চীনের জন্য সীমান্ত খুলে দিল নেপাল, উদ্বিগ্ন ভারত

করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ৫ মাস বন্ধ থাকার পর চীনের সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য রসুয়াগাড়ি সীমান্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেপাল সরকার।

নির্মাণ কাজের কাঁচামাল, পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহের জন্য এই সীমান্ত খুলে দেওয়া হচ্ছে।

কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত ২৯ জানুয়ারি চীনের সঙ্গে নিজেদের দুটি সীমান্ত টাটোপানি ও রসুয়াগাড়ি বন্ধ করে দিয়েছিল নেপাল।

গত ৮ এপ্রিল টাটোপানি সীমান্ত খুলে দেয়া হয়। এবার রসুয়াগাড়ি সীমান্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

নেপাল-চীনের মধ্যে একটি বিশেষ চুক্তি হয়েছে। সেই চুক্তির প্রেক্ষিতেই সীমান্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তবে ঠিক কবে রসুয়াগাড়ি সীমান্ত খুলে দেওয়া হচ্ছে তা কাঠমান্ডু পোস্টের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিবেদনে রাসুয়ার প্রধান জেলা প্রশাসন কর্মকর্তা হরি প্রসাদ পন্ত জানান, দুই দেশের মধ্যে আলোচনার পরই সীমান্ত খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। গত বুধবার (২৪ জুন) গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনাটি হয়।

চুক্তি অনুযায়ী, চীনের কার্গো ট্রাক নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য নেপাল সীমান্তে নামিয়ে দেয়া হবে। চীনের কার্গো ট্রাক ফিরে গেলে সেই পণ্য ফের দেশের ভেতরে নিয়ে আসবে নেপালি চালক ও খালাসিরা।

প্রাথমিকভাবে দিনে মোট চারটি ট্রাক যাতায়াত করবে। পরে ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

ভৈরবাহা ও পোখারা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরির জন্য কাজ দ্রুত গতিতে চালাচ্ছে নেপাল। জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে এ কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও, লকডাউনের জন্য সময় বেড়ে গেছে।

এ দিকে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের সঙ্গে নতুন করে সখ্যতা হওয়ার পরে ভারতের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াচ্ছে নেপাল।

সেনাপ্রধান এমএন নারাভানে আগেই সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন, নেপালের দ্বিচারিতার পেছনে বেইজিংয়ের বড় ভূমিকা রয়েছে।