শক্তিশালী ফনি’র প্রভাবে উত্তাল সমুদ্র; ট্রলার ডুবে ১০ জেলে নিখোঁজ

জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় ফনির সর্তক সংকেত ও নিদের্শনা উপেক্ষা করে ১০ জন জেলে নিয়ে সকালে জামাল ফিশিং নামের একটি ট্রলার গভীর সমুদ্রে যায়। দুপুরে ট্রলারটি ডুবে যাওয়ার সংবাদ আসে।

ঘূর্ণিঝড় ফনির প্রভাবে উত্তাল থাকা বঙ্গোপসাগরে একটি জেলে ট্রলার ডুবে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন গভীর দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে এ ঘটনা ঘটে।

এদিকে এ খবরে ১০ জেলেকে উদ্ধারের জন্য অভিযান চলছে। এ বিষয়ে চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ সুদেব হাওলাদার বলেন, ট্রলার ডুবির ঘটনা শুনেছি। আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

সুত্র: যুগান্তর

আরো পড়ুন: মহিমান্বিত মাস মাহে রমজানের আগমনে মক্কা-মদিনায় যত প্রস্তুতি

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববিকে তারাবির নামাজ আদায় করার উপযোগী, সুন্দর, পরিপাটি ও সুগোছালো করে সাজানোর জন্য হারামাইন শরিফাইন কমিটিকে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের সরকারী সংবাদ সংস্থা ‘এস পি এ’ জানিয়েছে, মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিতে শুধু রমজান উপলক্ষে অন্যান্য শাখা থেকে বাছাই করে আলাদাভাবে দশ হাজার পুরুষ ও মহিলা কর্মীকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

তাদেরকে প্রতিদিন মসজিদ, টয়লেট, ওজুখানা, বাইরের মাঠসহ ও মসজিদ সীমানার অন্তর্ভূক্ত জায়গাকে যত্মসহ পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ও ঝাড়ু-মোছার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

হারামাইন শরিফাইন পরিচালনা কমিটির সভাপতি শায়খ আব্দুর রহমান বিন আব্দুল আজীজ আস সুদাইস বলেন, মসজিদ পরিস্কার প্রকল্পটি বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীলদের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

প্রশাসনিক বিভাগ, সিটি কর্পোরেশন বিভাগ, শিক্ষা, কারিগরী ও সামাজিক বিভাগকে এ বিষয়গুলোতে রমজান মাসে বিশেষ মনোযোগ দিবে আমাদের সরকার।

মসজিদ পরিস্কারে অত্যাধুনিক স্পিড গাড়ী ও মানব শ্রমিক রাখা হয়েছে। তারা বিশেষ প্রক্রিয়ায় এ কাজ আঞ্জাম দিবে। মসজিদুল হারামে ২৮ টি বৈদ্যুতিক ইউনিট ২৪ ঘন্টা কাজ করবে।

একইভাবে মসজিদে নববিতেও মুসুল্লিদের সুবিধার্থে চারটি পৃথক বৈদ্যুতিক ইউনিট ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অক্ষম লোকদের মসজিদে প্রবেশের জন্য ৩৮ টি পৃথক রাস্তা ও মহিলাদের প্রবেশের জন্য সাতটি পৃথক রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এছাড়া পবিত্র রমজানে মসজিদ পরিচালনা কমিটি কর্তৃক কুরআন শরিফ, বিভিন্ন ভাষার ধর্মীয় বই ও জুমআর খুতবার অনুবাদ বিতরণ ও আল্লাহর মেহমানদেরকে নিজ নিজ ভাষায় হেদায়াতি বয়ান পেশ করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

উভয় মসজিদে নিরবাচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এস পি এ আরো জানিয়েছে, হারামাইন শরিফাইন পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে এ বছরের সিদ্ধান্তসমূহের মধ্যে রয়েছে,

হজ ও উমরা পালন করতে আসা লোকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। নির্বিঘ্ন ইবাদাত পালনের ব্যবস্থা করা হবে। অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর আল্লাহ মেহমানদের যথাযথ সুবিধা প্রদান করা হবে।