দ. আফ্রিকায় উসমানিয়া যুগের মসজিদ সংস্কার করল তুরস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকায় উসামানিয়া যুগের একটি মসজিদ সংস্কার করেছে তুরস্কের রাষ্ট্র পরিচালিত সাহযোগিতা সংস্থা। তুর্কি সহযোগিতা ও সমন্বয় সংস্থা (টিআইকেএ) এক বিবৃতিতে জানায়, নুর আল-হামিদিয়া মসজিদটি ১৩৫ বছর আগে উসমানিয়া সুলতান দ্বিতীয় আবদুল হামিদ-এর সময়ে কেপ টাউনে নির্মাণ করা হয়।

মসজিদটি দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে বলে জানায় সংস্থাটি। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মসজিদটি সংস্কার কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এতে ক্যালিগ্রাফি, সোনালী পাতা, আলংকারিক মোটিফ এবং সূচিকর্ম ব্যবহার করা হয়

মসজিদের ব্যবস্থাপক আবদুর রাফ বাউকস বলেন, টিআইকাএ কেপটাউনে অনেক প্রকল্প চালিয়েছে এবং ঐতিহাসিক মসজিদটির সূক্ষ্মভাবে পুনঃনির্মাণ করেছে। ইয়েনি শাফাক।

আরো পড়ুন: এবার ৩০ জুলাই পবিত্র হজ্ব !

সৌদি আরবের আকাশে সোমবার কোথাও জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ২২শে জুলাই থেকে জিলহজ মাস শুরু হবে। সে হিসাবে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ ৩০শে জুলাই পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। আর ১০ই জিলহজ ৩১শে জুলাই মধ্যপ্রাচ্যে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল আযহা।

চলতি বছরে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সীমিতাকারে হজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। তবে করোনার সংক্রমণ কম রাখতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। এরই অংশ হিসেবে প্রত্যেক হাজির জন্য সাধারণ সময়ের তুলনায় চারগুণ স্থান বরাদ্দ করা হয়েছে।

গলফ নিউজের তথ্য মতে, এ বছর সৌদিতে বসবাসরত ১৬০ দেশের মুসলিম নাগরিকরা হজে অংশগ্রহণ করবে। এতে বিদেশিদের মধ্য থেকে ৭০ শতাংশ লোক হজে অংশগ্রহণ করবে। আর সৌদির স্থানীয়দের মধ্য থেকে ৩০ শতাংশ লোক হজে অংশ নেবে। সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ১০ হাজার মানুষ এবারের হজে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

তবে বাইরের কোনো দেশ থেকে হজ উপলক্ষে কেউ সৌদিতে আসার সুযোগ পাবে না। হজের আগে এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকবেন এই ১০ হাজার হজ পালনকারী। আর হজ পালন শেষে আরও এক সপ্তাহ কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে তাদের।

সে হিসেবে, গত ১৯ জুলাই সৌদিতে বসবাসকারী ১৬০ টি দেশের ১০ হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখার মধ্যেদিয়ে মুসলিমদের অন্যতম প্রধান ফরজ ও ইসলাম ধর্মের সর্বোচ্চ ধর্মীয় জামায়েত পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

এর আগে গত ৬ জুলাই হজের সময় হাজীদের অবশ্যই পালনীয় নানা স্বাস্থ্যবিধির ঘোষণা দেয় সৌদি সরকার। ঘোষণা অনুযায়ী, জামাতে নামাজ পড়ার সময় মাস্ক পরতে হবে এবং প্রত্যেকের মাঝে দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক। কেউ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাকে জরিমানা করা হবে, এমনকি কারাদণ্ডও হতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে ২৪ লাখ ৮৯ হাজার ৪০৬ জন পবিত্র হজ্ব পালন করেন। তার মধ্যে সৌদি আরবের স্থানীয় নাগরিক ছিলেন ২ লাখ ১১ হাজার ৩ জন। আর সৌদিতে কর্মরত বিভিন্ন দেশের নাগরিক ছিলেন ৪ লাখ ২৩ হাজার ৩৭৬ জন।

আরো পড়ুন: এ বিজয় সুস্পষ্ট বিজয় : আয়াসোফিয়ার জুমার তেলাওয়াতে ইমাম !

আয়াসোফিয়ার জুমার তেলাওয়াতে ইমাম মসজিদ থেকে ৮৬ বছর জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পর পূনরায় মসজিদ হিসেবে রূপান্তরিত হওয়া বিখ্যাত আয়াসোফিয়ায় পূনরায় আদায় হওয়া জুমার নামাজের প্রথম রাকায়াতে ইমামের তেলাওয়াত ছিলো “ইন্না ফাতাহনা লাকা ফাতহাম-মুবিনা”

নিশ্চয়ই আমি আপনাকে দিয়েছি সুস্পষ্ট বিজয়। (সূরা ফাতহ : আয়াত ১)। প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৬২৯ খ্রিস্টাব্দে সাহাবায়ে কেরামসহ মক্কা মুকাররমা গিয়ে উমরাহ পালন করেন। সেখানে হুদায়বিয়ার এই সন্ধিকে আল্লাহ জাল্লা শানুহু ফাতহুম মুবিন অর্থাৎ প্রকাশ্য বিজয় হিসেবে অভিহিত করেন।

নাজিল হয় সূরা ফাতহ। এই সূরার শুরুতেই ইরশাদ হয়েছে উপরোক্ত আয়াতটি। আয়াসোফিয়ায় প্রথম জুমায় এ আয়াতটিই তেলাওয়াত হয়েছে। বলা হচ্ছে – আয়াসোফিয়া জুমার নামাজ আদায়কে এমন বিজয় হিসেবে দেখছে মুসলিম বিশ্ব

আরো পড়ুন: কেউ আজান বন্ধ করতে পারবে না: এরদোগান

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, ফেটো আর পিকেকের মতো স’ন্ত্রাসীগোষ্ঠী যতই অপতৎপরতা চালাক না কেন, তার দেশের পতাকা কেউ নামাতে পারবে না।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, কেউ ষড়যন্ত্র করে আর তুরস্কে আজান দেয়া বন্ধ করতে পারবে না। তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের চার বছরপূর্তিতে বুধবার জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এসব কথা বলেন এরদোগান। খবর আনাদোলুর।

তিনি বলেন, ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই রাতের আঁধারে ফেতুল্লা টেরটিস্ট অর্গানাইজেশন (ফেটো) সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিল। কিন্তু দেশটির স্বাধীন-চেতা জনগণ নিজের জীবন তুচ্ছ করে সেদিন তুরস্কের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন।

এর পর থেকে ১৫ জুলাই গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে তুরস্কে। যুক্তরাষ্ট্রপন্থী ফেতুল্লা গুলেনকে মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে মনে করা হয়। ২০১৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানের ২৫১ বেসামরিক লোক নিহত হন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২ হাজার ২০০ জন

আরো পড়ুন: কাবা শরীফের ইমাম হয়েছি মায়ের দোয়াতেই: ই’মাম আল কালবানি

‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ই’মাম বানিয়েছে লন্ডনের এক কনফারেন্সে পবিত্র কাবা শরীফের এক ই’মাম আল কালবানি এই কাহিনী বর্ণনা করেন।

এতে তিনি তার জীবনের একটি বাস্তবতা তুলে ধরেন। তিনি জানান, তার উপর কোনো কারণে রেগে গিয়ে তার মা আল্লাহর কাছে যে দু‘আ করেছিলেন তাই তার জীবনে সত্যে পরিণত হয়েছে।

‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ই’মাম বানিয়েছে ছোটবেলায় ই’মাম কালবানি খুব দুষ্ট প্রকৃতির ছিলেন বলে জানালেন। দুষ্টুমি করে প্রায়শই তিনি মাকে রাগাতেন।

কিন্তু তার মা ছিলেন খুবই দ্বীনদার একজন মহিলা, তিনি জানতেন আল্লাহর কাছে দু‘আর কী’ শক্তি। তিনি দু‘আ করাটা তার অভ্যাসে পরিণত করেছিলেন।

ছে’লের উপর যখনি রেগে যেতেন তখনি তিনি বলতেন, ‘আল্লাহ যেন তোমাকে পথ দেখান! আর তিনি যেন তোমাকে কাবার ই’মাম বানান!’

ই’মাম আল কালবানি বললেন, ‘আল্লাহ তার দু‘আ কবুল করেছেন এবং আমি আজ কাবার ই’মাম।’ কালো মানুষ শাইখ আদিল আল কালবানি পারস্য উপসাগরীয় এক দরিদ্র পরিবারের সন্তান।

নিউইয়র্ক টাইমস-এর সঙ্গে এক সাক্ষাতকারে শাইখ কালবানি বলেছেন, ‘ম’সজিদুল হারামের নামাজের ই’মামতি করা অসাধারণ সম্মানের, আর এই কাজ শুধুমাত্র আরব ভূখণ্ডের আরবদের জন্যই নির্ধারিত।’

ই’মাম বলেন, যখন আপনার সন্তান খা’রাপ আচরণ করবে তখন তাকে গালমন্দ করবেন না। এতে বিপর্যয় ঘটতে পারে। আমি একজনকে জানি যিনি তার ছে’লেকে বলেছিলেন— ‘যাও ম’র’, অ’তঃপর তিনি সেটার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছিলেন, যখন সেই দিনই তার ছে’লে মা’রা যায়। সুবহানআল্লাহ!

প্রিয় সন্তানের পিতা ও মাতাগণ! আপনাদের ভাষা সংবরণ করুন। আপনার ছে’লে-মে’য়েদের জন্য ভাল দু‘আ করার অভ্যাস তৈরি করুন, এমনকি যখন আপনি অনেক রেগে যান তখনও তার জন্য দু‘আ করুন।

‘মায়ের দু‘আ আমাকে কাবা শরীফের ই’মাম বানিয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘তিনটি দু‘আ আল্লাহ কখনও প্রত্যাখ্যান করেন না, ছে’লেমে’য়েদের জন