হঠাৎ সাহসী নেপাল, এবার গুঁড়িয়ে দিল ভারতের সীমানা পিলার!

ভারতের দখলকৃত কয়েকটি অঞ্চল নিজেদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্তি করানোর পর থেকেই নেপাল ভারত সীমান্ত উত্তেজনা বেড়েই চলছে। তবে ভারতীয় রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্য তুলে ধরে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করে আসছিল, এখানে বেইজিংয়ের ইন্ধন রয়েছে। কিন্তু এবার নেপালের জনগনই নতুন এলাকা নিজেদের দাবি করে সীমানা পিলার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়ার খবর এসেছে।

এর আগে বিহারে নেপাল সীমান্তের কাছের একটি গ্রামে চাষের ক্ষেতে কর্মরত দুই ভারতীয় নাগরিককে গুলি করে হত্যা করে নেপালের সেনা। আজ এক ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, নেপাল সীমান্তে সীতা-গুহা সীমানা পিলার গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় জনগন।

জানা গেছে ভারত নেপাল সীমান্তে অবস্থিত সীতা গুহার সামনেই একটি পিলার ছিল। সূত্রের দাবি, সীতা গুহার কাছে যে এলাকা রয়েছে, তা নেপালের বলে দাবি করতে শুরু করেন কয়েকজন নেপালি নাগরিক। এরপর সেই পিলার তারা কয়েকজন মিলে হাতুড়ি দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে।

তবে খবরের সত্যতা নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য আসেনি। জানা যায়, ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ভারতীয় সেনা সদস্যরা। তবে এমন ঘটনার পর থেকেই স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে বলে খবর।

সূত্র : ওয়ান ইন্ডিয়া।

আরও সংবাদ

বিশ্বের প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে মঙ্গলগ্রহে যাত্রা করলো আরব আমিরাত

বিশ্বের প্রথম মুসলিম দেশে হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঐতিহাসিক একটি মহাকাশযান জাপান থেকে উৎক্ষেপণের পর এখন মঙ্গল গ্রহের পথে।

সোমবার (২০ জুলাই) ভোরে মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়।

বিবিসি জানায়, মঙ্গল গ্রহের আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে পরীক্ষা করতে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছে ‘মিশন হোপ’। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এর আগে দুবার প্রস্তুতির পরেও এ মিশনের উৎক্ষেপণ স্থগিত করা হয়েছিল।

মহাকাশযানটি ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে পৌঁছাবে যখন আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠার ৫০তম বার্ষিকী। মিশনটির বৈজ্ঞানিক দলের প্রধান সারাহ আল হামিরি মহাকাশযানটির সফল উৎক্ষেপণের পর স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।

তিনি বলেন, তার দেশের ওপর এর প্রভাব অনেকটাই ৫১ বছর আগে আমেরিকার চাঁদে পা রাখার মতো। সেটিও ২০ জুলাই হয়েছিল। আজ আমি আনন্দিত যে আরব আমিরাতের শিশুরা ২০ জুলাই ঘুম থেকে উঠে তাদের নিজস্ব অভিযানটি দেখতে পাবে, যা নতুন একটি বাস্তবতা। এটি তাদের নতুন কিছু করতে উদ্বুদ্ধ করবে।

আরব আমিরাতের এ মিশনটিসহ এ মাসেই তিনটি মিশন রওনা দিতে যাচ্ছে মঙ্গলে। মহাকাশযান ডিজাইন ও নির্মাণ করার ক্ষেত্রে আরব আমিরাতের অভিজ্ঞতা একেবারেই নেই। তারা এমন একটি কাজে হাত দিয়েছে যা এর আগে কেবল আমেরিকা, রাশিয়া, ইউরোপ ও ভারত এটি করতে পেরেছে।

তবে আরব আমিরাতের উচ্চাভিলাষ তাদেরকে চ্যালেঞ্জটি নিতে উদ্বুদ্ধ করেছে। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, মঙ্গল থেকে কীভাবে বাতাস কমে গেলো কিংবা পানির বিষয়টি বোঝার ক্ষেত্রে এগুলো সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

দেশটির সরকার বলছে, এ মহাকাশযাত্রা তেমন কিছু প্রকল্পের অংশ যা দেশটিকে তেল-গ্যাস নির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞানভিত্তিক সমাজের দিকে নিয়ে যাবে।