আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ মুয়াজের প্রথম তেলাওয়াতে মুগ্ধ দর্শক স্রোতারা।

দবাইতে ২৩তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতা দ্বিতীয় রমজান শুরু হয়েছে। এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন মারকাযু ফয়জিল কুরআন ঢাকার ছাত্র হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ।

এদিকে দুবাই অ্যাওয়ার্ড খ্যাত এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ গতকাল ১৫ মে বুধবার প্রতিযোগিতায় পবিত্র কুরআনুল কারিম তেলাওয়াতে অংশগ্রহণ করেন। হাফেজ মুয়াজের হৃদয় কাড়া তেলাওয়াতে মুগ্ধ দর্শক স্রোতা ও বিচারকমণ্ডলী।

জানা যায়, আগামী ১৪ রমজান প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা ও সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। এ প্রতিযোগিতায় ভালো ফলাফল লাভে তার পরিবার ও মাদরাসা কর্তৃপক্ষ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

এদিকে হাফেজ মুয়াজ মাহমুদ রাজধানী ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামীর ছাত্র। এ মাদরাসা থেকেই সে হিফজ সম্পন্ন করেছে।

তাছাড়া ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বাছাই পরীক্ষায় ৩২৭ জন প্রতিযোগির মধ্যে হাফেজ মুয়াজ প্রথম স্থান অর্জন করে এ প্রতিযোগিতার প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হন।

সৌদি ট্যাংকারে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল’

পারস্য উপকূলে সৌদি আরবের তেল ট্যাংকারে ইসরাইল হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টারি মুখপাত্র বাহরুজ নেমাতি।মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। বাহরুজ নেমাতি বলেন, আমিরাত উপকূলে সৌদি জাহাজে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার মূলে রয়েছে ইসরাইল।

সোমবার সৌদি আরব বলেছে, আরব আমিরাতের উপকূলে যে জাহাজে হামলা হয়েছে, তার মধ্যে দুটি তাদের। ইরানের সঙ্গে মার্কিন উত্তেজনার মধ্যে অপরিশোধিত তেল সরবরাহের নিরাপত্তাকে খর্ব করার চেষ্টার অংশ হিসেবেই এ হামলা চালানো হয়েছে।

এর আগে আরব আমিরাতের জলসীমার কাছে চারটি বাণিজ্যিক জাহাজ নাশকতামূলক হামলা হয়েছে। যার দুটির স্বত্বাধিকারী সৌদি আরব। আরব নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইরান থেকে একশ ১৫ কিলোমিটার দূরে ফুজাইরার কাছে এই চারটি জাহাজে নাশকতা চালানো হয়েছে।

এসব বাণিজ্যিক জাহাজে বিভিন্ন দেশের নাগরিকরা ছিলেন। আরব আমিরাত আন্তর্জাতিক ও স্থানীয়দের সঙ্গে ঘটনার তদন্ত করছে। আরব আমিরাত জানিয়েছে, বাণিজ্যিক জাহাজকে নাশকতার লক্ষ্যবস্তু বানানো এবং ক্রু সদস্যদের জীবন হুমকিতে পড়ার এই ঘটনা ভয়ঙ্কর।

এক্ষেত্রে এ ঘটনাকে সামুদ্রিক জলসীমায় নিরাপত্তা ও সুরক্ষার জন্য বড় হুমকি হিসেবে বিবেচনা করবে আরব আমিরাত। এদিকে ইরান এ হামলার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি তদন্তের দাবি করেছে।