ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে মোদি সরকারকে অভিনন্দন জানালো পাকিস্তান!

ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে মোদিকে অভিনন্দন পাকিস্তানের! ভারতের লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলে ব্যাপক ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি। এখন পর্যন্ত মোদির নেতৃত্বাধীন দল এগিয়ে রয়েছে (৩৪৪) আসনে। দুই নম্বরে থাকা কংগ্রেসের আসন ৯৩টি।

এছাড়া, ১০৫টি আসনে অন্যান্য দল এগিয়ে আছে। এদিকে নরেন্দ্র মোদির ক্ষমতায় ফেরার দিনেই ভারতে আঘাত হানতে সক্ষম এমন একটি ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে পাকিস্তান। একই সঙ্গে পারমাণবিক অস্ত্রধারী দুই প্রতিবেশীর দীর্ঘদিনের উত্তেজনার মাঝে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি শান্তি আলোচনায় বসার ইঙ্গিত দিল ইসলামাবাদ।

ভূপৃষ্ঠ থেকে ভূপৃষ্ঠে নিক্ষেপযোগ্য শাহিন-২ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছে পাকিস্তান। পারমাণবিক অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্র শাহিন-২ দেড় হাজার কিলোমিটার দূরের টার্গেটে আঘাত হানতে পারে। ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এক বিবৃতি প্রকাশ করেছে।

তাতে বলা হয়েছে, শাহিন-২ উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র। এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র এই অঞ্চলের দৃঢ় স্থিতিশীলতার রক্ষার জন্য পাকিস্তানের কৌশলগত চাহিদার সবকিছুই পূরণ করে। এদিকে বুধবার কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই কোঅপরারেশন অর্গানাইজেশনের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর বৈঠকের ফাঁকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশি।

ওই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, আমরা কখনই তিক্তভাবে কথা বলি না। আমরা ভালো প্রতিবেশির মতো বসবাস এবং আলোচনার মাধ্যমে বিবাদমান বিষয়গুলোর সমাধান করতে চাই। বিডি-প্রতিদিন

ইচ্ছেকৃত ভাবে রোজা না রাখলেই গ্রেফতার করছে মালেয়শিয়া পুলিশ!

রোজা না রাখলেই গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠাচ্ছে মালেয়শিয়া পুলিশ রোজা না রাখলেই গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠাচ্ছে মালেয়শিয়া পুলিশ রোজা না রাখলেই মুসলমানদের ধরে ধরে কারাগারে পাঠাচ্ছে মালেশিয়া পুলিশ। আর এর জন্যে তারা বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারণ করছে।

কখনো হোটেলের খাবার পরিবেশক, কখনো বা রান্নাঘরের পাচক। আজ বৃহস্পতিবার কুক ও ওয়েটারের ছদ্মবেশ ধারণ করে কয়েকটি এলাকায় অভিযান চালান তাঁরা। এ ঘটনাকে ‘অপমানজনক’ বলে অভিহিত করেছেন অধিকার রক্ষা আন্দোলনকারীরা।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায়, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে লোকাল কাউন্সিলের ৩২ জন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা অভিযান পরিচালনা করছেন। পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তাঁরা ছদ্মবেশে খাবারের দোকানগুলোতে নজরদারি চালাচ্ছেন। দ্য নিউ স্ট্রেইটস টাইমস পত্রিকা এ খবর প্রকাশ করেছে।

মালয়েশীয় মুসলমানরা ঐতিহ্যগতভাবে ইসলামের সহনশীল রূপ অনুসরণ করে আসছে। সমালোচকরা বলছেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেদেশে রক্ষণশীল মনোভাব বিস্তার লাভ করেছে।

অভিযান দলের সদস্যরা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় জোহর স্টেটের সেগামাত জেলার ১৮৫টি খাবারের দোকানে ছদ্মবেশে কাজ করবেন। ওই অঞ্চলের জনপ্রিয় খাবার আইটেম ভালো রান্না করতে পারেন এমন দুইজন কর্মকর্তা কাজ করবেন এক একটি দোকানে।

এরপর রোজা রাখেননি এমন কেউ খাবারের অর্ডার দিলেই ধরা হবে তাদের। সেগামাত পৌর কাউন্সিলের সভাপতি মোহাম্মদ মাসনি ওয়াকিমান সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা বিশেষভাবে কর্মকর্তা নির্বাচিত করেছি যাদের গায়ের রং কালো। কেননা, এখানে কালোরাই এই পেশায় বেশি নিয়োজিত।

তিনি বলেন, ‘ছদ্মবেশী কর্মকর্তারা ইন্দোনেশিয়ান ও পাকিস্তানি ভাষাও ভালো বলতে পারেন যাতে রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকানে আগতরা বিশ্বাস করে তারা সত্যিকার কুক বা ওয়েটার। মালয়েশিয়ার কোনও কোনও এলাকায় ইসলামী ও সাধারণ- দুই রকম আইন চালু রয়েছে। এসব এলাকার মধ্যে জোহর স্টেটে কোনও সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মুসলমান রোজা না রাখলে ছয় মাসের জেল ২৫০ ডলার পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

দেশটিতে সিসটারস ইন ইসলাম নামের একটি সংগঠন সেখানকার মুসলমান নারীদের অধিকার রক্ষায় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটি রোজা নিয়ে বিদ্যমান আইনকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘আমরা দৃঢ়ভাবে দাবি করছি, এই ধরনের লজ্জাজনক গুপ্তচরবৃত্তি বন্ধ করার।

এই ঘটনা অন্য ধর্মের মানুষের কাছে ইসলাম সম্পর্কে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দেবে।’ মালয়েশিয়ায় ৬০ মিলিয়নেরও বেশি অধিবাসী মালয়েশীয় মুসলমান এবং ৬০ শতাংশেরও বেশি সংখ্যক চীনা ও ভারতীয় যারা মুসলমান নয়।