ইয়েমেনে বিয়ের অনুষ্ঠানে সৌদি হামলা: ২৫ ইয়েমেনি নারী ও শিশু নিহত

ইয়েমেনের আল-জাউফ এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে সৌদি জোটের বোমা হামলায় অন্তত ২৫ জন নিরপরাধ নারী ও শিশু নিহত হয়েছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে, আন্তর্জাতিক সমাজের নীরবতার সুযোগে সৌদি আররের নেতৃত্বে ইয়েমেনে যুদ্ধাপরাধ চলছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি ইয়েমেনিদের জীবন রক্ষায় এগিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, যেসব দেশ ঘাতকদের হাতে ধ্বংসাত্মক অস্ত্র ও বোমা তুলে দিচ্ছে তারাও এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী। আব্বাস মুসাভি আরও বলেছেন, সৌদি জোট ইয়েমেনে নির্বিচারে শিশু হত্যা অব্যাহত রাখলেও রাজনৈতিক চাপ ও অর্থের কাছে নতিস্বীকার করেছে জাতিসংঘ।

তারা শিশু ঘাতক দেশগুলোর তালিকা থেকে সৌদি আরবের নাম বাদ দিয়েছে। ২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়েমেনে আগ্রাসন চালিয়ে আসছে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ কয়েকটি দেশ। আর এসব দেশকে মারণাস্ত্র ও গোয়েন্দা তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ।

সূত্র: পার্সটুডে

করোনার ভুয়া সনদ বিক্রির বিশাল ব্যবসা বাংলাদেশে: নিউইয়র্ক টাইমস

ইতালির পর যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছে বাংলাদেশে করোনার ভুয়া সনদ বিক্রির সংবাদ। সংবাদমাধ্যমটি এ ঘটনাকে সনদ বিক্রির বিশাল ব্যবসা বলে আখ্যা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রকাশিত জেফেরি জেটলিম্যান এবং সামির ইয়াসিরের করা ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম করা হয়েছে ‘বিগ বিজনেস ইন বাংলাদেশ: সেলিং ফেক করোনাভাইরাস সার্টিফিকেটস’।

ওই প্রতিবেদনে করোনার সার্টিফিকেট নিয়ে মোহাম্মদ শাহেদের প্রতারণার বিশদ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। পাঁচ হাজার টাকায় তার সার্টিফিকেট বিক্রির বিষয়টিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদ পড়েনি বোরকা পরে তার ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা এবং ধরা পড়ার বিষয়টিও।

দেশে প্রবাসীদের গুরুত্বের বিষয়টি তুলে ধরে তাদের করোনার সার্টিফিকেটের প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ইতালির ফেরত পাঠানো প্রবাসী এবং ফ্লাইট বাদ পড়ার বিষয়টিও বাদ পড়েনি প্রতিবেদনে।

আরও সংবাদ

ইমরান খানের ভূয়সী প্রশংসায় সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভূয়সী প্রশংসায় করেছেন ভারতের সাবেক ক্রিকেটার অরুণ লাল। অবশ্য বিষয়টি খেলাকেন্দ্রিকই বটে।

আশির দশকের এই ক্রিকেটার বলেছেন, সে সময়টা ছিল বোলিং যুগ। প্রতিটি দলেই বেশ কজন দুর্দান্ত বোলার ছিলেন। তারা ব্যাটসম্যানদের নাকানিচুবানি খাইয়ে ছাড়তেন। আর এসব বোলারের মধ্যে ইমরান খান ছিলেন সবচেয়ে কঠিন। মূলত তার রিভার্স সুইংগুলো ছিল গোলকধাঁধার মতো।

সম্প্রতি ভারতের ক্রীড়াবিষয়ক ওয়েবসাইট স্পোর্টসক্রীড়াতে এক সাক্ষাৎকারে এভাবেই ইমরান খানকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন অরুণ লাল।

তিনি বলেন, ক্রিকেটে রিভার্স সুইংয়ের ধারণাটা যখন শুরু হলো, তখন পাকিস্তানের বোলাররা সবার আগে সেটি ব্যবহার করা শুরু করেন। সেই সময় ইমরানের বলে অনেক বেশি সুইং ধরত। অনেক সময় ব্যাটসম্যান বুঝেই উঠতে পারতেন না, বল কোথায় পড়ে কোথায় ঢুকছে। কখনও কখনও ইমরানের বল এমনই বাঁক নিত যে, ব্যাটসম্যান যে হিসাব করে ব্যাট চালাতেন, বল তার ৬-৮ ইঞ্চি দূরে থাকত!

অরুণ লাল সুইংয়ের ক্ষেত্রে স্বদেশীয় কপিল দেব থেকেও ইমরানকে এগিয়ে রেখেছেন। তিনি বলেন, আমাদের কপিলও বেশ ভালো রিভার্স সুইং দিতে পারতেন। তবে ইমরান তার চেয়েও ভালো পারতেন।

এমন প্রশংসার ফুলঝুরি বিছিয়েও থামেননি অরুণ লাল। মাঠে ইমরান খানের অধিনায়কত্বের প্রশংসাও করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ইমরান শারীরিকভাবে দারুণ ফিট ছিলেন। মাঠে তার চলাফেরার মধ্যে একটা দুর্ধর্ষ ভাব থাকত। মাঠে তার উপস্থিতি, ব্যক্তিত্ব ও বোলিং সব কিছুই ছিল উপভোগ্য। অধিনায়কত্বও করতেন দারুণ। বলতে গেলে ‘৮২-এর পর থেকে ক্রিকেটে রাজত্ব করেছেন ইমরান।

আশির দশকে ভারতের জার্সিতে খেলেছেন অরুণ লাল। যদিও সংখ্যার বিচারে তা নেহায়েত কম। ১৬ টেস্ট ও ১৩ ওয়ানডে খেলেছেন ম্যান ইন ব্লুদের হয়ে। তবে ভারতের ঘরোয়া ক্রিকেটে সেরাদের একজনই মানা হয় তাকে।