ফিলিস্তিনকে ৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা তুরস্কের

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ফিলিস্তিনকে পাঁচ মিলিয়ন ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক।

শুক্রবার তুরস্কের সরকারি গেজেটে প্রকাশিত বার্তা অনুযায়ী, ফিলিস্তিনদের করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এই সাহায্যের কথা জানানো হয়েছে।

ফিলিস্তিনকে মহামারীর মধ্যে আর্থিক অনুদানের বিষয়ে গত ১১ জুন তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় তুরস্কে অবস্থানরত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত ফেইদ মোস্তফার সাথে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তির মাধ্যমে, দীর্ঘ সময় ধরে বিদ্যমান ঐতিতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ককে আরো জোরদার ও আরো উন্নত করবে বলে চুক্তিতে উল্লেখ করা হয়।

চুক্তিতে আরো উল্লেখ করা হয় যে এই অর্থ সহায়তা এক কিস্তিতেই দিয়ে দেয়া হবে।

এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় আরো ৩৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। এনিয়ে ফিলিস্তিনে করোনা রোগীর সংখ্যা এক হাজার ৫৬৮ জনে পৌঁছালো।

ফিলিস্তিনি কতৃপক্ষ ছয় জনের মৃত্যু নিশ্চিত করেছে এবং৬১৬ জন সেরে উঠেছে বলে জানায়। ইয়েনি শাফাক

ভারতে মেড ইন ইন্ডিয়া ব্যানারে শাওমি ফোন বিক্রি

লাদাখে চীনা সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যুর পর থেকেই উত্তেজনা বিরাজ করছে গোটা দেশে। চীনা পণ্য বয়কটের ডাক দিয়ে চলছে তুমুল বিক্ষোভ।

এই পরিস্থিতিতে চীনা ব্র্যান্ড শাওমি অভিনব কৌশল নিয়েছে। বিভিন্ন ফ্রাঞ্চাইজি এমআই স্টোরের সামনে বিশাল আকারে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ ব্যানার ঝুলিয়ে দিয়েছে সংস্থাটি। চীনা পণ্য বয়কটের ডাককে মোকাবেলা করতেই তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারতের স্মার্টফোন বাজারে আধিপত্য ধরে রাখতে মরিয়া শাওমি। ভারতের বিভিন্ন শহরে তাদের স্টোর ও আউটলেট রয়েছে। সেখানে ব্র্যান্ডের নামের উপর ব্যানার ঝুলিয়ে তার উপর সাদা রংয়ে ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ লেখা হয়েছে।

যেটা শাওমির ব্র্যান্ড লোগোর রংয়ের মতোই। বৃহস্পতিবার শাওমি ইন্ডিয়ার স্থানীয় ব্যবস্থাপনা পরিচালক মানু কুমার জৈন টুইট বার্তায় বলেন, ‘অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে জানাতে চাই, আমাদের তৈরি অধিকাংশ টিভি ভারতেই বানানো হয়েছে। গোটা ভারতে ছড়িয়ে থাকা কারখানায় আমরা হাজার হাজার মানুষকে কাজের ব্যবস্থা করেছি।’

ভারতের বাজারে স্থানীয় স্মার্টফোনের চেয়ে শাওমির দখল অনেক বেশি, প্রায় ৩১.২ শতাংশ। চীনা প্রতিষ্ঠানটি তাদের বেশিরভাগ স্মার্টফোন ও টিভি ভারতেই তৈরি করে বলে দাবি রয়েছে।

এমনকী এসব প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনে যেসব মূল উপাদান প্রয়োজন হয়, তার ৬৫ শতাংশও স্থানীয়ভাবে সরবরাহ করা হয়। ফলে ভারতের হ্যান্ডসেটের বাজারে তাদের আধিপত্য আছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৫০ হাজার মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করেছে বলেও দাবি।

তবে সংস্থার এই পদক্ষেপ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন, চিনা পণ্য পুরোপুরি বয়কট করা দরকার। আবার কারও মতে, এই দাবি অযৌক্তিক। কারণ, অধিকাংশ বৈদ্যুতিক পণ্যের কাঁচামাল ও যন্ত্রাংশ চীন থেকেই আসে।