ভারতে আবারও কোরবানি বন্ধে হাইকোর্টে মামলা করলো বিজেপি নেতা অর্জুন সিং

ভারতে কোরবানি বন্ধের আবেদন হাইকোর্টে
আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানি বন্ধ করার জন্য মামলা করলেন অর্জুন সিং। আর কিছু দিন পরই ঈদ। ঠিক তার আগে এই মামলা দায়ের করলেন বিজেপি সাংসদ।

তবে ভারতে কোরবানির বিরুদ্ধে এটিই প্রথম কোনো মামলা নয়। এর আগেও দেশটির হাইকোর্টে এ ধরনের মামলা হয়েছিল।
প্রথম মামলাটি করা হয় ২০০৮ সালে। তখন আদালত নির্দেশ দেয়, পশুহত্যার নিয়ম মানতে হবে কোরবানি ঈদের সময়।

কসাইখানায় পশুদের নিয়ে যাওয়ার আগে সেগুলোর সঠিক পরীক্ষা করতে হবে।
২০১৯ সালে আবারো এই মর্মে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, পশুহত্যার নিয়ম কিছুই মানা হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গে।

সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট রাজ্যকে সব নিয়ম মেনে চলার নির্দেশ দেয়।
এবার ঘটনাও অনেকটা তেমনই। আর মাত্র এক সপ্তাহ পরই কোরবানি ঈদ। তার আগে রাজ্য সরকার পশুহত্যা নিয়ে কী ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা জানতে চাওয়া হয়েছে অর্জুন সিংয়ের আইনজীবীর পক্ষ থেকে। দ্রুত শুনানির আবেদন জানিয়েছেন সাংসদের আইনজীবী।

এর আগে ভারতে মসজিদ থেকে মাইকে আযান দেওয়ার বিরোধিতা করে ভারতের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। সে অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবার পাল্টা মামলা করার হুমকিও দিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের শাখা সংগঠন মুসলিম রাষ্ট্রীয় মঞ্চ।

আরো পড়ুন-বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআনের অনুবাদ পড়ানোর প্রস্তাব পাস করল পাকিস্তান

দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় পবিত্র কোরআনের অনুবাদ শিক্ষাদানের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ।

সোমবার দেশটির সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আলী মোহাম্মদ খানের উত্থাপিত প্রস্তাবট সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয় বলে জিয়ো নিউজ উর্দূর খবরে বলা হয়েছে।

স্পিকার আসাদ কায়সারের সভাপতিত্বে চলা জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে তিনি এ প্রস্তাবনা পেশ করেন।

এতে বলা হয়, কোরআনের উর্দূ অনুবাদ পাঠদানের মাধ্যমে আমাদের প্রজন্মের সামনে জ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ জন্য যেসব প্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুবাদসহ কোরআন পড়ানো হয় না সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থসহ কোরআন পড়ানো উচিত।

পরে সংসদ বিষয়কমন্ত্রীর উত্থাপিত প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

সম্প্রতি পাকিস্তানের সর্বাধিক জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুবাদসহ পবিত্র কোরআন শিক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

জিয়ো নিউজ জানিয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডিগ্রি অর্জনের জন্য অনুবাদসহ কোরআন অধ্যায়ন একটি অপরিহার্য শর্ত।

আরো পড়ুন-এবার আল-আকসা উদ্ধারের ঘোষণা এরদোগানের

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান আয়া সোফিয়াকে আবারো মসজিদে পরিণত করার পর এবার ইসরাইলের কাছ থেকে “আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার” প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

গত শুক্রবার তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য জেরুসালেম পোস্ট।

গীর্জা থাকার পর আয়া সোফিয়াকে ১৪৫৩ সালে মসজিদে রুপান্তরিত করেন উসমানিয় সুলতান মেহমুদ আল ফাতিহ। পরে ১৯৩৪ সালে তা যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছিল। আয়া সোফিয়াকে আবারো মসজিদে রুপান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়।

আয়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করার ঘোষণার পর আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার বার্তা দেয়া হয়েছে তুর্কি প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে।

বলা হয়েছে, আয়া সোফিয়ার পুনরুত্থান হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আবারো কতৃত্বের প্রথম পদক্ষেপ…আয়া সোফিয়ার এই উত্থান নিপীড়িত, শোষিত মুসলমানদের আশার আলো।

ভাষণটির আরবি অংশে বলা হয়েছে, আয়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করা আল-আকসা মুক্তির অংশ। জেরুজালেমের পুরানো শহর যেখানে আল-আকসা মসজিদ রয়েছে তা নিয়ন্ত্রণ থেকে ইসরাইলকে বিতাড়িত করার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

এরদোগান ইসরাইলের চরম সমালোচক হিসেবেই পরিচিত।