সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলায় শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা

সাংবাদিকদের ‘চোর’ বলে সম্বোধন করায় অভিনেত্রী শমী কায়সারের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানি মামলা করেছেন এক সাংবাদিক।

মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নূরের আদালতে মামলার আবেদনটি করেন স্টুডেন্টস জার্নাল বিডির সম্পাদক মিঞা মো. নুজহাতুল হাচান।

আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে আদেশ পরে দেবেন বলে জানান। মামলার আবেদনে বাদী বলেন, তিনি মামলা করতে থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ মামলা না নিয়ে তাকে বিদায় করে দিয়েছেন। এজন্য তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত ২৪ এপ্রিল জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী মিলনায়তনে ই-কমার্সভিত্তিক পর্যটন বিষয়ক সাইট ‘বিন্দু ৩৬৫’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকে শমী কায়সারের দু’টি স্মার্টফোন চুরি হয়।

ওই অনুষ্ঠানে প্রায় অর্ধশত ফটো ও ভিডিও ক্যামেরা এবং শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ছিলেন আইন-শৃঙ্গলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারাও।

এ সময় শমী কায়সার অভিযোগ করেন সাংবাদিকরা মোবাইল চুরি করেছেন এবং তার নিরাপত্তাকর্মীদের দিয়ে সংবাদকর্মীদের দেহ তল্লাশিও করান।

কেউ ঘটনাস্থল থেকে বের হতে চাইলে তাদের ‘চোর’ বলে ওঠেন শমী কায়সারের নিরাপত্তাকর্মীরা। এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন সংবাদকর্মীরা। ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনুষ্ঠানস্থলে।

পরে সাংবাদিকদের ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, অনুষ্ঠানে কেক নিয়ে আসা লাইটিংয়ের এক কর্মী স্মার্টফোন দু’টি নিয়ে গেছেন। ক্যামেরায় ধারণকৃত ভিডিও ফুটেজ দেখার পর সাংবাদিকদের কাছে ‘দুঃখ প্রকাশ’ করেন শমী কায়সার।

এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। এমন কাজের জন্য তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন শহীদ সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সারের মেয়ে শমী কায়সার।

নানা বয়স ও পেশার মানুষেরা সাংবাদিকদের প্রতি শমী কায়সারের এমন আচরণ নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে স্ট্যাটাস দেন। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বিবৃতিও দিয়েছে সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন।

সুত্র: জাগো নিউজ

আরো পড়ুন: আমাদের ক্রিকেট টিমের প্রত্যেকটা ছেলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে : মাশরাফি

স্পোর্টস ডেস্কঃ ক্রিকেট টিমের প্রত্যেকটা ছেলেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বলে জানিয়েছেন ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। ‘শুধু তাই নয় প্রায় সবাই ওমরা করে ফেলেছে’ বলেও জানান তিনি।

শনিবার বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে কোরআনিক ভয়েস প্রতিযোগিতার গ্র্যান্ড ফিনালেতে তিনি এ কথা বলেন। এ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার পেয়েছে মাশরাফি কন্যা হুমায়রা মোর্ত্তজা। তার তিলাওয়াতে মুগ্ধ হয়ে অনুষ্ঠানের সভাপতি পাঁচ হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানের শেষের দিকে মঞ্চে উঠে হাফেজদের প্রশংসা করেন মাশরাফি। তিনি বলেন, ‘আর একটা কথা না বললেই নয় যে, আগেরবারও বলেছিলাম এবারও বলছি আমাদের দেশের অনেক হাফেজ বিদেশে গিয়ে দেশের সম্মান বয়ে নিয়ে আসছে। আমাদের সবাই চেনে, টিভিতে দেখছে বা ফেসবুকিং করছে আমরা তো কোথাও চ্যাম্পিয়ন হতে পারিনি এখনও।

তারপরও আমাদের চ্যাম্পিয়ান বানানো হচ্ছে। আমরা কোথাও থেকে এখনও বড় কোনো টুর্নামেন্ট জিতে আসতে পারিনি। কিন্তু আজকে আলহামদুলিল্লাহ, এরা বিদেশে গিয়ে চ্যম্পিয়ান হয়ে আসছে, রানার্সআপ হয়ে আসছে। আমি আশা করি, ইশাআল্লাহ সবাই তাদের যথাযথ সম্মান করবে।’

‘এরা চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশেষ করে কোরান শরীফ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশের পতাকা বাইরে উড়াচ্ছে, এটা আমাদের জন্য অনেক গর্বের ব্যাপার’ বলেও মনে করেন মাশরাফি।

জাতীয় ক্রিকেট দলের মুসলমান ক্রিকেটারদের নামাজ পড়ার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন ওয়ানডে দলের এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘আরেকটা ব্যাপার আপনাদের সামনে বলতে চাই, আপনারা শুনলে হয়তোবা খুশি হবেন এই ম্যাসেজটা দিলে- আমাদের ক্রিকেট টিমের সবাই প্রত্যেকটা ছেলেই নামাজ পড়ি পাঁচ ওয়াক্ত ইনশাআল্লাহ এবং প্রায় সবাই ওমরা করে ফেলেছে।

শুধু তাই না আমরা যখন বিদেশে থাকি তখন আমাদের ইমাম সাহেব থাকেন হয় মুশফিক না হয় মাহমুদুল্লাহ। আমরা জামাত করে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি। আমাদের ক্রিকেটবোর্ড থেকে আলাদা রুম থাকে যাতে আমরা নামাজ পড়তে পারি।