২ কোটি কেন? বাংলার ২টা লোকের গায়ে হাত তুলে দেখুন কী হয়: বিজেপি সরকারকে মমতা

সিঁথির মোড় থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় প্রতিবাদী মিছিলের পর জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় শাসকদলের বিরুদ্ধে এই বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো।
এনআরসি-র বিরোধিতা করে গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মিটিং-মিছিল শুরু করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

তবে এই ইস্যুতে প্রথমবার পথে নেমে বিরোধিতা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক কারণেই এর তাৎপর্য অনেক বেশি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ। নাগরিকপঞ্জির (এনআরসি) বিরোধিতা করে একথাই স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সিঁথির মোড় থেকে শ্যামবাজার পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তায় প্রতিবাদী মিছিলের পর জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় শাসকদলের বিরুদ্ধে এই বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। এনআরসি-র বিরোধিতা করে গত ৭ সেপ্টেম্বর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মিটিং-মিছিল শুরু করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

তবে এই ইস্যুতে প্রথমবার পথে নেমে বিরোধিতা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজনৈতিক কারণেই এর তাৎপর্য অনেক বেশি বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশ।
অসমের পর বাংলায় এনআরসি চালু করা নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে গেরুয়া শিবিরে।

গত লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে এনআরসি নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন বর্তমানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দ্বিতীয়বারের জন্য মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এনআরসি চালুর দাবিতে নিত্য সরব হচ্ছেন রাজ্য বিজেপি-র ছোট-বড় নেতারা।

তবে এ রাজ্যে কোনওভাবেই এনআরসি চালু করতে দেওয়া যাবে না বলে পালটা হুঁশিয়ারি শোনা গিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর গলায়। আজ প্রতিবাদী মিছিলের পর শ্যামবাজারের জনসভা থেকেও ফের একবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তাঁর কথায়, ‘দিল্লিকে বলে দিতে চাই আরেকবার বঙ্গভঙ্গ বা ভারত ভাগ করার চেষ্টা বরদাস্ত করব না। পুলিশ দিয়ে অসমের মুখ বন্ধ করেছ। তবে বাংলার মুখ বন্ধ করতে পারবে না।’ হিন্দুত্ববাদের ধ্বজাকে সামনে রেখে যে গেরুয়া শিবিরের রাজনৈতিক উত্থান, এনআরসি তালিকা থেকে তাদের শাসনে থাকা অসমেই ১০ লাখ হিন্দুর নাম বাদ গিয়েছে।

এ নিয়ে আগেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। আজ তিনি বিজেপি-কে মনে করিয়ে দেন, ‘১৯ লাখ মানুষের নাম বাদ দিয়েছে। রয়েছে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধদের নাম। স্বাধীনতার ৭৬ বছরে এসেও নাগরিক পরিচয় দিতে হবে। কেন?’

বাংলায় বিজেপি-কে যে জায়গা ছাড়া হবে না তা বুঝিয়েই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ওরা আমাদের ধর্ম শেখাচ্ছে। যেন বাংলায় ঈদ, দুর্গাপুজো, বড়দিন, মহরম, ছট পুজো হয় না।’
তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতির স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, ‘২ কোটি কেন,

বাংলার ২টা লোকের গায়ে হাত তুলে দেখুন কী হয়! বাংলাকে যাঁরা হিংসা করেন, তাঁরা জেনে রাখুন, বাংলা কারোর কাছে মাথা নত করবে না।’ রাজ্য বিজেপি -কে কটাক্ষ করে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ‘ওরা তো টাকা আর এজেন্সি নির্ভর। বাংলার গায়ে হাত দিয়ে দেখাক।

সাধারণ মানুষ কোথায় আর এজেন্সি কোথায় দেখাব।’ মুখ্যমন্ত্রীর মিছিলকে ঘিরে আজ শক্তপোক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা করেছিল পুলিশ। মিছিল নির্বিঘ্নে রাখতে নিরাপত্তার কোনও ফাঁকফোকর ছিল না।

সুত্র: এই সময়

সৌদি আরবে কোরআন প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় বাংলাদেশের হাফেজ শিহাব উল্লাহ্!

সৌদি আরবের পবিত্র মক্কায় কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় তৃতীয় গ্রুপে (প্রথম ১৫ পারা) বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয় হয়েছেন বাংলাদেশের হাফেজ শিহাব উল্লাহ।

গতকাল বুধবার বাদ এশা মক্কার মসজিদুল হারামে শিহাবের হাতে পুরস্কার হিসেবে ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল ও সম্মাননা তুলে দেন মক্কার মেয়র খালিদ বিন ফয়সাল। শিহাব উল্লাহ ঢাকার যাত্রাবাড়ীর তাহফিজুল কোরআন আয়াস সুন্নাহ মাদ্রাসার ছাত্র।

তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। কাবা শরিফ মসজিদের নতুন ভবনে আয়োজিত ৪১তম কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সৌদি আরবের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী ড. আবদুল লতিফ বিন আল শেখ, মক্কার হারাম শরিফের জ্যেষ্ঠ ইমাম ড. শেখ আবদুর রহমান আল সুদাইসও উপস্থিত ছিলেন। ১০৩টি দেশের ১৪৬ জন হাফেজ সৌদি আরবে কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

এর মধ্যে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ ১২ জন হাফেজ পুরস্কার পেয়েছেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন বাংলাদেশের হাফেজ জাকারিয়া। তিনিও এ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন।

অনুষ্ঠানে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর উপস্থিতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন মক্কার মেয়র ও সৌদি আরবের ধর্মমন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন,

ভবিষ্যতে বাংলাদেশও এ রকম কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করবে। এ সময় তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করিয়ে দেন।