ভারতীয় সেনারা ৯৪ হাজার কাশ্মীরি মুসলিম হত্যা ও ১০ হাজার নারী ধর্ষন করে

কাশ্মীর মিডিয়া সার্ভিস দীর্ঘ গবেষণার পর ২০১৫ সালের ডিসেম্বরে বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ভারতের দখলকৃত কাশ্মীরে ওই হত্যাকাণ্ডের কারণে ২২ হাজার ৮০৬ জন নারী বিধবা এবং ১০ লাখ সাত হাজার ৫৪৫ জন শিশু এতিম হয়ে পড়ে।

ভারতের দখলকৃত জম্মু-কাশ্মীরে ১৯৮৯ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৯৪ হাজার ২৯০ জন নিরীহ মানুষকে হত্যা করেছে ভারতীয় বাহিনী। এদের মধ্যে সাত হাজার ৩৮ জন মারা গেছে ভারতীয় কারাগারে বন্দী অবস্থায়।

রিপোর্টে আরো বলা হয়, ভারতীয় বাহিনী ১০ হাজার ১৬৭ জন নারীকে ধর্ষণ করেছে এবং প্রায় ১০ লাখ বাসাবাড়ি ও ভবন ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। ২৭ বছর সময়ে প্রায় আট হাজার নিরাপরাধ মানুষ ভারতীয় কারাগারে থাকা অবস্থায় নিখোঁজ হয়ে গেছে।

সুত্র: আলজাজিরা

আরো পড়ুন: আজানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বক্তব্য থামিয়ে দিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি

আমেথিতে বক্তব্য রাখার সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে গত পাঁচ বছরে দেশে কোনো উন্নয়ন না করায় দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন।

ভারতের লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে ভাষণের সময় আজান চলা অবস্থায় ভাষণ থামিয়ে আজান শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। ঘটনাটি ঘটে দেশটির আমেথিতে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি ভাষণ দিচ্ছিলেন।

এসময় পাশের কোনো মসজিদ থেকে ভেসে আসে আজানের ধ্বনি। সেই ধ্বনি শুনে ভাষণ থামিয়ে দেন রাহুল। আজান থামলে কয়েক মিনিট পর আবারো বক্তব্য শুরু করেন তিনি।

রাহুল গান্ধি বলেন, নরেন্দ্র মোদী অনেক কথাই বলছেন, কিন্তু তিনি মানুষের কাছে যেসব প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন, সে সবের ব্যাপারে কিছু বলছেন না। তিনি কেন তার দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো গত পাঁচ বছরে পূরণ করেননি সে ব্যাপারে জনগণ জানতে চায়।

আর তিনি যদি জবাব না দেন, তাহলে গত পাঁচ বছরে এসব কিছু না করার কারণে তাকে দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

কংগ্রেস সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমেথি ও রায়ব্রেলিতে অনেকগুলো উন্নয়ন কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, চৌকিদারজি এ দুই জায়গায় অনেক কিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। মানুষ তার ওপর ভিত্তি করে স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু মোদী সেই স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছেন।
সুত্র: ইনসাফ