মিথ্যা বিবৃতি দিয়ে কখনই সত্যকে চেপে রাখা যায় না: মোদিকে মনমোহন সিং

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কংগ্রেসের সিনিয়র নেতা ড. মনমোহন সিং চীনা আগ্রাসন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে বলেছেন, মিথ্যা বিবৃতি দিয়ে কখনই সত্যকে চেপে রাখা যায় না। তিনি আজ (সোমবার) এক প্রেস বিবৃতিতে ওই মন্তব্য করেছেন।

ড. মনমোহন সিং কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা করে বলেন, ‘আমরা সরকারকে মনে করিয়ে দিতে চাই, ভুল তথ্য কখনই কূটনীতি ও নির্ণায়ক নেতৃত্বের বিকল্প হতে পারে না। মিথ্যা বিবৃতি দিয়ে কখনই সত্যকে চেপে রাখা যায় না। সবাইকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। সত্যকে চেপে রাখা সম্ভব নয়।’

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘আমরা প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, তিনি কী বলছেন, তার তাৎপর্য যেন মাথায় রাখেন। কর্নেল সন্তোষ বাবু ও আমাদের জওয়ানদের আত্মত্যাগের কথা যেন তিনি মাথায় রাখেন এবং সর্বশক্তি দিয়ে দেশের ভূখণ্ড রক্ষা করেন।

তার কম কিছু করা মানে দেশবাসীর বিশ্বাসের প্রতি ঐতিহাসিক বিশ্বাসঘাতকতা করা হবে।’ সম্প্রতি ভারত-চীন সীমান্তের লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় দু’দেশের সেনাদের মধ্যে সংঘর্ষ ইস্যুতে গত (শুক্রবার) এক সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন, ভারতের একইঞ্চি জমিও চীনের অধিকারে নেই।

কেউ ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকেনি। কোনও পোস্টও অন্যদের অধিকারে নেই। প্রধানমন্ত্রীর এধরণের মন্তব্য নিয়েই কঠোরতম ভাষায় প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং।

কংগ্রেস আগে থেকেই একনাগাড়ে কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশ্যে চীনা বাহিনীর হামলায় এক কর্মকর্তাসহ ২০ ভারতীয় সেনা সদস্য নিহত হওয়া প্রসঙ্গে নানা প্রশ্ন করে যাচ্ছে। তাদের প্রশ্ন- যদি চীন ভারতীয় ভূখণ্ডে প্রবেশ না করে তাহলে আমাদের সেনারা কীভাবে এবং কোথায় মারা গেলেন?

ড. মনমোহন সিং আজ বলেন, ‘এই মুহুর্তে, আমরা ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের সরকারের সিদ্ধান্ত ও পদক্ষেপই ঠিক করে দেবে যে, ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের সম্বন্ধে কী উপলব্ধি করবে।

যাঁরা আমাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাঁদেরই একান্তভাবে এই দায়িত্বের ভার বহন করতে হবে এবং আমাদের গণতন্ত্রে এই দায়িত্বটি থাকে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের উপরে। সেজন্য প্রধানমন্ত্রীকে অবশ্যই তিনি কী বলছেন এবং

আমাদের জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে যে ঘোষণাগুলো করছেন তার প্রভাব সম্পর্কে সবসময় সচেতন থাকতে হবে।তাঁর এমন কিছু বলা উচিত নয়, যে মন্তব্য চিন নিজেদের অবস্থানের দলিল হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।।’

মনমোহন সিং বলেন, চীন নির্লজ্জ এবং অবৈধভাবে এপ্রিল থেকে একাধিক আক্রমণ চালিয়ে গালওয়ান উপত্যকা এবং প্যাঙ্গং হ্রদের মতো ভারতীয় ভূখণ্ডের কিছু এলাকা নিজেদের দখলে নিতে চাচ্ছে।

আমরা তাদের এই হুমকি ও ভয় দেখানো থেকে বিচলিত হতে পারি না এবং আমাদের আঞ্চলিক অখণ্ডতার সঙ্গে কোনও আপোসের অনুমতি দিতে পারি না। প্রধানমন্ত্রীকে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে এবং নিশ্চিত করতে হবে যে সরকারের সমস্ত দফতর একসঙ্গে কাজ করবে। এই সঙ্কটের এখনই মোকাবিলা করুন এবং আরও যাতে বাড়তে না পারে তার জন্যে সচেষ্ট হোন।’

ড. মনমোহন সিংয়ের মন্তব্যকে সমর্থন করে কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি রাহুল গান্ধী এমপি বলেছেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। ভারতের উন্নতির জন্য, আমি আশা করি প্রধানমন্ত্রী বিনয়ের সাথে তাঁর বক্তব্য মানবেন।’

এদিকে, পাল্টা জবাবে বিজেপি’র আইটি সেলের প্রধান অমিত মালবীয়া বলেছেন, ড. মনমোহন সিং এবং রাহুল গান্ধী জানেন যে, কংগ্রেস শাসনামলেই চীন ভারতের অনেক অংশ দখল করেছিল। সুত্র: পার্সটুডে

অভিনয় করে যেটুকু ভালোবাসা পেয়েছি, অভিনয় ছেড়ে তার দ্বিগুন ভালোবাসা এবং সম্মান পাচ্ছি

আলহামদুলিল্লাহ, অভিনয় করে মানুষের যত না ভালোবাসা পেয়েছি, তার থেকে অনেক বেশি ভালোবাসা এবং সম্মান পাচ্ছি : এ্যানি খান

আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ, অভিনয় করে মানুষের যতনা ভালোবাসা পেয়েছি, তার থেকে অনেক বেশি ভালোবাসা, এবং সম্মান পাচ্ছি, যখন আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি পরিপূর্ণ ভাবে ইসলাম ধর্ম প্র্যাকটিস করবো, এর থেকে বড় পাওয়া আর কি হতে পারে।

আমি অভিনয় ছেড়েছি আমার ধর্মের প্রতি সম্মান থেকে, আমি কিন্তু একবারও বলি নাই মিডিয়া খারাপ, মিডিয়ার মানুষ খারাপ, ভালো খারাপ মিলিয়ে এই পুরা পৃথিবী।

একজন ঈমান এনে ও পূর্ণভাবে ঈমানদার হতে পারে কিনা সেটা কিন্তু নিজেও বুঝতে পারে না, সারাদিন আল্লাহর ইবাদত করে মনে করার কোনো কারণ নেই আল্লাহ সব কবুল করে নিয়েছেন, ঈমান এনে ঈমান ধরে রাখাটা সবচেয়ে বড় কঠিন পরীক্ষা।

মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এখন খালি এটাই চাইতে হবে যেন এই হেদায়াত ধরে রাখতে পারি, কথায় বা লিখায় ভুল ত্রুটি হলে মাফ করে দিবেন। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন ঈমান নিয়ে আমল নিয়ে মরতে পারি, আমার দ্বারা লোক দেখানো কোন কিছু যেন না হয়। আমিন।