কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বাংলাদেশি খতিব

কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব পদে নিযুক্ত হয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আবু তালেব। বর্তমানে তিনি কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিকহ ও উসুলে ফিকহ বিভাগে মাস্টার্সে অধ্যয়ন করছেন।

চট্টগ্রাম হাটহাজির সন্তান মোহাম্মদ আবু তালেব জামিয়া দারুল মাআরিফ আল-ইসলামিয়া চট্টগ্রামের প্রাক্তন শিক্ষার্থী। তিনি এখানে হিফজ সম্পন্ন করেন। অতঃপর কুল্লিয়া প্রথম বর্ষ (মিশকাত) পর্যন্ত অধ্যয়ন করেন।
২০১১ সালে তিনি কাতারের ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক স্তরে শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে কাতার যান। ২০১৪ সালে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি। অতঃপর কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের শরিআহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগে ভর্তি হন। ২০১৯ সালে অনার্সে প্রথম স্থান অধিকার করেন তিনি।

২০১৬ সালে কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে প্রথমবারের মতো ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগ পান। সম্প্রতি তিনি দ্বিতীয়বারের মতো এ মসজিদে ইমাম ও খতিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

আরো পড়ুন-বিশ্ববিদ্যালয়ে কোরআনের অনুবাদ পড়ানোর প্রস্তাব পাস করল পাকিস্তান

দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় পবিত্র কোরআনের অনুবাদ শিক্ষাদানের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে পাকিস্তানের জাতীয় সংসদ।

সোমবার দেশটির সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আলী মোহাম্মদ খানের উত্থাপিত প্রস্তাবট সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয় বলে জিয়ো নিউজ উর্দূর খবরে বলা হয়েছে।

স্পিকার আসাদ কায়সারের সভাপতিত্বে চলা জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে তিনি এ প্রস্তাবনা পেশ করেন।

এতে বলা হয়, কোরআনের উর্দূ অনুবাদ পাঠদানের মাধ্যমে আমাদের প্রজন্মের সামনে জ্ঞানের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এ জন্য যেসব প্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুবাদসহ কোরআন পড়ানো হয় না সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থসহ কোরআন পড়ানো উচিত।

পরে সংসদ বিষয়কমন্ত্রীর উত্থাপিত প্রস্তাবটি সংসদে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়।

সম্প্রতি পাকিস্তানের সর্বাধিক জনবহুল প্রদেশ পাঞ্জাবের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অনুবাদসহ পবিত্র কোরআন শিক্ষার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছিল।

জিয়ো নিউজ জানিয়েছে, ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডিগ্রি অর্জনের জন্য অনুবাদসহ কোরআন অধ্যায়ন একটি অপরিহার্য শর্ত।

আরো পড়ুন-এবার আল-আকসা উদ্ধারের ঘোষণা এরদোগানের

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোগান আয়া সোফিয়াকে আবারো মসজিদে পরিণত করার পর এবার ইসরাইলের কাছ থেকে “আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার” প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

গত শুক্রবার তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে দ্য জেরুসালেম পোস্ট।

গীর্জা থাকার পর আয়া সোফিয়াকে ১৪৫৩ সালে মসজিদে রুপান্তরিত করেন উসমানিয় সুলতান মেহমুদ আল ফাতিহ। পরে ১৯৩৪ সালে তা যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়েছিল। আয়া সোফিয়াকে আবারো মসজিদে রুপান্তরের ঘোষণা দেয়া হয়।

আয়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করার ঘোষণার পর আল-আকসা মসজিদকে মুক্ত করার বার্তা দেয়া হয়েছে তুর্কি প্রেসিডেন্টের ওয়েবসাইটে।

বলা হয়েছে, আয়া সোফিয়ার পুনরুত্থান হলো বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের আবারো কতৃত্বের প্রথম পদক্ষেপ…আয়া সোফিয়ার এই উত্থান নিপীড়িত, শোষিত মুসলমানদের আশার আলো।

ভাষণটির আরবি অংশে বলা হয়েছে, আয়া সোফিয়াকে মসজিদে পরিণত করা আল-আকসা মুক্তির অংশ। জেরুজালেমের পুরানো শহর যেখানে আল-আকসা মসজিদ রয়েছে তা নিয়ন্ত্রণ থেকে ইসরাইলকে বিতাড়িত করার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।

এরদোগান ইসরাইলের চরম সমালোচক হিসেবেই পরিচিত।