তথ্য লুকাতে নদীতে ছুঁড়ে ফেলা হচ্ছে করোনা রোগীদের লাশ!

মৃতদের তথ্য গোপন করতে ভারতে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের লাশ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার একাধিক ছবি ভাইরাল হয়েছে বলে জানিয়েছে এই সময়।

ভারতীয় এই সংবাদমাধ্যম জানায়, আগামী ১৬ থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত বিহারে ফের পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। এরই মধ্যে রাজ্যে কোভিড রোগীদের লাশ নিয়ে চূড়ান্ত অমানবিকতার ‘অভিযোগ’ উঠেছে। করোনায় মৃতদের তথ্য গোপন করতে একাধিক দেহ গঙ্গায় ফেলে দেওয়া হচ্ছে বলে ‘অভিযোগ উঠেছে’।

অথচ সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনার একাধিক ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। সেই ছবিতে দেখা গেছে, পাটনার গঙ্গায় নৌকা করে এনে ফেলে দেওয়া হচ্ছে একাধিক লাশ।

ছবিতে দেখা গেছে, নীল প্লাস্টিকে মোড়া লাশ গঙ্গায় ছুড়ে ফেলা হচ্ছে। বিহারের রাজনৈতিক দল জানায়, ওই লাশ করোনা আক্রান্তেরই। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি গোপন করতেই এমন করা হচ্ছে।

গঙ্গায় লাশ ফেলে দেওয়ার ছবিগুলো তুলেছিলেন ‘হিন্দুস্থান টাইমস’-এর ফটোসাংবাদিক পারওয়াজ খান। তিনি জানিয়েছেন, ‘আমি ৭ জুলাই কালীঘাটে গিয়েছিলাম গঙ্গার পানিস্তরের ছবি তুলতে। দুপুর নাগাদ আমি স্পষ্টতই দেখতে পাই, তিনজন মানুষ গঙ্গায় লাশ ছুড়ে ফেলছেন। কিন্তু আমি নিশ্চিতভাবে বলতে পারব না, ওই দেহ করোনা আক্রান্তেরই।’

শুধু বিহারই নয়, কর্নাটক-অন্ধ্রপ্রদেশ-মহারাষ্ট্র-গুজরাট, এমনকি পশ্চিমবঙ্গেও লাশ নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। এবার বিহারের ক্ষেত্রেও উঠল অমানবিকভাবে মৃতদেহের ‘শেষকৃত্য’ করার অভিযোগ।

আন্তর্জাতিক সংবাদ

এবার আল আকসা ‘স্বাধীন’ করার ঘোষণা তুরস্কের

‘হায়া সোফিয়া’কে মসজিদ হিসেবে পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর এবার ইসরাইলের কাছ থেকে আল আকসা মসজিদ উদ্ধার করার ঘোষণা দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোগান। প্রাচীন চার্চ হায়া সোফিয়াকে ১৪৫৩ সালে মসজিদে রূপান্তর করা হয়েছিল। তবে ১৯৩৪ সালে একে জাদুঘরে পরিণত করে তৎকালীন তুর্কি সরকার। গত সপ্তাহে আদালতের রায়ের ভিত্তিতে একে জাদুঘর থেকে মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

এবার তুরস্কের প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে বলা হয়, হায়া সোফিয়াকে মসজিদ হিসেবে পুনঃরূপান্তরের মাধ্যমে আল আকসা মসজিদ স্বাধীন করার যাত্রা শুরু হয়েছে।

ওয়েবসাইটে বলা হয়, ‘হায়া সোফিয়া পুনরুদ্ধার মুসলমান ও সকল নির্যাতিত, নিষ্পেষিত মানুষের আশার পুনর্জাগরণের প্রথম পদক্ষেপ।’

এই তুর্কি ভাষণের আরবি অনুবাদে বলা হয়, হায়া সোফিয়াকে মসজিদে রূপান্তর হলো আল আকসায় স্বাধীনতার প্রত্যাবর্তনের অংশ। প্রসঙ্গত, জেরুজালেমের ওল্ড সিটির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে ইসরাইল, যেখানে আল আকসা অবস্থিত।

উজবেকিস্তানের বুখারা থেকে স্পেনের আনাদুলিয়া পর্যন্ত ইসলামের পুনর্জাগনের সঙ্গে এই হায়া সোফিয়ার পুনরুদ্ধারকে সংযুক্ত করা হয়েছে পুরো ভাষণে।

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট দীর্ঘদিন ধরেই ফিলিস্তিনি আন্দোলনের সমর্থক ও ইসরাইলের কড়া সমালোচক। ২০০৯ সালে তিনি দাভোসে এক আলোচনায় অংশ নিতে গিয়ে মঞ্চে তৎকালীন ইসরাইলি প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজকে দেখতে পেয়ে ওয়াকআউট করেন। এরপর ইসরাইলের গাজা অবরোধ ভাঙতে গাজায় সাহায্যসমেত একটি জাহাজ প্রেরণ করে তুরস্ক। সেখানে ইসরাইল সামরিক অভিযান চালিয়ে ১০ জন তুর্কি নাগরিককে হত্যা করে।

সূত্র: জেরুজালেম পোস্ট