লাদাখে যুদ্ধাবস্থার মধ্যেই এবার ভারতের আরেক ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ল চীন!

চীন-ভারতের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনের খবর প্রকাশ হলেও বাস্তবে লাদাখে যুদ্ধাবস্থা বিরাজ করছে। গালওয়ানে ২০ ভারতীয় সেনা নিহতের ঘটনার রেশ এখনো কাটেনি। এরই মধ্যে প্যাংগং লেকের পাড়ে হেলিপ্যাড তৈরি ও সেনা বাড়িয়েছে চীন।

এ নিয়ে এবার প্যাংগং এলাকায় চীনের সৈন্যদের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে অবশ্য চীন ভারতীয় ভূখণ্ডে ৪২৩ মিটার ভেতরে ঢুকে গেছে।

এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এল সাম্প্রতিক এক স্যাটেলাইট চিত্রে। যদিও পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনা মোতায়েনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবারই শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে বসছে দু’দেশ।

ওই বৈঠকের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমিয়ে আনার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা।
এর মধ্যেই নতুন স্যাটেলাইট চিত্র সামনে এসেছে। ফলে উদ্বেগ বেড়েছে নয়াদিল্লির।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,

শুধু গালওয়ান উপত্যকা নয়, নতুন স্যাটেলাইট চিত্রে প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার পয়েন্টগুলোতেও চীনা আগ্রাসনের ছবি ধরা পড়েছে। ২৮ জুনের ওই ছবি ঘিরেই তৎপরতা শুরু হয়েছে নয়াদিল্লিতে।

স্যাটেলাইট চিত্রে স্পষ্ট দেখা গেছে যে, ফিঙ্গার ৪ এবং ফিঙ্গার ৫ এর মাঝে বিশালাকার চীনা লিপি ও প্রতীক এঁকে দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই দুই ফিঙ্গার পয়েন্টের মাঝে প্রচুর অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করে ফেলেছে চীনা সেনারা। মজুত করা হয়েছে অস্ত্রশস্ত্রও।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, গত মে মাসের গোড়ার দিকে প্যাংগং লেক বরাবর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় চীন সেনা মজুতের পর থেকেই ফিঙ্গার ফোরে আর টহল দিতে দেওয়া হচ্ছে না ভারতীয় সেনাবাহিনীকে।

নতুন স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়েছে প্যাংগং লেকের ফিঙ্গার ৪ এবং ফিঙ্গার ৫ এর মধ্যে অন্তত ৮১ মিটার লম্বা ও ২৫ মিটার দীর্ঘ এলাকায় চীনা হরফে লেখা এবং প্রতীকচিহ্ন আঁকা হয়েছে।

আরও দেখা গেছে, শুধু প্যাংগং লেকের ধার বরাবর নয়, আরও অন্তত ৮ কিলোমিটার ভারতের দিকে ঢুকে ঘাঁটি গেড়েছে চীনা বাহিনী। গড়ে তোলা হয়েছে ১৮৬টি ছোট বড় অস্থায়ী তাঁবু ও কুঁড়েঘর। ফিঙ্গার ৫ এর কাছে একটি নজরদারি বিমানও দেখা গেছে বলে উপগ্রহ চিত্র ব্যাখ্যা করে একটি সূত্র দাবি করেছে।

সুত্র: ওয়ান ইন্ডিয়া

‘যদি ফিলিস্তিনের সামান্যতম ভূমিও দখল করে ইসরাইল তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে’

ফিলিস্তিনের ওয়েস্টব্যাঙ্ক পশ্চিম তীরের সামান্যতম ভূমিও যদি ইসরাইল দখল করে তাহলে তার কঠোর জবাব দেবে আম্মান। খবর পূজের কলম। এর আগেও বেশ কয়েকবার জর্ডন ফিলিস্তিনের ভূমি দখলের বিরুদ্ধে ইসরাইলকে সতর্ক করেছে।

আম্মান বলেছে, তেল আবিব যদি ফিলিস্তিনি ভূমি দখলের ব্যাপারে তাদের আংশিক পরিকল্পনাও বাস্তবায়ন করে তাহলে জর্ডন তার বিরুদ্ধে কড়া প্রতিক্রিয়া দেখাবে। গত সপ্তাহে ইসরাইলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদের প্রধান ইয়োসি কোহেনের সঙ্গে বৈঠকের সময় জর্ডনের রাজা দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ প্রতিক্রিয়া দেখানোর ব্যাপারে সতর্ক করেন।

সূত্রের খবর, জর্ডন এরইমধ্যে আমেরিকা এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশকে ভুমি দখল সংক্রান্ত ইসরাইলি পরিকল্পনার বিষয়ে সতর্ক করেছে। সম্প্রতি ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনের শতকরা ৩০ ভাগ ভূমি দখলের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন।

একইভাবে তিনি জর্ডন উপত্যকা দখলের কথাও বলেছেন। এ নিয়ে আরব ও মুসলিম দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, ইউরোপের কোনও কোনও দেশ ইসরাইলি পরিকল্পনার বিরোধিতা করছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতি সমর্থন দিয়েছেন।

ভারতীয় হাই কমিশনের ৩৮ কর্মকর্তাকে ফেরত পাঠাচ্ছে পাকিস্তান

ইসলামাবাদে ভারতীয় হাই কমিশনের ৭৬ জন কর্মকর্তার মধ্যে ৩৮ জনকেই নয়া দিল্লিতে ফেরত পাঠাচ্ছে পাকিস্তান।

ভারত তার দেশে পাকিস্তানী কূটনীতিক সংখ্যা অর্ধেক করার নির্দেশ দেওয়ার পর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে পাকিস্তান ওই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) তাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

ছয় কূটনীতিকসহ ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মকর্তারা ওয়াগা সীমান্ত পথে পাকিস্তান ত্যাগ করবেন।

একইভাবে নয়া দিল্লি থেকে ১০০ পাকিস্তানী কর্মকর্তা তাদের পরিবার পরিজনসহ মঙ্গলবার দেশে ফিরবেন বলে সূত্র জানিয়েছে।

ভারত গত সপ্তাহে নয়া দিল্লির পাকিস্তান হাই কমিশনের জনবল ৫০% কমাতে বলে। পাকিস্তানী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে গোয়েন্দাগিরি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ অভিযোগ আনা হয়।

তবে এরপরই পাকিস্তান ভারতের অভিযোগ দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করে এবং ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভিত্তিহীন বক্তব্যের কঠোর নিন্দা জানায়।

পাকিস্তান পররাষ্ট্র দফতর ভারতের চার্য দ্য এফেয়ার্সকে ডেকে এনে ইসলামাবাদের সিদ্ধান্ত জানায় এবং ভারতীয় কূটনীতিক সংখ্যাও ৫০% কমাতে বলে।

সূত্র জানায়, নয়া দিল্লিতে পাকিস্তানী কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তারা ক্রমাগত হয়রানীর শিকার হচ্ছে এবং গত সপ্তাহে দুইজন কূটনীতিককে ভারতীয় গোয়েন্দারা নির্যাতন করে।

আরো পড়ুন: ৫০০ বছরের পুরনো কোরআন, রং ও উজ্জ্বলতা এখনো অক্ষুণ্ণ !

এক ধরনের চীনা কাগজে লিখিত কোরআনের দৃষ্টিনন্দন পান্ডুলিপি ‘তিমুরিদ কোরআন’। বিভিন্ন দৃশ্য সংবলিত অলংকৃত পাতায় রংতুলির আঁচড়ে লিখিত এ কোরআন দেখতে বেশ নান্দনিক। চমৎকার অলংকৃত কোরআনের এমন পান্ডুলিপি তৈরিতে সময়ও লাগে অনেক বেশি।

১৫০০ শতাব্দীতে মিং রাজবংশের সময়কার এ তিমুরিদ কোরআন। এটি বিশেষ ধরনের চাইনিজ পেপারে সোনার প্রলেপের ডিজাইনে লিখিত। এত বছর পরেও কোরআনের এ পান্ডুলিপিটি স্বচ্ছ ও নিখুঁত। এটির রং ও উজ্জ্বলতা এখনো অক্ষুণ্ণ রয়েছে। সিল্কি জমিনে নিখুঁত অলংকরণ এবং সোনার হরফে লেখাগুলো উজ্জ্বল-বিভাময়।

সুন্দর ও নিখুঁত এ সৃজনশীল কর্ম দেখলেই অন্যরকম ভাবাবেগ লাগে। চমৎকার ও দৃষ্টিনন্দন এ পান্ডুলিপিটি নিলামে বিক্রি হতে যাচ্ছে। আগামী ২৫ জুন লন্ডনে এর নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। সেদিন একজন হবেন ১৫০০ শতাব্দীতে লিখিত দৃষ্টিনন্দন তিমুরিদ কোরআনের পান্ডুলিপির গর্বিত মালিক।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা ৮০০ ডলার থেকে এর বিট শুরু হবে, যা ১.২ মিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে। জানা গেছে, তিমুরিদ কোরআনটির আকর্ষণীয় এ পান্ডুলিপির ইতিমধ্যে কয়েকজন বিটকারী যোগাযোগও করেছেন।

তবে তত্ত্বাবধায়করা চাচ্ছেন, নিলামেই এটির মূল্য নির্ধারণ করতে।

আরো পড়ুন-প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন বাইডেনই: ট্রাম্প

সদ্য হওয়া তিনটি জনমত সমীক্ষার ইঙ্গিত, তাঁকে বেশ খানিকটা পিছনে ফেলে দিয়েছেন তাঁর একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। একটি খবরের চ্যানেলকে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও প্রায় বলেই ফেললেন যে, বাইডেনই প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন, কারণ দেশের কিছু মানুষ তাঁকে ভালবাসেন না।

সাক্ষাৎকারের শুরুটা হয়েছিল বাইডেনকে আক্রমণ করেই। অতিমারি মোকাবিলায় ট্রাম্প প্রশাসনের ব্যর্থতা এবং লকডাউনের জেরে আর্থিক মন্দা নিয়ে দেশের তাবড় সেলিব্রিটিরা পর্যন্ত মুখ খুলেছেন।

সেই সঙ্গে বর্ণবিদ্বেষ-বিরোধী আন্দোলনে ট্রাম্পের সেনা পাঠানোর হুমকিও ভাল চোখে নেননি অনেকেই। সাক্ষাৎকারটির ঠিক ২৪ ঘণ্টা আগে বাইডেনও প্রেসিডেন্টকে বিঁধে বলেছেন, ‘‘করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ট্রাম্প শিশুদের মতো আচরণ করেছেন। মনে হচ্ছে ওঁকে ছাড়া আমাদের সকলের উপরেই প্রভাব ফেলেছে এই অতিমারি।’’

ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর এই বক্তব্যেরই প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয়েছিল ট্রাম্পের কাছে। যার জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথমে বাইডেনের এক গুচ্ছ সমালোচনা করেন। তার পরেই বলেন, ‘‘একটা লোক ভাল করে কথা পর্যন্ত বলতে পারে না।

অথচ উনিই আপনাদের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন। কারণ এ দেশেরই কিছু মানুষ আমায় ভালবাসেন না হয়তো।’’ তার পরেই তাঁর সংযোজন, ‘‘আমি আমার কাজটাই করছি।’’

বেশ কিছু সমীক্ষা আবার এ-ও বলছে, আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে বাড়ছে বর্তমান প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয়তা। মিশিগান, ফ্লরিডা, টেক্সাস, পেনসিলভ্যানিয়া, ভার্জিনিয়ার মতো প্রদেশে ৫০ শতাংশেরও বেশি ভারতীয় বংশোদ্ভূত চাইছেন, ট্রাম্পই ফের প্রেসিডেন্টের গদিতে বসুন।

অথচ আমেরিকায় বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদেরই সমর্থন করারই প্রবণতা ছিল এত দিন। হোয়াইট হাউসের ডেপুটি প্রেস সচিব সারা ম্যাথিউস সাংবাদিকদের জানান, ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের এমন সমর্থন পেয়ে প্রেসিডেন্ট অভিভূত। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্রথম থেকেই ভারতের সঙ্গে

সুসম্পর্ক গড়ে তোলায় জোর দেন ট্রাম্প। তাই নরেন্দ্র মোদী আমেরিকা সফরে এলে হাউডি মোদী ও ট্রাম্প ভারতে গেলে কেমছো ট্রাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। সারা বলেছেন, ‘‘আমাদের অর্থনীতি, সংস্কৃতিতে ভারতীয়-মার্কিন নাগরিকদের অবদানকে প্রেসিডেন্ট গুরুত্ব দেন।’’

এ দিকে, মেক্সিকো সীমান্তে দেওয়াল তোলার জন্য মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের অর্থ খরচ করার অধিকার ট্রাম্প প্রশাসনের নেই বলে রায় দিয়েছে মার্কিন ফেডারেল আপিল আদালত।