চীনের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা সমাবেশ করছে পাকিস্তান

চীনের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা সমাবেশ করছে বলে জানাল ভারতীয় সেনা। পাকিস্তান কোনও অভিযানে নামলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ১৫ নম্বর কোরের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পি রাজু।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজুর বক্তব্য, ‘‘লাদাখ পরিস্থিতির কোনও প্রভাব এখনও কাশ্মীরে পড়েনি। ১৪ নম্বর কোর সেখানকার পরিস্থিতি সামলাচ্ছে। অতিরিক্ত বাহিনী কাশ্মীর হয়ে লাদাখ গিয়েছে।

কারণ সেটাই লাদাখ যাওয়ার স্বাভাবিক পথ। তবে পাকিস্তানও সেনা সমাবেশ করছে।’’ তাঁর কথায়, ‘‘পাকিস্তান সম্প্রতি জানিয়েছিল তারা ভারতের তরফে আক্রমণের আশঙ্কা করছে। হয়তো তারা নিজেদের সুরক্ষার জন্যই সেনা সমাবেশ করেছে।

আমরা সতর্ক আছি।’’ পাক সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ১৫ নম্বর কোরের কমান্ডার বলেন, ‘‘জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটাতেই সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গ করে পাকিস্তান। তবে গত বছরের চেয়ে সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গের ঘটনা কম।

এর সঙ্গে লাদাখ পরিস্থিতির কোনও সম্পর্ক নেই।’’ জম্মু-কাশ্মীরে সংযুক্ত কমান্ডের বৈঠকে সেনার তরফে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত বাঙ্কার তৈরির উপরে জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

চলতি বছরের অমরনাথ যাত্রা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি হয়নি বলে জানিয়েছেন রাজু। তাঁর কথায়, ‘‘সংযুক্ত কমান্ডের বৈঠকে উপরাজ্যপালই জানিয়েছেন এ নিয়ে কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা নেই।’’

উপত্যকায় প্রযুক্তিগত নজরদারি ও চরেদের মাধ্যমে পাওয়া সূত্রের ভিত্তিতে জঙ্গি-দমন অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রাজু। তাঁর বক্তব্য, ‘‘স্থানীয় যুবকদের জঙ্গি দলে যোগ দেওয়া রুখতে সব ধরনের চেষ্টা করছি আমরা। জঙ্গি-দমন অভিযানের সময়ে তাদের আত্মসমর্পণ করারও সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।’’

এ দিনই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ কাশ্মীরের কোকেরনাগ, ত্রাল ও খ্রু-তে ২৯ জন বিদেশি জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবাগ সিংহের বক্তব্য, ‘‘বিদেশি জঙ্গিরা অনেক বেশি প্রশিক্ষিত।

তবে আমাদের বাহিনী সব ধরনের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে সক্ষম।’’ দিলবাগ জানিয়েছেন, দক্ষিণ কাশ্মীরে জঙ্গির সংখ্যা এখনও উত্তর কাশ্মীরের চেয়ে বেশি। তবে উত্তর কাশ্মীরেও জঙ্গি-দমন অভিযান শুরু হয়েছে। সুত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

মার্কিন সেনাদের হত্যায় তালেবানকে পুরস্কারের প্রস্তাব রাশিয়ার!

আফগানিস্তানে মোতায়েন মার্কিন সেনা সদস্যদের হত্যা করতে সশস্ত্র বিদ্রোহী সংগঠন তালিবানসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গোষ্ঠীকে আর্থিক পুরস্কারের প্রস্তাব দিয়েছিল রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সূত্রের বরাত দিয়ে চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ আনা হয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে।

গত শুক্রবার (২৬ জুন) এই মার্কিন সংবাদমাধ্যমটিতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে একটি গোয়েন্দা সূত্রকে উল্লেখ করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, গত বছর আফগানিস্তানে মার্কিন সেনাদের উপর হামলা চালানোর জন্য গোপনে তালিবানদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল ইউরোপে হত্যাকাণ্ড পরিচালনায় জড়িত রুশ সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসলামি জঙ্গি বা অন্য সশস্ত্র অপরাধীরা ওই রুশ গোয়েন্দাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রেখে চলে। এমনকি মার্কিন সেনাদের উপর হামলা চালানোর জন্য ইতোমধ্যে কিছু অর্থও পেয়েছে তারা।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের সেই প্রতিবেদনের বিষয়ে হোয়াইট হাউস, সিআইএ ও ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স প্রধানের দপ্তর মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তবে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় বলেছে, এটি যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দাদের বুদ্ধিবৃত্তিক সামর্থ্যের নিম্নমান প্রমাণ করছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা আছে, মার্কিন গোয়েন্দারা বিষয়টি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করেছেন। এই ঘটনায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে পাল্টা কোনো পদক্ষেপের বিষয়ে হোয়াইট হাউস এখনো কোনো অনুমতি দেয়নি।

২০১৯ সালে অন্তত ২০ জন মার্কিন সেনা আফগানিস্তানে নিহত হয়েছিলেন। তবে প্রতিবেদনে ঠিক কোন হত্যাগুলো রাশিয়ার আর্থিক মদদে হয়েছে সে বিষয়টি নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি।

দীর্ঘ প্রায় ২০ বছরের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের পর চলতি বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও তালিবানদের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আফগানিস্তানে এখন মোতায়েনকৃত মার্কিন সেনাদের সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার।

সুত্র: দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস

ভারত-চীন সংঘাত চলাকালেই সীমান্তে সেনা মোতায়েন করছে পাকিস্তান

চীনের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই পাকিস্তান নিয়ন্ত্রণরেখায় সেনা সমাবেশ করছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনা। সেই সাথে পাকিস্তান কোনও অভিযানে নামলে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ১৫ নম্বর কোরের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পি রাজু।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাজু বলেন,লাদাখ পরিস্থিতির কোনও প্রভাব এখনো কাশ্মীরে পড়েনি।

১৪ নম্বর কোর সেখানকার পরিস্থিতি সামলাচ্ছে। অতিরিক্ত বাহিনী কাশ্মীর হয়ে লাদাখ গিয়েছে। তবে পাকিস্তানও সেনা সমাবেশ করছে।

পাক সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ১৫ নম্বর কোরের কমান্ডার বলেন, জঙ্গি অনুপ্রবেশ ঘটাতেই সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গ করে পাকিস্তান। তবে গত বছরের চেয়ে এবার কম। এর সঙ্গে লাদাখ পরিস্থিতির কোনও সম্পর্ক নেই।

জম্মু-কাশ্মীরে সংযুক্ত কমান্ডের বৈঠকে সেনার তরফে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত বাঙ্কার তৈরির উপরে জোর দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

চলতি বছরের অমরনাথ যাত্রা নিয়ে এখনও কোনও স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি হয়নি বলে জানিয়েছেন রাজু। উপত্যকায় প্রযুক্তিগত নজরদারি ও চরেদের মাধ্যমে পাওয়া সূত্রের ভিত্তিতে জঙ্গি-দমন অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এ দিনই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ কাশ্মীরের কোকেরনাগ, ত্রাল ও খ্রু-তে ২৯ জন বিদেশি জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে।

জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের ডিজি দিলবাগ সিংহের বক্তব্য বিদেশি জঙ্গিরা অনেক বেশি প্রশিক্ষিত। তবে আমাদের বাহিনী সব ধরনের চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে সক্ষম।

দিলবাগ জানিয়েছেন, দক্ষিণ কাশ্মীরে জঙ্গির সংখ্যা এখনও উত্তর কাশ্মীরের চেয়ে বেশি। তবে উত্তর কাশ্মীরেও জঙ্গি-দমন অভিযান শুরু হয়েছে।

আরো পড়ুন: রিজিক ও ঋণের দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি পেতে শায়েখ আয়েজ আল কারনির ৩ পরামর্শ !

বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে মানুষ যে বিষয়গুলো নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত তার অন্যতম হলো হালাল রিজিক।

সৌদি আরবের বিশিষ্ট আলেম, ইসলামিক স্কলার ও বিশ্বনন্দিত আরবি গ্রন্থ লা-তাহঝানের রচয়িতা শায়েখ আয়েজ আল কারনি হালাল রিজিকের সমাধানসহ মুমিনের আরও কয়েকটি পেরেশানি থেকে মুক্তির পথ বাতলে দিয়েছেন। তিনি চ্যালেঞ্জ করেছেন- যে কেউ তার সেই পরামর্শসমূহ মেনে চলবে রিজিক, ঋণ ইত্যাদির দুশ্চিন্তা তার আর থাকবে না।

আধামিনিটের এক ভিডিও বক্তব্যে শায়েখ আয়েজ আল কারনি বলেন, তিনটি বিষয়ের ওপর আমি কসম করছি, যে ব্যক্তি এগুলোর প্রতি যত্নবান হবে এবং জরুরি কাজ মনে করবে, আল্লাহ তায়ালা তাকে ধারণাতীত উৎস থেকে রিজিক দান করবেন। তার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দিবেন। দুশ্চিন্তা দূর করবেন। বক্ষকে প্রশস্ত করবেন।

তার সমস্ত কাজকে সহজ করে দিবেন। প্রথম বিষয় হল, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যথাসময়ে আদায় করা। দ্বিতীয় বিষয়, পিতা-মাতার হক আদায় করা। তৃতীয় বিষয়, বেশি পরিমাণ ইস্তিগফার করা। এই তিনটি কাজ করলে মহান আল্লাহ আপনার দায়িত্ব নিবেন- এই কাজগুলির পরিক্ষিত সুফল পেয়েছেন সালেহ, আওলিয়া ও আবেদগণ।

তাদেরকে রিজিক দেয়া হয়েছে, দুঃখ-দুশ্চিন্তা দূর করা হয়েছে। অনুলেখক, কন্ট্রিবিউটর: আওয়ার ইসলাম টোয়েন্টিফোর ডটকম। শিক্ষক: মারকাযুদ দিরাসাহ্ আল ইসলামিয়্যাহ্- ঢাকা

আরো পড়ুন: পবিত্র কাবা ও মসজিদে নববীর নকশা করেছিলেন যে ব্যাক্তি !

ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থান সৌদি আরবের মক্কা শহরে অবস্থিত কাবা ঘিরে মসজিদুল হারাম। ইবরাহিম (আ) ও ইসমাইল (আ) এর দ্বারা প্রথম কাবা নির্মাণ করা মুসলিমরা হজ্জ ও উমরার জন্য মসজিদুল হারামে যান।

হজ্জের সময় এখানে উপস্থিত হওয়া মানুষের জমায়েত পৃথিবীর বৃহত্তম মানব সমাবেশের অন্যতম। অপরদিকে মসজিদে নববী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মসজিদ যা বর্তমান সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত।

গুরুত্বের দিক থেকে মসজিদুল হারামের পর মসজিদে নববীর স্থান। হজরত মুহাম্মদ (সাঃ) হিজরত করে মদিনায় আসার পর এই মসজিদ নির্মিত হয়। নির্মাণের পর অনেকবার পুণ-নির্মাণ কিংবা সংস্কার করা হয়েছে মুসলমানদের এই পবিত্র দুটি মসজিদ।

আর মক্কার মসজিদুল হারাম কিংবা মদিনার মসজিদে নববীর সংস্কারে একজন মিশরীয় প্রকৌশলী এবং স্থপতি অনেক ভূমিকা রেখেছেন যিনি খ্যাতি থেকে দূরে থাকতে পছন্দ করেছিলেন। তাই তিনি আজো অনেকেরই অজানা। সেই মহান ব্যক্তিটির নাম ড. মুহাম্মদ কামাল ইসমাঈল।

তিনি মিশরের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ উচ্চ বিদ্যালয়ের সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যক্তি। এবং রয়েল স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হওয়া এবং স্নাতক অর্জন করা সবচেয়ে কম বয়সী ব্যক্তিও ছিলেন তিনি। সবচেয়ে কম বয়সে ইসলামী আর্কিটেকচারে তিনটি ডক্টরেট ডিগ্রি প্রাপ্তির জন্য ইউরোপে গিয়েছিলেন।

এছাড়াও তিনি রাজার কাছ থেকে নীলে স্কার্ফ এবং আয়রন র‌্যাঙ্ক প্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ ব্যক্তি ছিলেন। এছাড়াও তার সবচেয়ে বড় পরিচয় তিনিই প্রথম প্রকৌশলী যিনি মক্কা ও মদীনা মসজিদ সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছিলেন।

বাদশাহ ফাহাদ এবং বিন লাদেন কোম্পানির প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তিনি তার ইঞ্জিনিয়ারিং ডিজাইন এবং স্থাপত্যকর্ম তদারকির জন্য কোনো প্রকার অর্থ গ্রহণ করতে রাজী হননি। তাদের লক্ষ লক্ষ টাকার চেক ফিরিয়ে দিয়ে বাকের বিন লাদানকে তিনি বলেন, আমি কেন পবিত্র দুটি মসজিদে আমার কাজের জন্য অর্থ গ্রহণ করব্?

তাহলে আমি কীভাবে বিচার দিবসে আল্লাহকে মুখ দেখাব? তিনি ৪৪ বছর বয়সে বিয়ে করেছিলেন। তার স্ত্রী একটি পুত্রের জন্ম দিয়ে মারা যান। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি এবং তার মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি আল্লাহর ইবাদতে পূর্ণ সময় নিবেদিত করেছিলেন।

তিনি গণমাধ্যমের যশ, খ্যাতি এবং অর্থের থেকে দূরে থেকে তিনি দুটি পবিত্র মসজিদের সেবায় ব্যয় করেছিলেন। এই প্রতিভাবান ব্যক্তিটির মসজিদুল হারাম এর মার্বেলের কাজ সম্পর্কিত একটি চমকপ্রদ গল্প রয়েছে। তিনি তাওয়াফকারিদের জন্য হারাম মসজিদের মেঝেটি ঢাকতে চেয়েছিলেন।

আর এই বিশেষ তাপ শোষণক্ষমতাসম্পন্ন মার্বেল কেবল গ্রীসের একটি ছোট পর্বতে পাওয়া যেত। তিনি গ্রীস ভ্রমণ করেন এবং হারামের জন্য প্রায় অর্ধেক পাহাড়ের পরিমাণে মার্বেল কেনার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তিনি চুক্তিতে স্বাক্ষর করলেন এবং মক্কার দিকে ফিরে আসতেই সাদা মার্বেল চলে এসেছিল।

এবং প্রকৃতপক্ষে মক্কার পবিত্র মসজিদের মেঝেতে মার্বেলের স্থাপন সমাপ্ত হয়েছিল। এর ১৫ বছর পরে, সৌদি সরকার তাকে মদীনার পবিত্র মসজিদে অনুরূপ মার্বেল স্থাপন করতে বলে। এ ব্যাপারে ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ কামাল বলেন, যখন বাদশাহ তাকে নবীজির মসজিদটিকেও একই মার্বেল দিয়ে ঢাকতে বললেন,

তখন আমি খুব বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম, কারণ এই ধরণের মার্বেল পাওয়ার জন্য পৃথিবীতে কেবলমাত্র একটি জায়গা ছিল। এটি ছিল গ্রীস এবং আমি এরইমধ্যে তার অর্ধেক কিনে নিয়েছি। এরপর তিনি গ্রিসের একই সংস্থায় গিয়ে সিইওর সাথে দেখা করেছিলেন এবং তার প্রয়োজনের পরিমাণ সম্পর্কে জানিয়েছিলেন।

সিইও বলেছিলেন যে, ১৫ বছর আগে তিনি চলে যাবার পরে এটি বিক্রি করা হয়ে গিয়েছিল। এতে কামাল খুব মন খারাপ করেন। তিনি সভা ছেড়ে চলে গেলেন এবং অফিস থেকে বেরোনোর সময় তিনি অফিস সেক্রেটারির সাথে দেখা করলেন এবং তাকে অনুরোধ করলেন বাকী পরিমাণ মার্বেল কিনেছেন তার অবস্থান সম্পর্কে জানাতে।

জবাবে ওই ব্যক্তি বলেছিলেন যে এত পুরানো রেকর্ড থেকে জানা কঠিন হবে। তবুও কামালের অনুরোধে তিনি পুরানো রেকর্ড অনুসন্ধান করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কামাল তাকে হোটেলের ঠিকানা ও নম্বর দিয়েছিলেন এবং পরের দিন তার সাথে আবার দেখা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

অফিস ছাড়ার সময় তিনি ভাবছিলেন; আমি কেন জানতে চেয়েছি কে কিনেছে? নিজেকে তিনি নিজেই বলছিলেন, আল্লাহ দারুণ কিছু করবেন। পরদিন, বিমানবন্দর ছেড়ে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা আগে, কামাল একটি ফোন কল পেয়েছিলেন যাতে বলা হচ্ছিলো যে তিনি ক্রেতার ঠিকানা পেয়েছেন