কাশ্মীরে মোদি সরকারের অবৈধ তৎপরতার জবাব দিতে পাকিস্তান প্রস্তুত: আজাদ কাশ্মীর প্রেসিডেন্ট

আজাদ কাশ্মিরের প্রেসিডেন্ট সরদার মাসুদ খান বলেছেন, অধিকৃত কাশ্মীরে ফ্যাসিস্ট মোদি সরকারের অবৈধ তৎপরতা এবং মুক্ত ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে যেকোন আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে পাকিস্তান পুরোপুরি প্রস্তুত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কাশ্মীর শহীদ দিবস উপলক্ষে কাশ্মীর রাইট টু সেল্ফ ডিটারমিনেশন মুভমেন্ট ইন্টারন্যাশল (জেকেএসডিএম) আয়োজিত বিশেষ ভিডিও কনফারেন্সে পাঠানো বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

আজাদ কাশ্মিরের প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রচলিত যুদ্ধ হলে পাকিস্তানের হাতে অপমানজনক পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হবে ভারত।

তিনি বলেন, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর ভারত এখন অঞ্চলটির মুসলিম পরিচিত মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। ভারত সেখানে কালো অধিবাসী আইন চাপিয়ে দিয়েছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের এনে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছে, যাতে অঞ্চলটির জনমিতি বদলে যায়।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ ভারত দখলকৃত কাশ্মীরের জনগণের বৈধ ও ন্যায্য সংগ্রামের প্রতি সমর্থন দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। সেখানে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি-আরএসএস-এর কালো নকশা মিশিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করতে বলেন।

সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর

আরো পড়ুন-বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআনের অনুবাদ পড়ানোর প্রস্তাব পাস করল পাকিস্তান

দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় পবিত্র কোরআনের অনুবাদ শিক্ষাদানের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ।

সোমবার দেশটির সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আলী মোহাম্মদ খানের উত্থাপিত প্রস্তাবট সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয় বলে জিয়ো নিউজ উর্দূর খবরে বলা হয়েছে।

স্পিকার আসাদ কায়সারের সভাপতিত্বে চলা জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে তিনি এ প্রস্তাবনা পেশ করেন।

এতে বলা হয়, কোরআনের উর্দূ অনুবাদ পাঠদানের মাধ্যমে আমাদের প্রজন্মের সামনে জ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ জন্য যেসব প্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুবাদসহ কোরআন পড়ানো হয় না সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থসহ কোরআন পড়ানো উচিত।

পরে সংসদ বিষয়কমন্ত্রীর উত্থাপিত প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

সম্প্রতি পাকিস্তানের সর্বাধিক জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুবাদসহ পবিত্র কোরআন শিক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

জিয়ো নিউজ জানিয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডিগ্রি অর্জনের জন্য অনুবাদসহ কোরআন অধ্যায়ন একটি অপরিহার্য শর্ত।

আরো পড়ুন-এবার আল-আকসা উদ্ধারের ঘোষণা এরদোগানের

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান আয়া সোফিয়াকে আবারো মসজিদে পরিণত করার পর এবার ইসরাইলের কাছ থেকে “আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার” প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

গত শুক্রবার তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য জেরুসালেম পোস্ট।

গীর্জা থাকার পর আয়া সোফিয়াকে ১৪৫৩ সালে মসজিদে রুপান্তরিত করেন উসমানিয় সুলতান মেহমুদ আল ফাতিহ। পরে ১৯৩৪ সালে তা যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছিল। আয়া সোফিয়াকে আবারো মসজিদে রুপান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়।

আয়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করার ঘোষণার পর আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার বার্তা দেয়া হয়েছে তুর্কি প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে।

বলা হয়েছে, আয়া সোফিয়ার পুনরুত্থান হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আবারো কতৃত্বের প্রথম পদক্ষেপ…আয়া সোফিয়ার এই উত্থান নিপীড়িত, শোষিত মুসলমানদের আশার আলো।

ভাষণটির আরবি অংশে বলা হয়েছে, আয়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করা আল-আকসা মুক্তির অংশ। জেরুজালেমের পুরানো শহর যেখানে আল-আকসা মসজিদ রয়েছে তা নিয়ন্ত্রণ থেকে ইসরাইলকে বিতাড়িত করার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

এরদোগান ইসরাইলের চরম সমালোচক হিসেবেই পরিচিত।