লাদাখের গালওয়ান এখন সম্পূর্ণ চীনের নিয়ন্ত্রনে: দাবি বেইজিংয়ের

লাদাখের গালওয়ান উপত্যাকায় চীন-ভারত সংঘর্ষে ভারতের ২৩ সেনা নিহত হয়েছে। এ ঘটনার পর থেকে উভয় দেশের সীমান্তে বিরাজ করছে উত্তেজনা।

কয়েকদফা সামরিক পর্যায়ে আলোচানাও হয়েছে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে। দু’দেশের সেনাদের মধ্যকার চলমান উত্তেজনার মধ্যেও গালওয়ান চীনের অধীনেই রয়েছে বলে দাবি করেছে বেইজিং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে শনিবার ভারতের নয়াদিল্লীতে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এমন তথ্য জানিয়েছে।

চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজান’র উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়, আগে থেকেই গালওয়ান সীমান্তে চীনা সেনারা টহল দেয়। গত এপ্রিলে ভারতীয় সেনারা গালওয়ানে অবস্থিত প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর রাস্তা সেতু ও অবকাঠামো নির্মাণ করলে চীন সেখানে বাধা দেয়।

এরপর ভারতীয় সেনারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পার হয়ে উস্কানি দিলে চীনা সেনা তার জবাব দিতে বাধ্য হয়। ৬ মে রাতে ভারতীয় সেনারা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে চীনা এলাকায় ঢুকে ব্যারিকেড ও বেড়া তৈরি করে ঘাঁটি গেড়ে বসে।

তার ফলে ওই এলাকায় নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে ‘প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’ করতে বাধ্য হয় চীনা সেনারা।

বিবৃতিতে জানানো হয়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কয়েক দফায় ভারত ও চীনের সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে যোগাযোগ করা হলে ভারত চীনা এলাকায় তৈরি করা অবকাঠামো ও সেনা প্রত্যাহার করে নেয়।

তারপর ৬ জুন দু’দেশের সেনা কর্মকর্তা পর্যায়ে বৈঠক করে উত্তেজনা কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, টহল দেয়ার সময় ভারতীয় সেনারা গালওয়ান নদীর মোহনা পেরোবে না।

সেইসাথে সেখানে ভারতীয় সেনারা কোন ব্যারিকেড বা বেড়াও তৈরি করবে না। সেনা প্রত্যাহার করা হবে দফায় দফায় আলোচনার মাধ্যমে।