ভারতকে ‘অসৎ’ আখ্যা দিয়ে ভারতীয় সব ফ্লাইট বন্ধ করে দিল আমেরিকা

আমেরিকাকে নিজেদের বন্ধু রাষ্ট্রই ভেবে আসছিল ভারত। কিন্তু আবারও ভারতীয়দের ভুল প্রমাণ করল ট্রাম্প প্রশাসন। চীনের পর ভারতেরও বিমান চলাচলের ওপরে বিধিনিষেধ আরোপ করল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, ভারত দুদেশের বিমান চলাচল সংক্রান্ত নিয়ম কানুন মানছে না। বরং অসৎ উপায় অবলম্বন করে বিমান চালাচ্ছে। প্রসঙ্গগত, করোনার কারণে বিমান চলাচল বন্ধ হওয়ার পর বিশেষ বিমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতীয়দের দেশে ফেরাচ্ছিল এয়ার ইন্ডিয়া।

মার্কিন প্রশাসন জানায়, ভারতকে মর্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বিমান চালাতে গেলে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে। এতে মার্কিন বিমান পরিবহণ মন্ত্রণালয়কে ঐসব বিমান দুদেশের চুক্তি মানছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে পারবে।

সম্প্রতি, চীনের বিশেষ বিমান ওঠানামার ওপরেও বিধিনিষেধ আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। কারণ তার আগেই চীন সরকার মার্কিন বিমান ওঠানামা বন্ধ করেছিল। গত ১৫ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, চীন সরকার যদি মার্কিন বিমান সেদেশে ওঠানামা করতে দেয় তাহলে তারাও সপ্তাহে ৪টি চীনা বিমান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে চলাচল করতে দেবে।

আরো পড়ুন-করোনা রোগীদের জন্য প্রয়োজনে নিজের বাড়ি দিয়ে দেব: মমতা

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও গুরুতর অসুস্থ নন এমন রোগীদের জন্য ‘সেফ হাউস’ চালু করছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সেখানে দিনে দু’বার চিকিৎসকরা গিয়ে রোগীদের দেখে আসবেন। শুধু যারা গুরুতর অসুস্থ তাদেরই হাসপাতালে ভর্তি করা হবে। বুধবার এ ঘোষণা দিয়েছেন রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তিনি জানান, রাজ্য জুড়ে মোট ১০৪টি সেফ হাউস চালু করা হবে। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লে প্রয়োজনে সেফ হাউস আরও বাড়ানো হবে। এ কাজে প্রয়োজনে নিজের বাড়িটিও দিয়ে দিতে পারেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

মমতা বলেন, অনেক হাসপাতালে বেড সংকটের অভিযোগ আসছে। এই বিষয় স্বচ্ছতার জন্য এখন থেকে ঘণ্টায় ঘণ্টায় সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে খালি বেডের সংখ্যা জানাতে হবে।

বেসরকারি নার্সিং হোমগুলো যেভাবে আকাশচুম্বী বিল নিচ্ছে সেই বিষয়ে বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক হবে বলেও জানান তিনি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুলিশ, ডাক্তার, মিউনিসিপ্যাল কর্মী, আশা-কর্মী যারা করোনাযুদ্ধে সম্মুখভাগে লড়ছেন তাদের অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হবে। দুর্গম এলাকায় কাজ করলে সরকারি কর্মীরা যে বোনাস পান, এখন থেকে করোনাযোদ্ধারাও সেই অর্থ পাবেন।

এছাড়া চূড়ান্ত বর্ষের মেডিকেল ও নার্সিং পড়ুয়াদেরও করোনা মোকাবিলায় কাজে লাগানো হবে বলে জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।