সীমান্তে ভারতীয়’কে গুলি করে হাসপাতাল পাঠাল নেপাল পুলিশ

ভারতীয়দের লক্ষ্য করে সীমান্তে দফায় দফায় গুলি চালিয়েছে নেপাল বর্ডার পুলিশ। গুলিতে একজন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। রোববার (১৯ জুলাই) সন্ধ্যায় ভারত ও নেপালের সীমান্ত বিহারের কিষাণগঞ্জে এ ঘটনা ঘটে।

এক মাসের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার সীমান্তে ভারতীয় নাগরিকদের উপরে গুলি চালাল নেপাল পুলিশ।

জানা গেছে, নেপাল সীমান্তের তোলা মাফি গ্রামে গিয়েছিলেন আহত ওই ব্যক্তি। সঙ্গে ছিলেন তার দুই বন্ধু। যাওয়ার পথে ভারত সীমান্তে মোতায়েন থাকা নেপাল পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে দফায় দফায় গুলি চালায়।

এতে একজন আহত হয়।
বেশ কয়েক মাস ধরেই ভারত-নেপাল সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমান্ত নিয়ে কূটনৈতিক বিবাদের মাঝেই মাস খানেক আগে নেপাল আর্মির গুলি চালানো ও ভারতীয়ের নিহতের ঘটনায় উত্তেজনা তৈরি হয়।

আরো পড়ুন-বিশ্বব্যাপী করোনা আল্লাহর কঠিন পরীক্ষা, ধৈর্য ধরতে হবে: বাইতুল্লাহর খুতবা

শায়খ ডক্টর আব্দুর রহমান আস সুদাইস হাফি. এর মক্কা মুকাররমায় জুমায় প্রদত্ত খুতবার সংক্ষিপ্ত বাংলা অনুবাদ।
খুতবা-১০ ই জুলাই
অনুবাদ- মুহাম্মদ ইশরাক

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি বিস্তারের পর অবশ্যই আমরা আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরবো। সাগরের উত্তাল ঢেউ যেমন সৈকতে ফিরে আসে। এই ভাইরাস মানব জাতির উপর রোগ -ব্যাধি ও মৃত্যুর বিশাল ও মজবুত চাদর বিছিয়েছে। বিশ্ববাসী মারাত্মক বিপদ ও অত্যন্ত কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছে।

বর্তমানে আল্লাহ তায়ালার ফজল ও করম এবং বিশেষ দয়া ও অনুগ্রহে আরোগ্যতা ও সুস্থতার হার বৃদ্ধি হতে চলেছে। আলহামদুলিল্লাহ! এ বিষয়ে কোন দ্বিমত নেই যে প্রত্যাগমনে আমরা সকল প্রকার সতর্কতা ও সাবধনতা অবলম্বন করে চলবো। স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপারে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেব। প্রতিরক্ষামূলক সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, হে ইমানদারগণ, তোমরা নিজেদের জন্য আত্মরক্ষার হাতিয়ার গ্রহণ করো। (নিসা, ৭২) আরো বলেছেন, তোমরা নিজেদের হত্যা করো না।( নিসা, ২৯) আরো বলছেন, তোমরা নিজ হাতে নিজেদের ধ্বংসের মধ্যে নিক্ষেপ করো না। (বাকারা, ১৯৫)

আল্লাহ তায়ালার মেহেরবানি। তিনি এই পবিত্র ভূমিতে ধর্মীয় ও জাগতিক সকল উপকরণ গ্রহণে প্রশংসাযোগ্য ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রহমত বর্ষণ করেছেন এবং এই সুরক্ষিত অঞ্চল থেকে মহামারী বিতাড়নের ক্ষেত্রে দায়িত্বশীলদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণের তাওফিক দান করেছেন। এটি ছিলো দুর্যোগ মোকাবিলা বিষয়ক ব্যবহারিক শিক্ষা এবং বিপদের গতিপথ লক্ষ্য করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ।

মহামারী ও রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত হতে যে পথ-পন্থা ও উপায়-উপকরণ গ্রহণের প্রতি শরীয়ত থেকে উৎসাহিত হয়েছে সেগুলোই আমাদের জন্য রক্ষাকবজ। তাই জীবনের বহমানতায় পুনরায় ফিরতে চাই বাড়তি সতর্কতা। আর চাই প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা এবং সতর্কতামূলক কার্যপ্রণালীর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন।

মুসলমান ভাইয়েরা! মহামারী, দুর্যোগ ইত্যাদি আসে আবার চলে যায়। কালান্তরে এসবের কতবার যে আবির্ভাব হলো এবং বিলুপ্তি ঘটলো। আল্লাহর রহমতে এগুলোর মধ্য রয়েছে সতর্কতা সংমিশ্রিত সুসংবাদ এবং চেপে বসা বিষন্নতা থেকে মক্তি ও নাজাত। কিন্ত এই বালা- মসিবত দুঃখ- দুর্দশা এবং শোকাকুল অবস্থা থেকে উৎসারিত আল্লাহর রহমত বরকত একমাত্র ঈমানওয়ালারা অনুধাবন করতে পারে।

হে ঈমানদ্বারগণ!করোনাকে কেন্দ্র করে আমরা কত যে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছি। চোখের সামনে উদ্ভাসিত হয়েছে কত শিক্ষনীয় বিষয়। আবার শিক্ষা নেয়ার মত কত দৃষ্টান্ত দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

এসব শিক্ষা ও পরীক্ষার শুরুতে রয়েছে তাওহীদের তালীম ও একনিষ্ঠতার সাথে আল্লাহর ব্যাপারে একত্ববাদের শিক্ষা। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, জেনে রাখুন, নিষ্ঠাপূর্ণ ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য। (যুমার, ৩)

দ্বিতীয় নাম্বার, সৃষ্টিকুল ও মানবকুলের মধ্যে আল্লাহর ফয়সালা ও নির্ধারণের ব্যাপারে ঈমানকে মজবুত করা এবং ইয়াকীন ও বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করা।

তিন নাম্বার, আমাদের শ্বাশত ধর্মের অন্যতম মূল্যবান বিষয় হলো মানুষের মর্যাদা ও সম্মান। স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা মানুষকে মর্যাদা দিয়ে সম্মানিত করেছেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আমি বনি আদমকে মর্যাদা দান করেছি। (সুরা বনি ইসরাইল ৭০) সৃষ্টির ব্যাপারে সুরা শামসের ৭ নাম্বার আয়াতে ইঙ্গিত করেছেন, শপথ প্রাণের এবং যা তিনি সুবিন্যস্ত করেছে তারও।

সুতরাং মহামারী রোগ -ব্যাধি ইত্যাদি মোকাবেলায় ইসলামের সুস্পষ্ট নীতিমালাগুলো দৃষ্টান্তসমৃদ্ধ,একক ও অনন্য। প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে এর সূচনা । আর চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সতর্কতার মধ্য দিয়ে সমাপ্তি। উদাহরণত চলমান মহামারীতে আমাদের সামনে এই নীতিমালারই যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।

মুসলমান ভাইয়েরা! মহামারী, দুর্যোগ ইত্যাদি আসে আবার চলে যায়। কালান্তরে এসবের কতবার যে আবির্ভাব হলো এবং বিলুপ্তি ঘটলো। আল্লাহর রহমতে এগুলোর মধ্য রয়েছে সতর্কতা সংমিশ্রিত সুসংবাদ এবং চেপে বসা বিষন্নতা থেকে মক্তি ও নাজাত। কিন্ত এই বালা-মসিবত দুঃখ- দুর্দশা এবং শোকাকুল অবস্থা থেকে উৎসারিত আল্লাহর রহমত বরকত একমাত্র ঈমানওয়ালারা অনুধাবন করতে পারে।

হে ঈমানদ্বারগণ!করোনাকে কেন্দ্র করে আমরা কত যে পরীক্ষার সম্মুখীন হয়েছি। চোখের সামনে উদ্ভাসিত হয়েছে কত শিক্ষনীয় বিষয়। আবার শিক্ষা নেয়ার মত কত দৃষ্টান্ত দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

এসব শিক্ষা ও পরীক্ষার শুরুতে রয়েছে তাওহীদের তালীম ও একনিষ্ঠতার সাথে আল্লাহর ব্যাপারে একত্ববাদের শিক্ষা। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, জেনে রাখুন, নিষ্ঠাপূর্ণ ইবাদত একমাত্র আল্লাহর জন্য। (যুমার, ৩)

দ্বিতীয় নাম্বার, সৃষ্টিকুল ও মানবকুলের মধ্যে আল্লাহর ফয়সালা ও নির্ধারণের ব্যাপারে ঈমানকে মজবুত করা এবং ইয়াকীন ও বিশ্বাসকে সুদৃঢ় করা।

তিন নাম্বার, আমাদের শ্বাশত ধর্মের অন্যতম মূল্যবান বিষয় হলো মানুষের মর্যাদা ও সম্মান। স্বয়ং আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা মানুষকে মর্যাদা দিয়ে সম্মানিত করেছেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, আমি বনি আদমকে মর্যাদা দান করেছি। (সুরা বনি ইসরাইল ৭০) সৃষ্টির ব্যাপারে সুরা শামসের ৭ নাম্বার আয়াতে ইঙ্গিত করেছেন, শপথ প্রাণের এবং যা তিনি সুবিন্যস্ত করেছে তারও।

সুতরাং মহামারী রোগ -ব্যাধি ইত্যাদি মোকাবেলায় ইসলামের সুস্পষ্ট নীতিমালাগুলো দৃষ্টান্তসমৃদ্ধ,একক ও অনন্য। প্রতিরোধ ব্যবস্থা দিয়ে এর সূচনা। আর চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সতর্কতার মধ্য দিয়ে সমাপ্তি। উদাহরণত চলমান মহামারীতে আমাদের সামনে এই নীতিমালারই যথার্থতা উন্মোচিত হয়েছে।

চতুর্থ নাম্বার, এই মহামারী,প্রাকৃতিক দুর্যোগ, দুর্ঘটনা, দুর্বিপাক, সমস্যা -সঙ্কট ইত্যাদি নিয়ে চিন্তা- গবেষণা এবং এগুলোর পরিণাম ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা করবেন এ বিষয়ে অভিজ্ঞতাসম্মত, বুদ্ধিজীবি ও গবেষক পন্ডিতবর্গ। যারা পরামর্শ, মতবিনিময় এবং পূর্বের গবেষণালব্ধ তথ্য ও তত্ত্বের ভিত্তিতে যৌথভাবে নিজেদের মত প্রকাশ করবেন। স্বতন্ত্র ও এককভাবে বা প্রসিদ্ধিপ্রীতিবশত অথবা বিরোধিতা করে নয়।

সুতরাং সাধারণ কর্মী এবং রোগীদের এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞ বচন উদগীরণের কোন