আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করলেন ফিলিস্তিনি নারী সাংবাদিক সাথা হাম্মাদ

ফিলিস্তিনের নারী সাংবাদিক সাথা হাম্মাদ মর্যাদাপূর্ণ ‘ওয়ান ওয়ার্ল্ড মিডিয়া নিউ ভয়েস’ পুরস্কার লাভ করেছে। পশ্চিম তীরের অধিবাসী এই ফ্রিল্যান্সার নারী সাংবাদিক মিডল ইস্ট আইয়ের হয়ে কাজ করেন। বিচারকরা সাথা হাম্মাদের কাজের প্রশংসা করে বলেন, ‘সে ব্যতিক্রমধর্মী ও সমৃদ্ধ কাজ করে।

রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়গুলো বিশ্লেষণের বিশেষ যোগ্যতা রয়েছে তার। হাম্মাদের কাজের গ্রহণযোগ্যতার আরো কারণ হলো, সে পশ্চিম তীরে অনেক প্রতিবন্ধকতার মধ্যে কাজ করে। তাকে আটক করা হয়েছে এবং সে চেকপোস্টে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছে।’

গত বছর ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত মার্কিন কংগ্রেসম্যান রাশিদা তালিবের দাদির সাক্ষাৎকার নিয়ে আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় আলোচনায় আসেন সাথা হাম্মাদ। ইসরায়েল সরকার রাশিদা তালিবের পশ্চিম তীর ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারির পর তাঁর দাদি মুফতিয়া ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বক্তব্য আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তুলে ধরে। সূত্র : মিডল ইস্ট আই

আরো পড়ুন-করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনে নিজের বাড়ি দিয়ে দেব: মমতা

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও গুরুতর অসুস্থ নন এমন রোগীদের জন্য ‘সেফ হাউস’ চালু করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেখানে দিনে দু’বার চিকিৎসকরা গিয়ে রোগীদের দেখে আসবেন। শুধু যারা গুরুতর অসুস্থ তাদেরই হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। বুধবার এ ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি জানান, রাজ্য জুড়ে মোট ১০৪টি সেফ হাউস চালু করা হবে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজনে সেফ হাউস আরও বাড়ানো হবে। এ কাজে প্রয়োজনে নিজের বাড়িটিও দিয়ে দিতে পারেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বলেন, অনেক হাসপাতালে বেড সংকটের অভিযোগ আসছে। এই বিষয় স্বচ্ছতার জন্য এখন থেকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে খালি বেডের সংখ্যা জানাতে হবে।

বেসরকারি নার্সিং হোমগুলো যেভাবে আকাশচুম্বী বিল নিচ্ছে সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক হবে বলেও জানান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুলিশ, ডাক্তার, মিউনিসিপ্যাল কর্মী, আশা-কর্মী যারা করোনাযুদ্ধে সম্মুখভাগে লড়ছেন তাদের অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হবে। দুর্গম এলাকায় কাজ করলে সরকারি কর্মীরা যে বোনাস পান, এখন থেকে করোনাযোদ্ধারাও সেই অর্থ পাবেন।

এছাড়া চূড়ান্ত বর্ষের মেডিকেল ও নার্সিং পড়ুয়াদেরও করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।