কোনো সচিবালয় ছিল না, কোনো গৃহায়নের ব্যবস্থা ছিল না। তার ওপর ছিল উদ্বাস্তুদের ঢল। কিন্তু তা সত্ত্বেও পাকিস্তানের কর্মীদের প্রথম প্রজন্মটি কাগজ গাঁথতে পিনের বদলে কাঁটা ব্যবহার করেছিল। এমনকি তারা নিজেরাই টেবিল-চেয়ারের ব্যবস্থা করেছিল। এর মাধ্যমেই তারা পাকিস্তানকে টিকিয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছিল।

তিনি বলেন, ২১ শতকে দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও দুর্বল শাসনের অভিযোগ করা যেতেই পারে। কিন্তু সঙ্কটজনক সময়ে আমরা সততা, ত্যাগ, সাহসিকতা প্রদর্শন করেছি, টিকে থাকা নিশ্চিত করেছি।

কাজিমির দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন করে সান্ধু বলেন, এই বিশেষ অঞ্চলে পাকিস্তান সফলভাবে প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে, তার কৌশলগত অবস্থানের কারণে বিশ্ব রাজনীতিতে মর্যাদাজনক স্থান দখল করেছে।

প্রখ্যাত বিজ্ঞানী আতাউর রহমানের মতে, বিজ্ঞানে পাকিস্তান বেশ ভালো অর্জন করেছে। বিমান, ট্যাঙ্ক, ও অন্যান্য প্রচলিত অস্ত্র রফতানি করছে পাকিস্তান।

ভেন্টিলেটর তৈরী

আনাদোলু এজেন্সির সাথে কথা বলার সময় রহমান আরো বলেন, পাকিস্তান সম্প্রতি ভেন্টিলেটর তৈরী করছে। অল্প কয়েকটি দেশে মাত্র এগুলো তৈরী হয়। ২০০২ সালে পাকিস্তান দেশীয়ভাবে নির্মিত স্যাটেলাইন পাকস্যাট উৎক্ষেপণ করে।

তিনি বলেন, ২০০০ সাল নাগাদ গবেষণাপত্র প্রকাশনার দিক থেকে পাকিস্তানের চেয়ে ভারত চারগুণ এগিয়ে ছিল। কিন্তু ২০১৮ সাল থেকে অবস্থা বদলে যাচ্ছে পাকিস্তানের অনুকূলে।

তিনি বলেন, এখন আমরা মাথাপিছু ভিত্তিতে ভারতের চেয়ে ২৫ ভাগ এগিয়ে রয়েছি।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ক্রীড়াপণ্য ও বস্ত্র তৈরী করে পাকিস্তান।

রহমানকে সমর্থন করে সান্ধু বলেন, আজ পাকিস্তানি বিজ্ঞানি, চিকিৎসক, ও ইঞ্জিনিয়াররা যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

তিনি বলেন, এছাড়া চাল, গম, আখ, সুতা ও ফলমূলে বিশ্বে অন্যতম উৎপাদনকারী পাকিস্তান। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ফুটপাতের খাবার বিক্রেতা থেকে এখন সিঙ্গাপুরের রাষ্ট্রপতি!

সিঙ্গাপুরের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতির নাম হালিমা ইয়াকোব। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম বাবা এবং মালয় মায়ের সন্তান হালিমার জন্ম ১৯৫৪ সালে।

৮ বছর বয়সে পিতার মৃত্যুর পর মায়ের সাথে ফুটপাথে খাবার বিক্রি করার পাশাপাশি পড়াশুনা চালিয়ে যান। পরিবারে ৫ ভাইবোনের সাথে দারিদ্রতার সাথে যুদ্ধ করে একসময় পড়াশুনা শেষ করার পর আইনজীবী হিসেবে পেশা শুরু করেন।

পাঁচ সন্তানের জননী হালিমা শাসক দল পিপলস অ্যাকশন পার্টির কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ২০০১ সালে এমপি নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে প্রতি মন্ত্রী, ২০১২ সালে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৩ সালে তিনি সিঙ্গাপুর পার্লামেন্টের স্পীকার নির্বাচিত হন।