চীনকে সামলাতে ব্যস্ত ভারত, আরো চাপে ফেলতে নতুন চাল পাকিস্তানের

গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার জেরে লাদাখ সীমান্ত উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেই সুযোগে ভারতকে আরো চাপে ফেলতে নতুন চাল দিল চীরশত্রু পাকিস্তান৷

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিনে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সেনা মোতায়েন অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান৷ ভারত যখন একদিকে চীনকে সামলাতে ব্যস্ত, তখন নিজেদের সীমান্তেও সেনা বাড়িয়ে ভারতের উপর চাপ আরো বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ৷

জানা গেছে রাওয়ালপিণ্ডি, লাহোর, মুলতান, অ্যাবোটাবাদ, ফয়সালাবাদের সেনা ঘাঁটি থেকে বাহিনীকে এনে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মোতায়েন করতে শুরু করেছে পাকিস্তান৷

গত ৭ জুন থেকে ১৫টি অতিরিক্ত ব্যাটেলিয়নের সেনাদের ভারতের কুপওয়ারা এবং পুঞ্চ সীমান্ত বরাবর মোতায়েন করেছে পাকিস্তান৷ ২৮ নম্বর পাকিস্তান রাইফেল রেজিমেন্টকে আজাদ কাশ্মীরে তিন নম্বর রেজিমেন্টের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে৷

আর ৯ নম্বর আজাদ কাশ্মীর রেজিমেন্টকে রাওলাকোটে সেকেন্ড রেজিমেন্টের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে৷ এর পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আরো একাধিক জায়গায় কর্তব্যরত বাহিনীর সঙ্গে অতিরিক্ত সেনা জুড়ে দেওয়া হয়েছে৷

এর পাশাপাশি রাওয়ালপিণ্ডি থেকে এসএসজি-র দু’টি রেজিমেন্টকেও নিয়ন্ত্রণরেখায় নিয়ে আসা হয়েছে৷ এই বাহিনীর সব সেনা সদস্যেরই স্নাইপার প্রশিক্ষণ রয়েছে৷ নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৬০টি ফরওয়ার্ড পজিশনে সেনা সদস্যদের পাঠানো হয়েছে৷ তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এসএসজিকে৷
সূত্র- নিউজ ১৮

দিল্লিতে মুসলমানদের হত্যার পেছনে বিজেপি নেতারা দায়ি

‘‌মুসলিমদের খতম করো’‌— ঠিক এই নির্দেশই এসেছিল ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি কাউন্সিলর বা বিধায়কের কাছ থেকে। ফেব্রুয়ারির উত্তর–পূর্ব দিল্লির সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা সম্প্রতি দিল্লি পুলিশের কাছে লিখিতভাবে এমন অভিযোগই করেছেন।

ওই দাঙ্গায় মোদী সরকারের পক্ষ থেকে ৫৩ জন নিহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেই ঘটনার অভিযুক্ত বেশ কয়েকজন উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হতে পারেন কয়েকজন নেতা।

কয়েক মাস আগে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া দাঙ্গার ক্ষত এখনও বয়ে বেড়াচ্ছে দিল্লি। অভিযোগকারী স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, নারকীয় হত্যালীলার সাক্ষী থেকেছেন তারা। প্রাণভয়ে চুপ থাকতে বাধ্য হয়েছিলেন।

অভিযুক্তের তালিকায় আছেন দেশটির জোহুরিপুরের বিজেপি কাউন্সিলর কানহাইয়া লাল, কারাওয়াল নগরের বিজেপি বিধায়ক মোহন সিং বিস্ট, মুস্তাফাবাদের সাংসদ জগদীশ প্রধান, উত্তরপ্রদেশের বিধায়ক নন্দকিশোর গুজ্জর এবং দিল্লির বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র ও হিন্দুত্ববাদী নেত্রী রাগিণী তিওয়ারি।

এদের বেশির ভাগের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুসলিম বিরোধী সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ানো ও দাঙ্গায় নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ অনুযায়ী, এদের কয়েকজন প্রকাশ্যে গুলিও চালিয়েছেন।

তা সত্ত্বেও আজও ‌তারা পুলিশের নাকের ডগায় দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি–সহ স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পুলিশ পরিকল্পনা করে চার্জশিট থেকে কপিল মিশ্রর নাম বাদ দিয়েছে।

অভিযুক্ত কানহাইয়া লালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও এ ব্যাপারে তার কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে কয়েকটি অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে এফআইআর দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ। পুলিশ সূত্রের খবর, শিগগিরই গ্রেপ্তার হতে পারে মুসলিম বিদ্ধেষী কয়েকজন অভিযুক্ত বিজেপি নেতা।

মুসলমানদের ওপর প্রকাশ্যে গুলি চালানো ও হত্যার দায়ে ১১ মার্চ গোকুলপুরী থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন ভাগীরথী বিহার এলাকার এক বাসিন্দা। ২৪ ফেব্রুয়ারি ভাগীরথী বিহারে ১/‌৩ গলির ঘটনার বর্ণনা করেছেন তিনি।

বলেছেন, স্থানীয় জোহুরিপুরের বিজেপি কাউন্সিলর কানহাইয়া লাল শিবমন্দিরের দিক থেকে আসা উত্তেজিত শতাধিক লোককে গালমন্দ করে নির্দেশ দিচ্ছিলেন, ‘‌‌মুসলমানদের মেরে ঘর–‌সহ জ্বালিয়ে দাও।’‌

তারপর তার উপস্থিতিতেই ত্রিশূল, তরোয়াল, কুড়ুল ও পিস্তল হাতে নিয়ে একদল লোক ‘‌জয় শ্রীরাম’‌ ও ‘‌আগ লাগাও’‌ স্লোগান তুলে গোটা এলাকায় ধ্বংসলীলা চালিয়েছে। বলা হয়েছে, কাউন্সিলর কানহাইয়া লাল ও বিজেপি নেতা যোগেন্দ্র জিন্সওয়ালা মুসলিম হত্যাকারীদের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন।

অভিযোগপত্রে এ–ও বলা হয়েছে, ‘‌এই ঘটনার পর পাশের সমস্ত বাড়ি থেকে আবাসিকরা বেরিয়ে এসে সারা রাত সংখ্যালঘুদের বাড়ি পাহারা দিয়েছেন।’‌

পুলিশের কাছে জমা পড়া অন্য একটি অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘‌আক্রমণকারীরা পালচকের দিক থেকে জগদীশ প্রধান জিন্দাবাদ, কপিল মিশ্র জিন্দাবাদ স্লোগান দিতে দিতে মুসলিমদের বাড়িঘর জ্বালাতে শুরু করেছিল।’

ওই সময় কানহাইয়া লালকে ফোনে বলতে শোনা গেছে, ‘‌জগদীশ বলে দিয়েছেন, মুসলমানদের মেরে খতম করে দাও। তার পরেই কালে ও মোহিত নামের দুই যুবক মুসলমানদের ওপর গুলি ছুঁড়তে শুরু করে। সঙ্গে থাকা অন্যরা মসজিদ লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে থাকে।’

সূত্র: আজকাল

চীনকে সামলাতে ব্যস্ত ভারত, আরো চাপে ফেলতে নতুন চাল পাকিস্তানের

গালওয়ান উপত্যকায় চীনা সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ২০ ভারতীয় সেনা নিহত হওয়ার জেরে লাদাখ সীমান্ত উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেই সুযোগে ভারতকে আরো চাপে ফেলতে নতুন চাল দিল চীরশত্রু পাকিস্তান৷

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত কয়েকদিনে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর সেনা মোতায়েন অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে পাকিস্তান৷ ভারত যখন একদিকে চীনকে সামলাতে ব্যস্ত, তখন নিজেদের সীমান্তেও সেনা বাড়িয়ে ভারতের উপর চাপ আরো বাড়ানোর চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ৷

জানা গেছে রাওয়ালপিণ্ডি, লাহোর, মুলতান, অ্যাবোটাবাদ, ফয়সালাবাদের সেনা ঘাঁটি থেকে বাহিনীকে এনে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মোতায়েন করতে শুরু করেছে পাকিস্তান৷

গত ৭ জুন থেকে ১৫টি অতিরিক্ত ব্যাটেলিয়নের সেনাদের ভারতের কুপওয়ারা এবং পুঞ্চ সীমান্ত বরাবর মোতায়েন করেছে পাকিস্তান৷ ২৮ নম্বর পাকিস্তান রাইফেল রেজিমেন্টকে আজাদ কাশ্মীরে তিন নম্বর রেজিমেন্টের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে৷

আর ৯ নম্বর আজাদ কাশ্মীর রেজিমেন্টকে রাওলাকোটে সেকেন্ড রেজিমেন্টের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে৷ এর পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আরো একাধিক জায়গায় কর্তব্যরত বাহিনীর সঙ্গে অতিরিক্ত সেনা জুড়ে দেওয়া হয়েছে৷

এর পাশাপাশি রাওয়ালপিণ্ডি থেকে এসএসজি-র দু’টি রেজিমেন্টকেও নিয়ন্ত্রণরেখায় নিয়ে আসা হয়েছে৷ এই বাহিনীর সব সেনা সদস্যেরই স্নাইপার প্রশিক্ষণ রয়েছে৷ নিয়ন্ত্রণরেখায় পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের অন্তত ৬০টি ফরওয়ার্ড পজিশনে সেনা সদস্যদের পাঠানো হয়েছে৷ তার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এসএসজিকে৷
সূত্র- নিউজ ১৮