বিমানবাহী ভারতীয় রণতরিতে আগুন: নিহত ১

স্থানীয় সময় সকাল ৯ থেকে সাড়ে নয়টার মধ্যে আগুন লেগেছিলো। সে সময় এটি ভারতীয় কারওয়ার বন্দরে ঢুকছিলো। আগুন নেভানোর কাজে তৎপর দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন লে. কমোডর ডিএস চৌহান।

ভারতের একমাত্র বিমানবাহী রণতরি আইএনএস বিক্রমাদিত্যতে আজ(শুক্রবার) আগুন ধরে যাওয়ায় নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে জ্ঞান হারান চৌহান। কারওয়ারে অবস্থিত ভারতীয় নৌবাহিনীর হাসপাতালে দ্রুত স্থানান্তরিত করা হলেও শেষপর্যন্ত বাঁচানো যায় নি তাকে ।

১৬০০ ব্যক্তি বহনে সক্ষম ভারতীয় বিমানবাহী রণতরিতে ২২টি ডেক রয়েছে। এটি আট হাজার টন জ্বালানি ধারণ করতে এবং একবারে ৭০০০ নটিক্যাল মাইল বা ১৩ হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে।

অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে ফরাসি নৌবাহিনীর সঙ্গে আগামী মাসের এক তারিখে মহড়ায় যোগ দেয়ার কথা ছিল ভারতীয় বিমানবাহী রণতরির। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর তা বাতিল করা হয়েছে।

সুত্র: পার্সটুডে

আরো পড়ুন: ইরানের তেল রপ্তানি চলবে, কেউ ঠেকাতে পারবে না: সর্বোচ্চ নেতা

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান তার ইচ্ছা অনুযায়ী যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু জ্বালানি তেল রপ্তানি করবে। আমেরিকা কিছুই করতে পারবে না। আজ (বুধবার) রাজধানী তেহরানে শ্রমিকদের এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেছেন।

ইরানের তেল কেনার ক্ষেত্রে আটটি দেশকে দেওয়া মার্কিন ছাড়ের মেয়াদ নবায়ন করা হবে না বলে ওয়াশিংটন ঘোষণা করার পর তিনি এ কথা বললেন।

শ্রমিক সমাবেশে সর্বোচ্চ নেতা
সর্বোচ্চ নেতা বলেন, শত্রুদের বিদ্বেষী আচরণের বিষয়ে ইরানি জাতি নীরব থাকবে না এবং শত্রুরা এর জবাব পাবে। মার্কিন সরকার চায় ইরানিরা তাদের অন্যায়ের কাছে মাথানত করুক। কিন্তু তাদের এ ইচ্ছা কখনোই পূরণ হবে না।

আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ি বলেন, অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে তারা অশুভ লক্ষ্য হাসিল করতে চায়। শত্রুরা ভাবছে তারা আমাদের পথ বন্ধ করে দিতে পেরেছে। কিন্তু আমাদের তেজস্বী ইরানি জাতি এবং বিচক্ষণ সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম।

একইসঙ্গে তিনি জ্বালানি তেল খাতের ওপর নির্ভরতা কমাতে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

মার্কিন সরকার গত বছরের নভেম্বরে ইরানের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও আটটি দেশকে ইরান থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ছয় মাসের জন্য ছাড় দেয়।

সম্প্রতি হোয়াইট হাউজ ঘোষণা করেছে, আগামী ২ মে ছয় মাসের সে মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর তা আর নবায়ন করা হবে না। অর্থাৎ আমেরিকার দৃষ্টিতে এখন থেকে বিশ্বের কোনো দেশ আর ইরানের কাছ থেকে তেল আমদানি করতে পারবে না।

সুত্র: পার্সটুডে