বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুসলিম নেতা এরদোগান!

বৈশ্বিক রাজনৈতিক নেতাদের জনপ্রিয়তা নিয়ে একটি জরিপ করেছে গ্যালাপ ইন্টারন্যাশনাল। এতে সবচেয়ে জনপ্রিয় মুসলিম নেতা হিসেবে সূচকে এগিয়ে রয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান। এছাড়াও বিশ্বের পঞ্চম জনপ্রিয় নেতা হলেন তিনি।

বিশ্বের মুসলমানদের মধ্যে এরদোগানের যেখানে ৩০ শতাংশ, সেখানে সৌদি সালমান বিন আবদুল আজিজের ২৫ শতাংশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। আর ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির জনপ্রিয়তা ২১ শতাংশ।-খবর দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনালের

জরিপে দেখা গেছে, জার্মানির চ্যান্সেলর অঞ্জেলা মেরকেলের ৪৬ শতাংশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তারপরেই রয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন। তার জনপ্রিয়তা ৪০ শতাংশ। এছাড়া রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ৩৬ শতাংশ, ট্রাম্পের ৩১ শতাংশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের পরেই ৩০ শতাংশ জনপ্রিয়তা নিয়ে পঞ্চম স্থানে তুরস্কের এরদোগান।

১৯৭৭ সালে ডা. জর্জ গ্যালাপ প্রথম জনপ্রিয়তার এই সূচক নির্ণয় শুরু করেন। এরপর প্রতিবছরই শেষের দিকে গ্যালাপ ইন্টারন্যাশনাল এন্ড অফ ইয়ার সার্ভেই প্রকাশ করা হচ্ছে। চলতি বছরে বিশ্বের ৫০টি দেশে এই জরিপ করা হয়েছে।

বিশ্বব্যাপী পঞ্চাশ হাজার ২৬১ জন জরিপে অংশ নিয়েছেন। প্রতিটি দেশ থেকে এক হাজার নারী-পুরুষ এই জরিপে প্রতিনিধিত্ব করেন। নভেম্বর ও ডিসেম্বরে মুখোমুখি, টেলিফোন ও অনলাইনে তারা ভোট দিয়েছেন।

আসুন মুসলিম বিশ্বের জন্য আমরা ইতিহাস তৈরি করে নিই: ইমরান খানকে এরদোগান

তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রজব তাইয়েব এরদোগান আজ শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তান সংসদে ভাষণ দিয়েছিলেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তুর্কি রাষ্ট্রপতির সাথেই ছিলেন। এরদোগান বলেন, আমি কখনও পাকিস্তানে অপরিচিত বা একাকীত্ব অনুভব করিনি।

তিনি বলেন, পাকিস্তানে অবস্থানকালে সবসময় মনে হয় আমি নিজের বাড়িতেই রয়েছি। এসময় তিনি পাকিস্তানি ও তুর্কিদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতার প্রশংসা করেন। জাতীয় পরিষদের স্পিকার আসাদ কায়সার তুর্কি রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়ে উল্লেখ করেন,

এরদোগান পাকিস্তানের সত্যিকারের বন্ধু এবং ইসলামী বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তুর্কি প্রেসিডেন্ট ভাষণের জন্য আসলে সংসদের সদস্যগণ ডেস্কে পাথর মেরে তাঁকে স্বাগত জানান। এরপর পার্লামেন্টে পাকিস্তান ও তুরস্কের জাতীয় সংগীত বাজানো হয়।

রাষ্ট্রপতি এরদোগান সিনেটরদের ধন্যবাদ জানিয়ে তাঁর বক্তব্য শুরু করেন। তিনি সংসদে ইমরান খানকে লক্ষ্য করে বলেন, আসুন মুসলিম বিশ্বের জন্য আমরা ইতিহাস তৈরি করে নিই।