চীনের ইন্ধনে নেপাল চোখ রাঙাচ্ছে ভারতকে?

চীনের ইন্ধনে নেপাল চোখ রাঙাচ্ছে ভারতকে?
মহামারি করোনার কারণে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা গোটা দুনিয়ার। তবে বিপরীত চিত্র চীন-ভারত, ভারত-নেপাল সীমান্তে। যুদ্ধের হুঁশিয়ারি দিচ্ছে চীন। অন্যদিকে ক্ষুদ্র প্রতিবেশী দেশ নেপালও চোখ রাঙাচ্ছে ভারতকে।

আর কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বন্দ্ব তো লেগে আছেই। উত্তরখণ্ড প্রদেশের কালাপানি অঞ্চল নিয়ে নেপালের সঙ্গে দীর্ঘ ২২ বছর ধরে বৈরী সম্পর্ক ভারতের। ভারত নিয়ন্ত্রিত ও চীনের কাছাকাছি এই অঞ্চলটি প্রথমবারের মতো নেপাল তাদের মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করেছে।

এর আগে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এ মাসেই লিপুলেখের কালাপানি হিসেবে পরিচিত হিমালয় বর্ডারে ভারতকে চীনের সাথে সংযুক্ত করে এমন একটি রাস্তা উদ্বোধন করেন।
ভারতের লাদাখ অঞ্চলে সম্প্রতি চীন সামরিক প্রস্তুতি বাড়ালে নড়েচড়ে বসে ভারত।

নেপালের এমন কর্মকাণ্ডের পর চীনের দিকে ইঙ্গিত করে ভারতীয় সেনাবাহিনী প্রধান মনোজ নারাভানে কড়া ভাষায় জানান, নেপাল কারও ইন্ধনেই এমনটি করছে। যেখানে নেপালের বর্তমান সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রধান কেপি শর্মা অলির সঙ্গে চীনের ভালো সম্পর্কের কথা সবার জানা।

বুধবার (২৭ মে) চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং দেশের সেনাবাহিনীকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, যেকোনো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। দেশকে সুরক্ষা দিতে সবরকম প্রস্তুতি থাকা চাই। আর এ কথা তিনি তখনই বললেন, যখন ভারত সীমান্তে উত্তেজনা চলছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বলছে, অন্তত ১০০ তাঁবু বানিয়ে লাদাখের কাছে ঘাঁটি বসিয়েছে চীনা সেনাবাহিনী।

সৌদিতে গোলাগুলিতে নিহত ৬

সৌদি আরবে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশের এ ঘটনায় ছয়জন নিহত হয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি পরিবারের মধ্যে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে।

সৌদি পুলিশের মুখপাত্র বুধবার এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল জায়েদ আল-ডাব্বাশ জানান, মঙ্গলবার আসির প্রদেশে এ সহিংস ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন।

পুলিশের মুখপাত্রের বরাত দিয়ে সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, নিহতরা সবাই সৌদি নাগরিক। তিনি বলেন, এ অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র জব্দ করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে তদন্ত করছেন প্রসিকিউটররা।

সৌদিতে এ ধরনের ঘটনা (মাস শুটিং) বিরল। এদিকে, এই গোলাগুলির ঘটনা সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত কিনা সে বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেয়নি পুলিশ। সূত্র: নিউ ইয়র্ক টাইমস

সালমান খান ঈদে ৫ হাজার দুঃস্থকে দিলেন শির-খুরমা

ঈদ মানেই অভিনেতা সালমান খানের আপ্যায়নের তালিকায় থাকে বিশেষ কিছু। প্রতিবারই ঈদে তার ছবি মুক্তির জন্য অপেক্ষা করে থাকেন তার অনুরাগীরা। কিন্তু এবার করোনা সংক্রমণের জন্য বদলে গিয়েছে সবকিছুই। বন্ধ বিনোদন জগতও।

তাই একেবারে অন্যভাবে ঈদ উদযাপন করলেন সল্লু ভাই। লকডাউনের মধ্যে দুঃস্থদের পাশে দাঁড়ালেন এই বিশেষ দিনে। এমনিতেই তিনি লকডাউনে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের দিকে সাহায্যের হাত বাড়াচ্ছেন।

ঈদেও ব্যতিক্রম হল না। ৫ হাজার দুঃস্থদের পরিবারেকে কাছে পৌঁছে দিলেন ঈদ স্পেশাল কিট। এই কিটে তিনি শির ও খুরমা বানানোর সমস্ত উপকরণ পাঠিয়েছেন। এর জন্য টুইটারে রাহুল এম কানাল নামে এক ব্যক্তি সালমান খানকে ধন্যবাদ জানান।

এছাড়াও নিজের বাগানের সবজি ও ফলও এদিন বিতরণ করেছেন অভিনেতা। এখানেই শেষ নয়। ঈদের দিন সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই বলে একটি গান গেয়ে গান প্রকাশ করেছেন সালমান। এছাড়াও মুম্বাইয়ের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির এমন ২৫ হাজার শ্রমিক পরিবারের দায়িত্ব নিয়েছেন সালমান।

জাতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, লকডাউন যতদিন চলবে ততদিন এই ২৫ হাজার শ্রমিকের ও তাদের পরিবারের অন্ন সংস্থান করবেন সালমান। সালমানের স্বেচ্ছা সংস্থা বিইং হিউম্যানের দ্বারাই এই ব্যবস্থা হয়েছে।

বান্দ্রার যে অ্যাপার্টমেন্টে থাকেন, সেখানকরা সমস্ত কর্মী ও নিরাপত্তারক্ষীদেরও খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করছে সালমানেরই পরিবার। জানিয়েছেন সল্লু ভাইয়ের বাবা সেলিম খান। তার কথায়, যারা সারা বছর পাশে থেকে কাজ করে, এই দুর্দিনে তাদের পাশে থাকাটাও জরুরি।

প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে পানভেলের ফার্ম হাউসে রয়েছেন সালমান খান। ফার্ম হাউসে সালমান একা নন। সাথে রয়েছেন তার বোন অর্পিতা এবং অর্পিতার দুই সন্তান। ফার্ম হাউসে থেকে সালমানের অন্যতম একটি প্ল‍্যানই ছিল অর্পিতার সন্তান আহিল ও আয়াতের সাথে ভালো সময় কাটানো।

সোহেল খানের ছেলেও এখানেই রয়েছেন। এছাড়াও আরও কয়েকজন তারকাও রয়েছেন সালমানের সাথে। যেমন অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজ, রিউমরড বান্ধরি ইউলিয়া ভান্তুর, অভিনেত্রী ওয়ালুশা ডিসুজা এবং গায়ক কামাল খান। সূত্র: কলকাতা ২৪X৭

তালেবানের ৯০০ বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে আফগান সরকার!

আফগান সরকার কারাগার থেকে তালেবানের ৯০০ বন্দীকে মুক্তি দিয়েছে। দু পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতির তৃতীয় ও শেষ দিনে গতকাল (মঙ্গলবার) এসব বন্দীকে মুক্তি দেয়া হলো। একইসঙ্গে আফগান সরকার যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর জন্য তালেবানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

বন্দী মুক্তির পর আফগান জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের মুখপাত্র জাভিদ ফয়সাল গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “বন্দী বিনিময় ইস্যুর সুন্দর ব্যবস্থাপনার জন্য যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো গুরুত্বপূর্ণ।”

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তালেবান তিনদিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছিল। এর জবাবে শুভেচ্ছার নিদর্শন হিসেবে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি তালেবানের দু হাজার বন্দীকে মুক্তি দেয়ার উদ্যোগ নেন।

আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গণি
আফগান সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তালেবানের কাতার অফিসের মুখপাত্র সুহাইল শাহিন এক টুইটার বার্তায় “ভালো আগ্রগতি” বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি জানিয়েছেন, তালেবানও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সরকারি বন্দীকে মুক্তি দেবে। তবে তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে কোনো কথা বলেন নি। গতরাতে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। সুত্র: পার্সটুডে

আমেরিকার ২৪৩ বছরের ইতিহাসের ২২৭ বছরই যুদ্ধ করেছে: ইরান

আমেরিকা যতই শান্তির কথা বলুক না কেন সে দেশটি যে আসলে একের নম্বর সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক তেমন বার্তাই দিয়েছে ইরান। কারণ ইরান অভিযোগ তুলেছে, আমেরিকার ২৪৩ বছরের ইতিহাসের মধ্যে ২২৭ বছরই যুদ্ধ করেছে।

পাশাপাশি ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাইয়্যেদ আব্বাস মুসাভি তার দেশের বিরুদ্ধে আমেরিকার ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মন্তব্য করেছেন, অন্য দেশের ব্যাপারে কথা বলার রাজনৈতিক, আইনগত ও নৈতিক অধিকার হারিয়েছে আমেরিকা।

সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দাবি করেছিল, বিশ্বের বহু দেশে ইরান বিচ্ছিন্নতাবাদী হামলা চালিয়েছে। ওই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মুসাভি বলেন, এটি হচ্ছে কল্পনা ও বিভ্রান্তির এমন এক সংমিশ্রণ যাতে কখনই কোনও দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি আমেরিকা।

আর এমন অভিযোগ সেই দেশের থেকে উঠছে যে দেশ গত এক দশকে নানা অজুহাতে বিশ্বের ৫৫টি দেশের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে। তাছাড়া ২০১৭ সাল থেকে আমেরিকার একতরফা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বের ৩৩টি দেশের উপরে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলেছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র।

এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মার্কিন সরকার তার ইতিহাসে ১৩৫টি বড় যুদ্ধ শুরু করেছে এবং ২৪৩ বছরের ইতিহাসে মাত্র ১৬ বছর যুদ্ধ করেনি আমেরিকা।

মার্কিন সরকারকে সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক উল্লেখ করে সাইয়্যেদ মুসাভির বক্তব্য, হাতে থাকা দলিল-প্রমাণে দেখা গিয়েছে আমেরিকা ১৯৬০’র দশক থেকে পশ্চিম এশিয়া, ইউরোপ ও ল্যাটিন আমেরিকার অন্তত আটটি স্বীকৃত বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছে।

তার যুক্তি, অন্য দেশের দিকে অঙ্গুলি তোলার আগে আমেরিকার উচিত নিজের নোংরা ও কলুষিত অতীতের দিকে তাকানো।

চীনা সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দিলেন শি জিনপিং!

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তার দেশের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়েছেন। লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনীর মধ্যে বাড়তে থাকা উত্তেজনার মধ্যেই তিনি এ নির্দেশ দিলেন।

মঙ্গলবার বেজিংয়ে সংসদীয় অধিবেশনের সময় ‘পিপলস লিবারেশন আর্মি’ ও ‘পিপলস আর্মড পুলিশ ফোর্স’-এর প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে বসেন শি জিনপিং।

সেখানে তিনি বলেন, সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে হবে। সে জন্য সামগ্রিক প্রশিক্ষণ জরুরি। যদিও চীনা প্রেসিডেন্ট কোনো বিশেষ দেশ বা প্রতিপক্ষের নাম উল্লেখ করেননি।

তবে ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সংঘাতের বাতাবরণে শি’র বক্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নয়াদিল্লি। ‘জিনহুয়া নিউজ এজেন্সি’র বরাতে এ খবর জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

শি জিনপিং বলেন, সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে হবে। সে জন্য সামগ্রিক প্রশিক্ষণ জরুরি। চীনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশের কৌশলগত স্থিতিশীলতার জন্য যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখতে এই নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

আনন্দবাজার জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়ত ও তিন সামরিক বাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

তার আগে মোদি ও রাজনাথ সামরিক বাহিনীর কর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রীর কথা হয়েছে। আগামীকাল সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজমুকুন্দ নরবণেও বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

ভারতের কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সীমান্তরেখায় তৎপর রয়েছে ভারত। তাদের দাবি, ভারত বরাবরই সীমান্তের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। একই সঙ্গে এও জানিয়ে দেয়া হয়েছে, ভারত দেশের নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

গত কয়েক দিন ধরেই লাদাখ ও উত্তর সিকিমের সীমান্তরেখায় ভারত ও চীনের সেনা মোতায়েন বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে উত্তেজনার পারদ ক্রমশই বাড়ছে।গত ৫ মে ২৫০ চীনা সেনা ও ভারতীয় সেনার মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকেই পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হয়েছে।

ওইদিন ভারতীয় ও চীনা সেনা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছিল লোহার রড, লাঠি নিয়ে। এমনকি পাথর ছোড়াও হয়েছিল। জখম হয়েছিলেন উভয়পক্ষের সেনারাই।

প্রসঙ্গত লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ। প্রায় তিন হাজার ৪৮৮ কিলোমিটারজুড়ে চীন-ভারত সীমান্ত অবস্থিত।

দিল্লির দাবি, ২০১৫ সাল থেকে চীনা সেনারা দফায় দফায় ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছে। ৮০ ভাগ ক্ষেত্রেই প্রকৃত সীমান্ত রেখা লংঘনের ঘটনা ঘটেছে চারটি জায়গা দিয়ে। এর মধ্যে তিনটি অবস্থিত পূর্ব লাদাখে ও একটি পশ্চিম সেক্টরে।

ভারতের সাথে সীমান্ত উত্তেজনা; যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন

ভারত ও চীনের সীমান্ত অঞ্চল লাদাখ নিয়ে দুদেশের উত্তেজনার মাঝে সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

অপরদিকে, চীন লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার (এলএসি) ওপারে সেনা ও যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন বাড়ালে ভারতও পাল্লা দিয়ে সেনা মোতায়েন বাড়াবে। মঙ্গলবার দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহের সাথে সামরিক বাহিনীর শীর্ষকর্তাদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ভারতের যে পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ নিয়ে চীনা সেনাবাহিনী আপত্তি তুলেছে, তা-ও চালিয়ে যাওয়া হবে। এ খবর দিয়েছে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।

খবরে প্রকাশ, নয়াদিল্লিতে যখন এই তৎপরতা, তখনই চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সে দেশের সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দিয়েছেন। যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখতে চীনা সেনার প্রশিক্ষণ বাড়ানোর উপরে জোর দিয়েছেন তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার লাদাখের পরিস্থিতি নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত ও তিন সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেন। তার আগে মোদি ও রাজনাথ সামরিক বাহিনীর কর্তাদের সাথে আলোচনা করেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাথেও প্রধানমন্ত্রীর কথা হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজমুকুন্দ নরবণেও বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করবেন। ভারত-চীন সীমান্তের তিনটি সেক্টরই এখন উত্তপ্ত।

গত ৫ মে থেকেই পশ্চিম ভাগে বা ওয়েস্টার্ন সেক্টরে লাদাখের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘাত চলছে। ‘ফিঙ্গার থ্রি’ ও ‘ফিঙ্গার ফোর’-এর মধ্যে রাস্তা তৈরির কাজে চীন প্রথম আপত্তি তোলে। একই সাথে গালওয়ান ভ্যালির সাথে সংযোগকারী রাস্তার কাজেও চিনের আপত্তি।

৫ মে রাতে পূর্ব লাদাখের প্যাঙ্গং লেকের কাছে চিন ভারতীয় সেনার নজরদারি বাহিনীকে বাধা দেয়। তার পর থেকেই ওই দু’টি এলাকায় দু’দেশের সেনা পরস্পরের চোখে চোখ রেখে দাঁড়িয়ে রয়েছে।

পূর্ব ভাগে বা ইস্টার্ন সেক্টরের উত্তর সিকিমেও এ মাসের শুরুতে দুই সেনাবাহিনীর সংঘাত বেঁধেছে। সাধারণত সেন্ট্রাল সেক্টরের উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশের অংশ শান্ত থাকে। কিন্তু সেখানেও বিক্ষিপ্ত ঘটনা ঘটেছে।

রাজনাথের সাথে সামরিক কর্মকর্তাদের বৈঠকে এই পরিস্থিতির পর্যালোচনা হয়। বিপিন রাওয়াত ও তিন সামরিক বাহিনীর প্রধানরা বৈঠকে হাজির ছিলেন। আলোচনা চলে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে।

ভারতের সেনাবাহিনী কী ভাবে চীনের সেনাবাহিনীর রণমূর্তি সামাল দিচ্ছে, তা নিয়ে কথাবার্তা হয়েছে। ঠিক হয়েছে, এই বিবাদের মীমাংসা একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব। কূটনৈতিক স্তরেই এর সমাধান সম্ভব।

কিন্তু যত দিন তা না-হচ্ছে, তত দিন ভারতীয় সেনাবাহিনী নিজের অবস্থান থেকে নড়বে না। চীন যদি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে আরো বেশি সেনা ও যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করে, ভারতও পাল্লা দিয়ে সেনা-যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করবে।

সেনা সূত্রের খবর, উপগ্রহ চিত্রে দেখা যাচ্ছে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার ওপারে চীন প্রায় হাজার দশেক সেনা মোতায়েন করেছে। তিব্বতের গারি গুনশা ঘাঁটিতে চলছে নির্মাণকাজ। সেখানে হাজির বেশ কিছু যুদ্ধবিমানও। গতকাল ভারত থেকে নিজেদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ারও প্রস্তাব দিয়েছে চীন।

এরই মধ্যে চীনা প্রেসিডেন্টের মন্তব্য পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত করে তুলেছে। মঙ্গলবার জিনপিং বলেন, ‘সেনাবাহিনীকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করে তুলতে হবে। সে জন্য সামগ্রিক প্রশিক্ষণ জরুরি।’

চীনের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং দেশের কৌশলগত স্থিতিশীলতার জন্য যুদ্ধের প্রস্তুতি রাখতে সেনাবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন জিনপিং। তবে ভারতের সাথে সীমান্ত সংঘাতের বাতাবরণে জিনপিংয়ের বক্তব্যকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে নয়াদিল্লি। সুত্র: আনন্দবাজার

লাদাখ সীমান্তে ৫ হাজার সেনা মোতায়েন করল চীন!

ক্রমাগত উত্তপ্ত হচ্ছে ভারত-চীন সীমান্ত। বিষয়টি নিয়ে মুখে দুই দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতারা তেমন কিছু না বললেও সীমান্তে আঁটোসাঁটো হচ্ছে প্রস্তুতি। লোকবল বাড়াচ্ছে প্রস্তুতি। লাদাখ সীমান্তে ৫০০০ সৈন্য পাঠিয়েছে চীন।

প্রত্যুত্তরে সেনাবাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়াচ্ছে ভারতও। ভারত সেখানে বাঙ্কার প্রস্তুত করছে বলেও খবরে প্রকাশ। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা তথা লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল (এলএসি)-র চার জায়গায় একেবারে সামনা সামনি ভারত-চীন সেনা বাহিনীর সদস্যরা।

দুই বাহিনীর প্রতিনিধিদের মধ্যে বারবার বৈঠক করেও কিছু সমাধানসূত্র মেলেনি। প্যাঙ্গোঙ্গ লেকের কাছে প্যাট্রোল বাহিনীদের সংঘর্ষের মধ্যে দিয়ে যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছিল, তা এখন কয়েক গুণ বেড়ে গিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভারতের দুই সামরিক কর্তা হিন্দুস্তান টাইমসকে জানিয়েছেন যে ওই অঞ্চলে পাঁচ হাজার সেনা সদস্য নিয়ে এসেছে চীন। তবে ফ্ল্যাস পয়েন্টগুলোতে নয়, বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে এই সেনা সদস্যরা। এক ভারতীয় সেনা কর্তা জানিয়েছেন, যে এসব সৈন্যকে এখানে নিয়ে আসতে চীনকে খুব বেশি কসরত করতে হয়নি।

কাছেই একটা জায়গায় সামরিক ট্রেনিং চলছিল। সেখান থেকেই সেনা সদস্যদেরকে ওখানে পাঠিয়ে দিয়েছে শি জিনপিংয়ের দেশ। আরেক সামরিক অফিসার জানিয়েছেন যে ভারত চীনের রণনীতির ওপর নজর রেখেছে ও সেনা সদস্য সংখ্যায় যাতে সামঞ্জস্য থাকে, সেটি নিশ্চিত করা হচ্ছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রাক্তন নর্থান আর্মি কম্যান্ডার অবসরপ্রাপ্ত লেফট্যানেন্ট জেনারেল ডি এস হুডা বলেছেন যে যতক্ষণ চীনের সেনাবাহিনী নিজেদের জায়গায় আছে ও ভারতে ঢোকার চেষ্টা করছে না, একটা কথা বলার পরিস্থিতি আছে।

তিনি বলেন যে এলএসিতে অত সেনা সদস্য মোতায়েন করার জায়গা নেই। তাই ওদের মূলত চীনের সীমান্তের ভেতরে থাকার জন্য রাখা হয়েছে বলে জানান প্রাক্তন সেনাকর্তা।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর আরেক প্রাক্তন নর্থান আর্মি কম্যান্ডার লেফট্যানেন্ট জেনারেল বিএস জয়সওয়াল বলেন যে ভারতকে নিজের সামরিক শক্তি দেখাতে হবে ফৌজের সংখ্যা বাড়িয়ে। তাহলেই আলোচনার টেবিলে আনা যাবে চীনকে।

শুধু প্যোঙ্গাঙ্গ লেক নয়, গাইওয়ান উপত্যকায় ১০০ টি তাঁবু খাটিয়ে অস্থায়ী ছাউনি বানিয়েছে চীন। কিছু জায়গায় সীমান্তের লাগোয়া বাঙ্কারও বানাচ্ছে চীন। গত সপ্তাহেই লাদাখে এসেছিলেন সেনাপ্রধান মুকুন্দ নারভানে। পুরো পরিস্থিতিটি খতিয়ে দেখেন তিনি।

একটি সিকিম সীমান্তে ভারত-চীন সংঘর্ষ হয়। অন্যদিকে মার্চ ৫-৬ নাগাদ প্যাঙ্গোঙ্গ লেকের ফিঙ্গার ফোরের কাছে ভারত-চীন সোনার মধ্যে হাতাহাতি হয়। এর পরেই উত্তেজনা ছড়ায় অন্যত্র।

তবে সাধারণত এরকম সমস্যা হয় মূলত স্থানীয় কম্যান্ডারদের অতি উত্সাহে। এবার বিষয়টি একটু জটিল বলেই জানা যাচ্ছে। কূটনৈতিক স্তরেই এর সমাধান খুঁজতে হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: পূবের কলম

ইসরাইল সীমান্তে হিজবুল্লাহর মোটর শোভাযাত্রা; প্রস্তুত থাকারর নির্দেশ

দক্ষিণ লেবানন মুক্ত দিবসে মোটর সাইকেল শোভাযাত্রা করেছে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর সমর্থকেরা। গতকাল (সোমবার) দখলদার ইসরাইলের সীমান্তবর্তী আদাইসে গ্রামে এ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এ সময়ে মোটর সাইকেল আরোহীদের হাতে হিজবুল্লাহর পতাকা শোভা পাচ্ছিল। এছাড়াও দক্ষিণ লেবানন মুক্ত দিবস উপলক্ষে দেশজুড়ে আরও নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। দেশটির নেতারা বক্তব্য-বিবৃতি দিয়েছেন।

হিজবুল্লাহর উপ-মহাসচিব শেইখ নায়িম কাসেম বলেছেন, দক্ষিণ লেবানন মুক্ত হওয়ার ফলে গোটা অঞ্চলে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও প্রতিরোধে ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। দক্ষিণ লেবানন মুক্ত করার মাধ্যমে প্রতিরোধ সংগ্রামীরা সবার সামনে প্রমাণ করেছে ইসরাইলের অপরাজেয় থাকার দাবির ভিত্তি নেই।

তিনি আরও বলেছেন, এখনও লেবানন ও ফিলিস্তিনসহ গোটা পশ্চিম এশিয়ার বিরুদ্ধে দখলদার ইসরাইলের হুমকি বিদ্যমান। এ অবস্থায় সবাইকে পরিপূর্ণ প্রস্তুত থাকতে হবে।

দুই হাজার সালের ২৫ মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমাদের সমর্থনপুষ্ট ইহুদিবাদী ইসরাইল লেবাননের প্রতিরোধ সংগ্রামীদের কাছে পরাজিত হয়ে দক্ষিণ লেবানন থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়। সেখান থেকে সব দখলদার সেনা পালিয়ে যায়।

এরপর থেকে প্রতি বছর দক্ষিণ লেবানন মুক্ত হওয়ার এ দিনটি প্রতিরোধ ও বিজয়ের দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। সুত্র: পার্সটুডে

ফিলিস্তিনিদের ফসলি জমিতে আগুন ও ভেড়ার পালে গাড়ি চড়িয়ে দিল অবৈধ ইসরাইলিরা

পশ্চিম তীরের দক্ষিণে ইহুদিবাদী অবৈধ রাষ্ট্রের ইসরাইলী অবৈধ বাসিন্দারা একদিকে ফিলিস্তিনি কৃষকের ভেড়াকে পিষ্ট করে মারছে অপরদিকে ফসলে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম তীরের দক্ষিণে এক উগ্র ইহুদিবাদী অবৈধ বাসিন্দারা ভেড়ার পালের দিকে তেড়ে গিয়ে পিষ্ট করে ৩টি ভেড়া মেরে ফেলার পাশাপাশি ১২টির অধিক ভেড়াকে জখমী করে ফেলেছে। অপরদিকে অন্যান্য বাসিন্দারা ফসলে আগুন লাগিয়ে দিয়ে ফসলের ক্ষতি করেছে।

পশ্চিম তীরের দক্ষিণে সীমানা প্রাচীর ও উগ্র ইহুদিবাদী শরণার্থী বিরোধী সংস্থাগুলোর একজন সদস্য ‘রাতেব যাবুর’ ডাব্লিউএএফএকে জানিয়েছেন, একজন উগ্র ইহুদিবাদী বাসিন্দা একটি চার চাকার গাড়ি চালাচ্ছিল।

যখন সে আল দিরাত গ্রামের একটি চারণভূমিতে ভাড়ার পাল দেখতে পায় তখন সে তার গাড়ির গতি বাড়িয়ে দিয়ে ভেড়াগুলোকে পিষ্ট করতে এগিয়ে যায়। এতে করে গাড়ির নিচে পিষ্ট হয়ে ৩টি ভেড়া মরে যায় এবং পালিয়ে যাওয়ার আগেই ১২টি ভেড়া জখমী হয়ে পরে।

উল্লেখ্য, পশ্চিম তীরের দক্ষিণে হাজার হাজার অসহায় ফিলিস্তিনিদের জীবিকা নির্বাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হল ভেড়া লালনপালন করা। মাসাফার ইয়াত্তার ভূমি প্রতিরক্ষা কমিটির ফুআদ আল উমূরের তথ্যানুযায়ী অন্য একটি ঘটনায়,

মাসাফার ইয়াত্তার হাওয়াত মাওন ফাঁড়ির অবৈধ ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা ৩০টিরও বেশি গম ও যব লাগানো দুনুম জমিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছ। এবং ফসলগুলোকে পুরোপুরি ভাবে নষ্ট ফেলেছে।

টিকা তৈরির আগেই করোনা ‘প্রাকৃতিকভাবে চলে যেতে পারে’!

করোনায় কাঁপছে সারা বিশ্ব। এই মারণ ভাইরাসে সারা বিশ্বের প্রায় ৪৭ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। করোনার ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের জন্য বিজ্ঞানীরা দিন-রাত কাজ করে যাচ্ছেন। অক্সফোর্ডে একটি ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে।

যদি তারা সফল হন তাহলে সেপ্টেম্বরের মধ্যে ৩০ মিলিয়ন ভ্যাকসিন তৈরি করবে অক্সফোর্ডের গবেষক দলটি। এছাড়াও চীনে আরো কয়েকটি ভ্যাকসিন তৈরির কাজ চলছে।

ভ্যাকসনি বা ওষুধ নিয়ে যখন দ্রুত কাজ চলছে তখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাক্তন এক বিশেষজ্ঞ বলেছেন, কোনো টিকা তৈরির আগেই ভাইরাসটি প্রাকৃতিকভাবে পুড়ে শেষ হয়ে যাতে পারে। মানে নিজ থেকেই এই ভাইরাস ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ক্যান্সার প্রোগ্রামের প্রাক্তন পরিচালক প্রফেসর কারল সিকোরা এই দাবি করে এক টুইট করেছেন।
প্রফেসর কারল সিকোরা লিখেছেন, করোনাভাইরাস চলে যাওয়ার সত্যিকারের সম্ভাবনা রয়েছে।

কোনো টিকা তৈরির আগে ভাইরাসটি প্রাকৃতিকভাবে পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাবে। আমরা সর্বত্র প্রায় একই ধরনের প্যাটার্নই দেখছি। আমার মনে হয়, আমাদের অনুমানের চেয়ে বেশি রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।

তিনি লিখেছেন, ভাইরাসটিকে ধীরগতিতে ছড়ানো জন্য কাজ করতে হবে আমাদের। তবে এটি নিজেই একসময় গিয়ে আর ছড়াতে পারবে না।

অনেকেই তার দাবিটি নিয়ে প্রশ্ন তুললে তিনি বলেন, আমার মতে এটি একটি সম্ভাব্য পরিস্থিতি। কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারছেন না, ‘আসলে কী হবে?’ আমি বিশ্বাস করি এমন অজানা পরিস্থিতিতে এটি একটি সম্ভাবনা।

তবে প্রফেসর সিকোরা ভাইরাসের বিস্তার কমাতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, করোনা ঠেকাতে আমাদের সামাজিক দূরত্ব অব্যাহত রাখতে হবে। আশা করি এমন পরিস্থিতির উন্নতি অব্যাহত থাকবে। সূত্র: মিরর