পাকিস্তানের ভারী গোলাবর্ষণের জবাব দিতে গিয়ে ভারতীয় সেনা নিহত

ভারত দখলকৃত স্বাধীনতাকামী কাশ্মীর সীমান্তে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সদস্যদের ভারী গোলাবর্ষণে এক ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন। নিহত ভারতীয় সেনা সদস্যের নাম দ্বীপক কারকি।

সোমবার (২২ জুন) রাজৌরি সেক্টরের কাছে লাইন অব কন্ট্রোল ও আন্তর্জাতিক সীমান্তে (আইবি) পাক সেনাবাহিনী গুলি ছুড়লে ভারতীয় ওই সেনা সদস্য নিহত হন। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল দেবেন্দর আনন্দ বলেন, নওশেরায় পাক বাহিনীর গোলাবর্ষণের কড়া জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনারা। এতে হাবিলদার দ্বীপক কারকি গুরুতর আহত হন। পরে আহত অবস্থায় তিনি মারা যান।

ভারতের একজন প্রতিরক্ষা মুখপাত্র দাবি করেছেন, সোমবার সকালের দিকে পুঞ্চ ও রাজৌরি জেলার বেশ কয়েকটি সেক্টরে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে গোলাবর্ষণ করে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।

গত ৪ জুন রাজৌরি জেলার সুন্দরবানী সেক্টরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর গুলিতে ভারতীয় সেনাবাহিনী আরেক হাবিলদার পি মাথিয়াঝাগান, ১০ জুন তারকুন্ডি সেক্টরে পাক সেনাবাহিনীর গুলিতে নায়েক গুরচরণ সিং মারা যান। ১৪ জুন পুঞ্চ জেলায় পাকিস্তানের ভারী গোলাবর্ষণে ২৯ বছর বয়সী সিপাহী লুঙ্গামবি আবোনমি নিহত হন।

সূত্র: সাউথ এশিয়ান মনিটর

করোনার ওষুধ আবিষ্কারের দাবি করলো গরুর মূত্র খেয়ে অসুস্থ হওয়া সেই রামদেব!

করোনায় সংক্রমণে তীব্রতায় যখন কোন সুবিধা করতে পারছে না বিশ্বের বিজ্ঞানীরা, তখন সব কিছুকে গুটিয়ে দিয়ে করোনার ওষুধ আবিষ্কারের দাবি করে বসলো রামদেব। এর আগে গরুর মূত্র খেয়ে অসুস্থ হওয়া হিন্দু ধর্মাবলম্বী এই যোগগুরু করোনার কার্যকরী ওষুধ বানানোর ঘোষণা দেয়।

তার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, কেবল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো নয়, সবাইকে টেক্কা দিয়ে করোনা সংক্রমণ সারানোর ক্ষেত্রে এ ওষুধ শতভাগ কার্যকরী। এটির নাম করোনিল।

তিনি আরো দাবি করলেন, ওষুধের প্রতিক্রিয়া পরীক্ষা করে দেখতে আমরা একটি সমীক্ষা তথা ক্লিনিক্যাল কেস স্টাডি ও ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের আয়োজন করেছি।

মাত্র তিন দিনে ৬৯ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং সাত দিনে ১০০ শতাংশ করোনা রোগীই সেরে উঠেছেন। তার ওষুধ প্রয়োগের ফলে মৃত্যুর হার শূন্য এবং ১০০ শতাংশ সুস্থ হয়ে ওঠার হার দেখা গেছে বলেও তিনি দাবি করলেন।

তবে ইন্ডিয়ান মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল (আইসিএমআর) এবং আয়ুষ মন্ত্রণালয় উভয়ই এই কথিত ওষুধকে বাতিল করেছে।