আজানের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বক্তব্য থামিয়ে দিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধি

আজান মেথিতে বক্তব্য রাখার সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে গত পাঁচ বছরে দেশে কোনো উন্নয়ন না করায় দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইতে বলেন।

ভারতের লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে ভাষণের সময় আজান চলা অবস্থায় ভাষণ থামিয়ে আজান শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। ঘটনাটি ঘটে দেশটির আমেথিতে। কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি ভাষণ দিচ্ছিলেন।

এসময় পাশের কোনো মসজিদ থেকে ভেসে আসে আজানের ধ্বনি। সেই ধ্বনি শুনে ভাষণ থামিয়ে দেন রাহুল। আজান থামলে কয়েক মিনিট পর আবারো বক্তব্য শুরু করেন তিনি।

রাহুল গান্ধি বলেন, নরেন্দ্র মোদী অনেক কথাই বলছেন, কিন্তু তিনি মানুষের কাছে যেসব প্রতিশ্রতি দিয়েছিলেন, সে সবের ব্যাপারে কিছু বলছেন না। তিনি কেন তার দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো গত পাঁচ বছরে পূরণ করেননি সে ব্যাপারে জনগণ জানতে চায়।

আর তিনি যদি জবাব না দেন, তাহলে গত পাঁচ বছরে এসব কিছু না করার কারণে তাকে দেশের জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

কংগ্রেস সভাপতি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমেথি ও রায়ব্রেলিতে অনেকগুলো উন্নয়ন কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, চৌকিদারজি এ দুই জায়গায় অনেক কিছু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। মানুষ তার ওপর ভিত্তি করে স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু মোদী সেই স্বপ্ন ভেঙে দিয়েছেন।
সুত্র: ইনসাফ

আরো পড়ুন: কয়েক বছরের মধ্যে বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় গোষ্ঠী হবে মুসলিমরা

দ্য ফিউচার অব ওয়ার্ল্ড রিলিজিয়াস শীর্ষক এক গবেষণা থেকে জানা যায়, বর্তমান বিশ্ব জনসংখ্যা অনুসারে ২৩.২ ভাগ মানুষ মুসলিম এবং ৩১.৪ ভাগ মানুষ খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

আর মাত্র ৫১ বছর, বর্তমানে বিশ্ব জনসংখ্যার হিসেবে মুসলিমদের থেকে খ্রিস্টান ধর্মীও গোষ্ঠী এগিয়ে থাকলেও ২০৭০ সালের মধ্যে বিশ্বে মুসলিমদের সংখ্যা খ্রিস্টানদের থেকে বেশি হবে। পিউ রিসার্চ সেন্টারের এক গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্ব জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ৩৫ শতাংশ রয়েছে এমন হিসেব করে গবেষণা পত্রটিতে দেখানো হয়েছে। সেই হিসেব অনুসারে প্রতি বছর এমনিতেই ৩৫ শতাংশ প্রতিটি ধর্মীও গোষ্ঠীর জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া উচিত।

কিন্তু ধর্ম গ্রহণের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, প্রতি বছর ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ৭৩ শতাংশের বেশি। সেখানে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ৩৫ ভাগ।

এই গবেষণায় আরো জানানো হয়েছে, যেহেতু ইসলাম ধর্ম গ্রহণকারীর সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে, সুতরাং এর একটি ইতিবাচক প্রভাব থাকবে ধর্ম গ্রহণকারীদের মধ্যে।

ফলে এই ধর্ম গ্রহণের পরিমাণ আরো অনেক গুণ বৃদ্ধি পেতে পারে। আর সেটা যদি হয় তাহলে হয়ত ২০৭০ সালের আগেই বিশ্বের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীও গোষ্ঠীর খেতাব পেয়ে যাবে মুসলিমরা।

গবেষণাকারীর এই হিসেব অনুসারে ২০৭০ সালের মধ্যে বিশ্ব জনসংখ্যার ৩২ ভাগ হবে মুসলিম এবং সমান সংখ্যক হবে খ্রিস্টানদের সংখ্যা।