আমরা গোমূত্র খেয়ে ভালো থাকি, গাধারা এটা বুঝে না: বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দেন

গরুর দুধে সোনা মন্তব্য করে ট্রলের শিকার হয়েছিলেন ভারতের বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ। এবার তার চেয়ে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেলেন নিজেকে। তিনি বলেন, আমি গরুর কথা বললে অনেকের শরীর খারাপ হয়ে যায়। গাধারা গরুর কথা বুঝবে না! তিনি আরও বলেন, গোমূত্র খেয়েই আমরা সুস্থ থাকবো।

খবরে বলা হয়, প্রতিদিনই প্রাতঃভ্রমণে বের হয় বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবারও মর্নিংওয়াক সেরে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন দিলীপবাবু। সকলকে পরামর্শ দেন গোলমরিচ, তুলসীপাতা, মধু দিয়ে ভাল করে নাড়া বানানোর।

এরপরই গোমূত্র প্রসঙ্গে বলেন, “আমি গরুর কথা বললে অনেকের শরীর খারাপ হয়ে যায়। আমরা গরুর দুধ, গোমূত্র খাই তাই ভাল থাকি। আমরা গরুকে মা বলি। তার সেবা করি। গাধারা গরুর কথা বুঝবে না!”

এসময় তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা-কর্মীদের কটাক্ষ করে বিজেপি সাংসদ বলেন, “তোমরা বোতলের মদ খাও, আমরা গোমূত্র খেয়ে ভাল থাকব।”

কোনো ষড়যন্ত্রকারীই তুরস্কে দেয়া আজান বন্ধ করতে পারবে না: এরদোগান

১৫ জুলাই বুধবার গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান বলেছেন, ফেটো আর পিকেকের মতো সন্ত্রাসীগোষ্ঠী যতই অপতৎপরতা চালাক না কেন, তার দেশের পতাকা আর কেউ নামাতে পারবে না।

এছাড়া আর কোনো ষড়যন্ত্রকারী তুরস্কে আজান দেয়া বন্ধ করতে পারবে না। খবর আনাদোলুর। এরদোগান বলেন, ২০১৬ সালের ১৫ জুলাই রাতের আঁধারে ফেতুল্লা টেরটিস্ট অর্গানাইজেশন (ফেটো) সেনা অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিল।

কিন্তু দেশটির স্বাধীন-চেতা জনগণ নিজের জীবন তুচ্ছ করে সেদিন তুরস্কের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছেন। এর পর থেকে ১৫ জুলাই গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে তুরস্কে।

যুক্তরাষ্ট্রপন্থী ফেতুল্লা গুলেনকে মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে মনে করা হয়। ২০১৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানের ২৫১ বেসামরিক লোক নিহত হন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২ হাজার ২০০ জন।

কুয়েতে বাংলাদেশিদের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল

কুয়েত কারাগারে বন্দি বাংলাদেশের এমপি শহিদুল ইসলাম পাপুলের দুর্নীতি মামলার পর তার সঙ্গে যোগসাজস থাকার কারণে কুয়েতের বেশ কয়েকজন পদস্থ কর্মকর্তাকে আটক করা হয়। এরপর কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অ্যাসিসটেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি মেজর জেনারেল শেখ মাজেন আল জারা স্বাক্ষরিত বাংলাদেশিদের নিয়োগ পত্র বাতিল করা হয়েছে। গতকাল এ খবর দিয়েছে গালফ নিউজ ও আল-কাবাস।

কুয়েতে সাড়ে ৩ লাখ বাংলাদেশি কাজ করছেন। এর মধ্যে বেশ কয়েক হাজার এমপি পাপুলের কোম্পানির মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। এদের কতজনের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে সে সম্পর্কে কুয়েত সরকার এখনো সুনির্দিষ্ট করে কিছু জানায়নি। তবে বলা হয়েছে পাপুলের কোম্পানি যেসব অবৈধ নিয়োগ পত্র দিয়েছে এবং যেসব কাগজে জেনারেল শেখ মাজেন স্বাক্ষর দিয়েছেন তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত পাপুলের কোম্পানির মাধ্যমে নিয়োগকৃত বাংলাদেশিদের পাসপোর্ট, ভিসা ও নিয়োগ সংক্রান্ত সব ধরনের কাগজপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খরুপে যাচাই বাছাই করা হচ্ছে। কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব বাংলাদেশিদের অন্যান্য কাগজপত্র যাচাইয়ের নির্দেশ দিয়েছে যেগুলো পাপুলের কোম্পানির মাধ্যমে দেশটিতে নিয়োগপত্র পেয়েছে এবং জেনারেল শেখ মাজেন সম্পৃক্ত রয়েছেন।

আল-কাবাসের খবরে বলা হয়, জেনারেল শেখ মাজেন বেশ কিছু সিরিয় নাগরিককে কুয়েতের ভিসাপত্রে স্বাক্ষর করেন। যদিও সিরিয়ার নাগরিকদের আগেই কুয়েতে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। জেনারেল শেখ মাজেনের বিরুদ্ধে এমপি পাপুলের কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সঙ্গে একটি ট্রাভেল এজেন্সির এক পরিচালককে আটক করা হয়েছে।

এদিকে এমপি পাপুল দু’জন কুয়েতি সংসদ সদস্য সাদাউন হাম্মাদ ও সালা খোরশিদকে ৫ লাখ ৭০ হাজার কুয়েতি দিনার ঘুষ দেয়ার কথা স্বীকার করার পর তাদের গ্রেফতারের অনুমতি চেয়েছেন দেশটির বিচারবিভাগ। গত ১ জুলাই দু’জন কুয়েতি সরকারি কর্মকর্তাকে আটক করা হয়। এ নিয়ে এ ঘটনায় ১০ জন কুয়েতি কর্মকর্তাকে আটক করা হয়েছে।

আরও সংবাদ

কাশ্মীরে মোদি সরকারের অবৈধ তৎপরতার জবাব দিতে পাকিস্তান প্রস্তুত: আজাদ কাশ্মীর প্রেসিডেন্ট

আজাদ কাশ্মিরের প্রেসিডেন্ট সরদার মাসুদ খান বলেছেন, অধিকৃত কাশ্মীরে ফ্যাসিস্ট মোদি সরকারের অবৈধ তৎপরতা এবং মুক্ত ভূখণ্ডের বিরুদ্ধে যেকোন আগ্রাসনের উপযুক্ত জবাব দিতে পাকিস্তান পুরোপুরি প্রস্তুত।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কাশ্মীর শহীদ দিবস উপলক্ষে কাশ্মীর রাইট টু সেল্ফ ডিটারমিনেশন মুভমেন্ট ইন্টারন্যাশল (জেকেএসডিএম) আয়োজিত বিশেষ ভিডিও কনফারেন্সে পাঠানো বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

আজাদ কাশ্মিরের প্রেসিডেন্ট বলেন, প্রচলিত যুদ্ধ হলে পাকিস্তানের হাতে অপমানজনক পরাজয় বরণ করতে বাধ্য হবে ভারত।

তিনি বলেন, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিলের পর ভারত এখন অঞ্চলটির মুসলিম পরিচিত মুছে ফেলার চেষ্টা করছে। ভারত সেখানে কালো অধিবাসী আইন চাপিয়ে দিয়েছে এবং ভারতীয় নাগরিকদের এনে দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করছে, যাতে অঞ্চলটির জনমিতি বদলে যায়।

প্রেসিডেন্ট মাসুদ ভারত দখলকৃত কাশ্মীরের জনগণের বৈধ ও ন্যায্য সংগ্রামের প্রতি সমর্থন দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান। সেখানে উগ্র হিন্দুত্ববাদী বিজেপি-আরএসএস-এর কালো নকশা মিশিয়ে দিতে প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করতে বলেন।

সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর