ধর্ষক ছেলেকে নিয়ে থানায় বাবা, দোষ স্বীকারে বাধ্যও করলেন

ছেলেকে সঙ্গে করে থানায় এসে পুলিশের কাছে অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করেছেন এক বাবা। পুলিশের কাছে ওই তরুণ এক কিশোরীকে ধর্ষণের ব্যাপারে স্বীকারোক্তি দিয়েছে।

জানা গেছে, ১৮ বছর বয়সী জ্যাক ইভান্স ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিল। কারণ, ধর্ষণ করার পরেও তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেনি ওই কিশোরী।

কিন্তু দুই মাস পার হওয়ার পর ওই তরুণ মোবাইলে বার্তা পাঠিয়ে তরুণীর কাছে ক্ষমা চায়। আর সেটি দেখে ফেলে ওই ছেলের বাবা। যুক্তরাজ্যের সাউথ ওয়ালেসে রেস্টুরেন্টে কাজ করেন ওই ছেলের বাবা। তিনি নিজের ছেলের অপকর্ম সহ্য করতে না পেরে পুলিশের কাছে যান।

ভুক্তভোগী কিশোরীকে খুঁজে বের করেছে পুলিশ। ইভান্সের বাবা ও সৎ মা চেয়েছেন, ছেলে নিজের দোষ স্বীকার করুক।

ইভানের দাবি, ওই কিশোরীর সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে শারীরিক সম্পর্কে জড়ানোর চুক্তি হয়েছিল। তবে শেষ মুহূর্তে এসে সে আপত্তি জানায়। তবে ইভান্স তখন আর কিশোরীর কথা শোনেনি।

বিচারক ট্রাসি লয়েড ক্লার্ক বলেন, ইভান্সের অপরাধ রয়েছে। তার শাস্তি হওয়া দরকার। দুই মাস পর তুমি ভুক্তভোগীর কাছে নিজের অপরাধ স্বীকার করেছ!

আর দোষ স্বীকার করানোর জন্য তোমাকে নিয়ে তোমার বাবা-মাকে এখানে হাজির হতে হয়েছে। আর তুমি দাবি করেছ, তুমি অল্প বয়সী নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেছ।

ধর্ষণের সময় ইভান্সের বয়স ছিল ১৭ বছর। তবে অভিযোগ ওঠার সময় বয়স ১৮ বছর হয়ে গেছে। নিজের অপরাধ স্বীকার করা এবং বয়স বিবেচনা করে দুই বছরের জন্য শিশু অপরাধী হিসেবে তার সাজা হয়েছে।

রায় ঘোষণার সময় ইভান্সের বাবা জনাথন ইভান্স (৪৭) এবং মা সারাহ মরিস (৪৭) আদালতের বাইরে ছিলেন।

সূত্র : মিরর