কেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান ইসলামী সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে হাটছে জানেন ??

প্রেসিডেন্ট এরদোগান কে মুসলিম বিশ্বের ২য় ও ৩য় শক্তি যথাক্রমে পাকিস্তান ও ইন্দোনেশীয় চুড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছেন একটি ইসলামী সাম্রাজ্য প্রতিষ্টার কার্যক্রম শুরু করার জন্য। আর সেই লক্ষ্যে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আয়া সুফিয়াকে মসজিদ হিসেবে উম্মোক্ত করেছেন এরদোগান।

আপনি ভাবছেন ইমরান খানের পতন হলেই বুঝি সব পরিকল্পনা ভেস্তে যাবে? এটা মোটেও সঠিক নয়, কারন এরদোগানের সাথে চুক্তি হয়েছে পাক সেনাবাহিনীর, ইমরান খানের নয়। এই জোট ভাঙ্গানোর চেষ্টা হিসেবে ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করায় এই প্রথম সৌদিকে চুরি মারতে যাচ্ছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। এতে সৌদি কতটা ভয়াবহ বিপদে পড়বে সেই কাহিনী ও লিখব ইনশাআল্লাহ।

অনুরূপ এরদোগানেরও পতন ঘটানো সম্ভব নয়।কারন আপনি ভোট বলেন গনতন্ত্র বলেন এগুলোর সাথে এখন মুসলিম বিশ্বের কোন সম্পর্ক নেই। আপনি নিজেই চিন্তা করে দেখুন আপনি কোন যুগে ভোট দিয়েছিলেন। উপরে সব হবে কিন্তু ফলাফল যেই লাও সেই কদু।

ইসলামী সাম্রাজ্য প্রতিষ্টার যুদ্ধ ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে। মুনাফিকরা এরদোগান সমর্থিতদের একের পর এক বিপদে ফেলছে। কাতারকে প্রথম অবরোধ দিল। সুদানের দীর্ঘ দিনের প্রেসিডেন্ট ওমর হাসান আল বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করল। শুধু তাই নয় সর্বশেষ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মহাথীর মোহাম্মদকেও সরিয়ে দিল। কিন্তু সৌদি জোট পাকিস্তানে হাত দেওয়ায় সৌদির হাত কেটে ফেলার জন্য তরবারী বের করেছে পাক সেনাবাহিনী।

অপরদিকে ইন্দোনেশীয়ার মুসলমানেরা বেশী কট্টর পন্থী হয়ে উঠেছে। তারা এখন ইসলাম, মুসলমান, হালাল এগুলো ছাড়া আর কিছু বুঝতে চায়না । আর তারা অনেক শক্তিশালী হিসেবে সৌদি পথ ভ্রষ্ট হওয়ায় তারা সৌদিকে এখন পাত্তা দিচ্ছেনা। যদিও মাত্র কয়েক বছর পুর্বে বাদশা সালমানের মাথায় ৭টা ছাতা ধরেছিল খাদেমুল হারামাইন হিসেবে।

আপনারা সর্বশেষ তার নমুনা দেখেছেন পাকিস্তানের মত একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র কিভাবে অপর মুসলিম রাষ্ট্র আজারবাইজানের পক্ষে প্রয়োজনে যুদ্ধ করার মত হুংকার দিয়েছে।

সুতরাং বলা যায় খেলাফত ইজ লোডিং ….!!!!