বাংলাদেশিদের দেড় ঘণ্টার হামলায় ধরাশয়ী ফ্রান্সের সেই ওয়েবসাইট

মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশকারী ফ্রান্সের ম্যাগাজিন ‘শার্লি হেবদো’র ওয়েবসাইটে সাইবার হামলা চালিয়ে ডাউন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশি হ্যাকাররা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত সাড়ে নয়টার দিকে কয়েক হাজার সাইবার বিশেষজ্ঞ শার্লি হেবদোর ওয়েবসাইটে হামলা শুরু করে। এক ঘণ্টারও বেশি সময় চেষ্টায় পর রাত ১১টার দিকে তাদের ওয়েবসাইট ডাউন হয়।

এর আগে মঙ্গলবার রাতে কয়েক হাজার হ্যাকার একযোগে হামলা শুরুর বিষয় নিশ্চিত করেন হামলায় অংশ নেয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সাইবার বিশেষজ্ঞ।

উল্লেখ্য, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর ব্যঙ্গাত্বক কার্টুন প্রকাশ করে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছে ফ্রান্স। সমালোচনা ছাড়াও দেশটির পণ্য বয়কটের হিড়িক পড়েছে। একই সঙ্গে ফ্রান্সের ইন্টারনেট অঙ্গনে সাইবার হামলাও চালাচ্ছে বিভিন্ন দেশের হ্যাকাররা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) হামলার বিষয়ে সাইবার-৭১ এর পেজে এক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘রাসুল (সা.) কে উদ্দেশ্য করে ব্যঙ্গচিত্র যে প্রকাশ করেছে সেই পত্রিকাই আজকে আমাদের টার্গেট।’

হামলার নেতৃত্বে থাকা সাইবার-৭১ এর অন্যতম প্রধান ফাহিম রহমান বলেন, সকল দেশ থেকেই তাদের সাইট ডাউন দেখাচ্ছে। তবে বাংলাদেশে তারা কান্ট্রি ব্লক করেছে। মুসলিম দেশগুলো থেকে এমন অ্যাটাক হতে থাকলে ওইসব দেশেও শার্লি হেবদো বন্ধ হয়ে যেতে বাধ্য হবে।

ইসলাম অবমাননার প্রতিবাদে ফরাসি কূটনীতিককে তলব করল ইরান

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাতে তেহরানে নিযুক্ত ফরাসি চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্সকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে।

তেহরানে বর্তমানে ফরাসি রাষ্ট্রদূত উপস্থিত না থাকায় তার পরিবর্তে ফ্রান্সের চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স ফ্লোরেন ইদালুকে সোমবার এই মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয়।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ইউরোপ বিভাগের মহাপরিচালক ফরাসি কূটনীতিককে জানান, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইসলাম অবমাননার বক্তব্য দিয়ে বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটিয়েছেন। তিনি আরো বলেন, মহানবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.)-এর যেকোনো ধরনের অবমাননা, সেটা রাষ্ট্রের যত উচ্চ পদ থেকেই করা হোক না কেন তা নিন্দনীয়।

এই কূটনীতিক আরও বলেন, ফরাসি প্রেসিডেন্টের ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্যকে কোনো অবস্থায় বাক স্বাধীনতার নামে চালিয়ে দেয়া যাবে না। তিনি আরো বলেন, একজন উগ্রবাদী লোকের সহিংস আচরণের প্রতিক্রিয়ায় ফরাসি কর্মকর্তারা যে অজ্ঞতাপূর্ণ কথা বলছেন তাতে উল্টো বহু মানুষ উগ্র চিন্তাধারার দিকে ধাবিত হবে।

এ সময় তেহরানে নিযুক্ত ফরাসি চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার্স বলেন, তিনি যথাশীঘ্র সম্ভব ইরানের এ প্রতিবাদের কথা প্যারিসকে জানিয়ে দেবেন।

উল্লেখ্য সম্প্রতি ফ্রান্সে একজন স্কুল শিক্ষক ক্লাসে শিক্ষার্থীদের বাক-স্বাধীনতা বোঝানোর নামে মহানবী (সা.)’র অবমাননাকর কার্টুন দেখায়। পরে ওই শিক্ষককে আবদুল্লাখ আনজোরভ নামে এক ব্যক্তি হত্যা করে।

ওই স্কুল শিক্ষক নিহত হওয়ার পরপরই পুলিশ হত্যাকারীকে গুলি করে হত্যা করে। এরপর ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ওই কার্টুন প্রকাশকে বাকস্বাধীনতা বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের কার্টুন প্রকাশ অব্যাহত থাকবে।

কোভিড-১৯ এর ভুয়া ওষুধ বিক্রি করেই ২৫০ কোটি রুপি আয় রামদেবের

তাদের তৈরি ওষুধ করোনা ঠেকাতে ১০০% সফল বলে দাবি করেই বাজারে প্রথম করোনা কিট নিয়ে আসে রামদেবের পতঞ্জলি

ভুয়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধী ওষুধ বিক্রির অভিযোগে একাধিক মামলা হয়েছে ভারতীয় ধর্মগুরু বাবা রামদেবের প্রতিষ্ঠান পতঞ্জলির বিরুদ্ধে। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারও ভর্ৎসনা করেছে এমন কর্মকাণ্ডের।

এত কিছুর পরেও তাদের বিক্রি বন্ধ হয়নি। বরং চলমান পরিস্থিতিতে গত চারমাসে শুধুমাত্র “করোনিল কিট” বিক্রি করেই প্রায় ২৫০ কোটি ভারতীয় রুপি আয় করেছে পতঞ্জলি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৩ জুন প্রথমবারের মতো করোনিল কিট বাজারে আনে পতঞ্জলি। “করোনিল” এবং “শ্বাসারি বটি” নামের দুই ধরনের ট্যাবলেট এবং “অণু তৈল” নামের ২০ মিলিলিটারের একটি তেলের শিশি নিয়ে তৈরি ওই কিটের দাম রাখা হয় ৫৪৫ টাকা। চাইলে আলাদাভাবে ট্যাবলেট এবং তেল কেনা যাবে বলেও জানানো হয়।

১৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২৩ লাখ ৫৪ হাজার করোনিল কিট বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে পতঞ্জলি। এছাড়াও, আলাদাভাবে ওই তিনটি সামগ্রীর ৬২ লাখ ইউনিট তারা বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে পতঞ্জলি।

পতঞ্জলির ওয়েবসাইটে উল্লেখিত মূল্য তালিকা অনুযায়ী, আলাদাভাবে শ্বাসারি বটি বিক্রি করে ২৭ কোটি ৯৮ লাখ রুপি আয় করেছে তারা। অণু তৈল বিক্রি করে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৬২ লাখ রুপি। করোনিল ট্যাবলেট বিক্রি হয়েছে ৮০ কোটি ৫২ লাখ রুপির। আর তিনটি সামগ্রী মিলিয়ে তৈরি করোনিল কিট বিক্রি করে আয় হয়েছে ১২৮ কোটি ২৯ লাখ রুপির। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ২৪১ কোটি ৪১ লক্ষ রুপি আয় করেছে তারা।

উল্লেখ্য, বাজারে আসার পর থেকেই করোনিল নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক। তবুও মানুষ তাদের ওপর বিশ্বাস রেখেছেন বলে দাবি করেছেন পতঞ্জলি আয়ুর্বেদের সিইও আচার্য বালকৃষ্ণ। বর্তমানে পতঞ্জলি ৫০ হাজার থেকে ৭০ হাজার করোনিল কিট তৈরি করছে বলেও জানান তিনি।

কোভিড-১৯ প্রতিহত করতে করোনিল কতটা কার্যকরি, খুব শিগগিরই সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত নথিপত্র তারা কেন্দ্রীয় সরকারের “আয়ুষ টাস্কফোর্সের” কাছে জমা দেবেন বলেও জানান বালকৃষ্ণ।

তাদের তৈরি ওষুধ করোনা ঠেকাতে ১০০% সফল বলে দাবি করেই বাজারে প্রথম করোনা কিট নিয়ে আসে পতঞ্জলি। সেইসময় তারা জানায়, করোনিল এবং শ্বাসরি নামে দু’টি ওষুধ বাজারে ছেড়েছে তারা এবং এই ওষুধ ৭ দিনে করোনা সারাতে ১০০% সফল।

তাদের তৈরি করোনিলের প্রয়োগে কোভিড আক্রান্তরা ইতিমধ্যে সেরেও উঠছেন। পতঞ্জলির এই দাবি শোরগোল ফেলে দেয় পুরো ভারতে। যার পরিপ্রেক্ষিতে দেরি না করে ওই ওষুধ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পতঞ্জলিকে নোটিশ পাঠায় দেশটির সরকার। সেইসঙ্গে ওই ওষুধ সংক্রান্ত সব ধরনের বিজ্ঞাপন বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

পরিস্থিতি বেসামাল দেখে তখন পতঞ্জলি দাবি করে, ‘‘আমরা কখনওই বলিনি এই ওষুধটি করোনা সারাতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। বলেছিলাম, আমরা ওষুধ তৈরি করে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করেছি। তাতে করোনা রোগীরা সেরে উঠেছেন। এতে কোনো জটিলতা নেই।’’

এরপর করোনা কিটের নাম পরিবর্তন করে করোনিল কিট রাখে তারা। রামদেব নিজে সাফাই দিয়ে জানান, করোনিল এবং শ্বাসারি কোভিড নিরাময় করবে না, তবে রোগ মোকাবিলায় ব্যবহার করা যেতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিন

ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের প্রতিবাদে ফিলিস্তিনের গাজায় মানববন্ধন

মহানবী মুহাম্মাদ (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ করে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাখোঁর ইসলামের মহানবীকে অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যাকায়।

গতকাল শনিবার (২৪ অক্টোবর) ইসলাম ধর্ম ও মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করায় প্রতিবাদে গাজা উপত্যাকার রাফাহ অঞ্চলে মানববন্ধন ও মিছিল করে হামাস সমর্থকরা।

প্রতিবাদ মিছিলে হামাসের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তা জুময়াহ গুল বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম ও মহানবীকে নিয়ে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইম্যানুয়েল ম্যাখোঁর ধৃষ্টতাপূর্ণ বক্তব্য ও ফরাসি পত্রিকা চার্লি এবদোতে প্রকাশিত ব্যঙ্গচিত্রের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

তিনি আরো বলেন, ‘ইসলাম ও মুসলিমদের প্রতি যেকোনো স্পর্ধার বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনবাসী তীব্র নিন্দা জানায়। ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ প্রকাশ করা এমন বক্তব্য চরম ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়াতে সহায়তা করবে।’

তিনি বলেন, ‘ম্যাখোঁর আক্রমণাত্বক বক্তব্য মুসলিমদের অন্তরকে আঘাত করেছে। নিজ বক্তব্যের প্রত্যাহার করে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত ফরাসি প্রেসিডেন্টের।’

ম্যাক্রোরকে মুসলিম বিশ্বের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে: লিবিয়া

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)কে অবমাননা করে দেয়া ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরনের বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে লিবিয়া। দেশটির জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে অবিলম্বে ম্যাকরনকে বিশ্ব মুসলিমের কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

লিবিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মুহাম্মাদ আল-কাবলাবি সোমবার ত্রিপোলিতে বলেছেন, ম্যাকরনের ইসলামি অবমাননাকর বক্তব্যে তার প্রতি মানুষের ঘৃণা বেড়েছে। তিনি দেশে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের লক্ষ্যে এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন।

লিবিয়ার এই মুখপাত্র ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের পক্ষ থেকে ২০১৮ সালে দেয়া এক রায়ের কথা উল্লেখ করেন যেখানে বলা হয়েছে, ইসলামের নবী (সা.)-এর অবমাননা বাক স্বাধীনতার মধ্যে পড়ে না। তিনি এই উসকানিমূলক বক্তব্য প্রত্যাহার করে বিশ্ব মুসলিমের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করার জন্য ম্যাকরনের প্রতি আহ্বান জানান।

এর আগে লিবিয়ার জাতীয় ঐক্যমত্যের সরকারের সর্বোচ্চ পরিষদ ম্যাকরনের ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্যের প্রতিবাদে ফ্রান্সের টোটাল কোম্পানিকে লিবিয়া থেকে বহিস্কারের আহ্বান জানিয়েছে। একইসঙ্গে লিবিয়ায় আরো যেসব ফরাসি কোম্পানি কাজ করছে তাদের সঙ্গেও চুক্তি বাতিল করার আহ্বান জানিয়েছে এই পরিষদ।

ফরাসি পত্রিকা শারলি এবদো সম্প্রতি মানবতার মুক্তির দূত বিশ্বনবী (সা.)-এর অবমাননাকর কার্টুনগুলো পুনর্মুদ্রণ করেছে। ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাকরন সব ধরনের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও কূটনৈতিক রীতিনীতির মাথা খেয়ে ঘোষণা করেছেন, তার দেশে এ ধরনের কার্টুন প্রকাশ অব্যাহত থাকবে।

ফরাসি প্রেসিডেন্টের এই ইসলাম অবমাননাকর বক্তব্যের বিরুদ্ধে মুসলিম বিশ্ব ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। ইরানসহ বহু মুসলিম দেশে ফরাসি পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছে এবং ম্যাকরনকে তার ইসলাম-বিদ্বেষী বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পার্সটুডে

পাথর ছুড়ে ভারতীয় জেলেদের তাড়িয়ে দিল শ্রীলঙ্কার নৌ-সেনারা

পাথর ছুড়ে ভারতীয় জেলেদের নিজেদের জলসীমা থেকে তাড়িয়ে দিল শ্রীলঙ্কার নৌ-সেনারা। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশ করেছিলেন। এসময় ভারতীয় মৎস্যজীবীদের জালও ছিঁড়ে দেয়া হয়। শ্রীলঙ্কা নৌবাহিনীর এই পদক্ষেপে এক মৎস্যজীবী আহত হয়েছেন।

ভারতীয় মৎস্যজীবীদের দাবি, তাঁরা শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশ করেননি। তা সত্ত্বেও শ্রীলঙ্কার সেনা এসে তাঁদের আক্রমণ করে। এই বিরোধে আহত হয়েছেন তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমের এক মৎস্যজীবী। ডয়েচে ভেলে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এর আগেও বহুবার তামিলনাড়ু অভিযোগ করেছে, শ্রীলঙ্কা তাদের মৎস্যজীবীদের আটক করেছে, তাদের ট্রলার বাজেয়াপ্ত করে রেখেছে, তাদের অযথা হয়রানি করা হচ্ছে। সংসদ সদস্যরাও বহুবার এ প্রসঙ্গ সংসদে তুলেছেন। তাঁরা বারবার সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, মৎস্যজীবীদের হয়রানি বন্ধ করতে ব্যবস্থা নিক সরকার। তারপরও এ ধরনের ঘটনা বন্ধ হয়নি।

ভারতের সঙ্গে অধিকাংশ প্রতিবেশীর সম্পর্ক এখন তলানিতে। পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক বরাবরই খারাপ। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চীন ও নেপাল। বাংলাদেশের সঙ্গেও আগের সুসম্পর্কে কিছুটা চিড় ধরেছে বলে মনে করা হয়। ভারত অবশ্য বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় শ্রীলঙ্কা সেনার এই আচরণ সামনে এলো।

পাকিস্তানের মাদ্রাসায় কোরানের ক্লাস চলাকালীন শক্তিশালী বিস্ফোরণ, চার শিশু-সহ মৃত ৭

পাকিস্তানের একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (মাদ্রাসায়) শক্তিশালী বোমা হামলায় অন্তত ৭ জন নিহত হয়েছে। পেশোয়ারের এ হামলায় আহত হন কমপক্ষে ৭০ জনের বেশি। হতাহতের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু বলে খবর প্রকাশ করেছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্পেন জামায়াত মসজিদ, যা স্থানীয় শিশুদের জন্য একটি ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেখানে এ বিস্ফোরণ ঘটে।
পুলিশ জানায়, বিস্ফোরণে ভবনটির প্রার্থনার সামনের অংশ পুরোপুরি ধসে পড়েছে। বিভিন্ন স্থানে শুধু ধ্বংসযজ্ঞের ক্ষতচিহ্ন। কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে আশপাশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা।

এ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আত্মঘাতী হামলা হয়নি বলে স্থানীয় প্রশাসন প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। কারণ সেখানে একটি ব্যাগ ভর্তি বিস্ফোরক কেউ রেখেছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিস্তারিত আসছে…

প্রতিদিন ১২শ’ লিটার আতর দিয়ে ধোয়া হয় কাবা শরিফ

চলমান মহামারি করোনার কারণে দীর্ঘ সাড়ে ৭ মাস ওমরাহ বন্ধ থাকার পর ৪ অক্টোবর থেকে প্রথম ধাপে সীমিত পরিসরে তা আবার ওমরাহ শুরু হয়েছে।

ওমরাহ পালনকারী ও মুসল্লিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নিরাপত্তার জন্য বিশেষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন ৪ হাজার পরিচ্ছন্নতা কর্মী এ কাজে নিয়োজিত। প্রতিদিন স্প্রে করা হয় এক হাজার ২০০ লিটার আতর।

বর্তমানে পবিত্র কাবা শরিফে চলছে দ্বিতীয় ধাপে ওমরাহ পালন। এ ধাপে ওমরাহকারীদের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১ নভেম্বর থেকে তৃতীয় ধাপে বহির্বিশ্বের ওমরাহ পালনকারীদের গ্রহণে সৌদি আরব প্রস্তুত বলেও জানা গেছে।

হারামাইন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মসজিদে হারামে ওমরাহ আদায়ের লক্ষ্যে আগত মুসল্লিদের আনাগোনা বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে যে, মসজিদুল হারামের অভ্যন্তর, বহিরাংশ ও মাতআফসহ পুরো এলাকা পরিচ্ছন্নতায় এবং সুগন্ধি ছিটানোর কাজে ৪ হাজার কর্মী নিয়োজিত। বিশাল এ বহরে পুরুষের পাশাপাশি নারী পরিচ্ছন্নতাকর্মীও রয়েছেন। বিশাল কর্মী বাহিনী পরিচালনায় ১৮০ জন সুপারভাইজার নিরলস তদারকির কাজ করে যাচ্ছেন সুপারভাইজারদের দক্ষ পরিচালনায় তিন শিফটে ভাগ করে ২৪ ঘণ্টা এ সেবা অব্যাহত রাখা হয়েছে।

প্রতিদিন কাবা শরিফ তথা পুরো মসজিদে হারাম এলাকা রাতদিন মিলিয়ে ১০ বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার এ কাজে ডিজিটাল মেশিনে পরিবেশবান্ধব, স্বাস্থ্যসম্মত উন্নত প্রযুক্তির ডিটারজেন্ট এবং জীবাণুনাশকও ব্যবহার করা হয়। সুন্দর পরিবেশ বজায় রাখতে প্রতিদিন ১২ লিটার বিভিন্ন দামি ব্র্যান্ডের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি পবিত্র সুগন্ধি ছিটানো হয়।

উল্লেখ্য, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের পরিচালক জাবের ওদাআনি জানান, পুরো মসজিদে হারাম এলাকা ছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফ, মাতআফ, রোকনে ইয়ামেনি, হাজরে আসওয়াদ, মুলতাজেম, হাতিমে কাবা, মাকামে ইবরাহিম, সাফা-মারওয়া পাহাড় সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অব্যাহত রয়েছে।

দেশেও তীব্র হচ্ছে ‘বয়কট ফ্রান্স’ আন্দোলন, আজ ফরাসি দূতাবাস ঘেরাও

ফ্রান্সে সম্প্রতি ক্লাসরুমে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর কার্টুন দেখানোর সূত্রে একজন স্কুল শিক্ষকের শিরচ্ছেদের ঘটনার পর ইসলাম ধর্ম নিয়ে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোর সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যের প্রতিবাদে মধ্যপ্রাচ্যের কাতার, জর্ডান, কুয়েতসহ কয়েকটি মুসলিম দেশে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

অনেক দোকান থেকে ফরাসি পণ্য সরিয়ে ফেলা হচ্ছে।

দেশেও সেই ক্ষোভের আঁচ পড়েছে। রোববার সাধারণ ছাত্রদের ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বিক্ষোভ সমাবেশের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আজ মঙ্গলবার ঢাকায় ফরাসি দূতাবাস ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়েছে।

এই দলের আমীর সৈয়দ রেজাউল করিম বলেন, তার এসব মন্তব্যের জন্য প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোকে মুসলমানদের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে, এবং বাংলাদেশ সরকারকে সংসদে প্রস্তাব এনে ফ্রান্সের নিন্দা করতে হবে।

তিনি বলেন, “ফ্রান্সে মুসলমানদের ওপর অত্যাচার নির্যাতন চলছে, মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে। মুহাম্মদ (সা.)-কে অপমান করা হচ্ছে। আমরা চুপ করে বসে থাকতে পারি না।“

এর আগে, রোববার সাধারণ ছাত্রদের ব্যানারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ও সোশাল মিডিয়ার খবর অনুযায়ী, সেখানে নানা মত-পথের ছাত্র সংগঠনের অংশগ্রহণ ছিল। সমাবেশে ফরাসি প্রেসিডেন্টের নিন্দা করা হয়েছে যে তিনি মত প্রকাশের স্বাধীনতার নামে ইসলাম বিদ্বেষকে উস্কে দিচ্ছেন।

ফ্রান্সের ইমেজে কি আঘাত পড়বে?
এখন প্রশ্ন হচ্ছে, মুহাম্মদ (সা.)-এর কার্টুন নিয়ে নতুন এই বিতর্ক এবং ইসলাম নিয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্টের মন্তব্য-বিবৃতির প্রতিক্রিয়া কতদূর গড়াতে পারে বাংলাদেশে?

সাংস্কৃতিক ও সামাজিকভাবে উদার ও অগ্রসর দেশ হিসাবে ফ্রান্সের যে ভাবমূর্তি বাংলাদেশে রয়েছে তাতে কি বড় কোন আঘাত পড়বে?

নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের শিক্ষক ড. আব্দুর রব খান মনে করেন এই ক্ষোভ ‘সাময়িক।‘

তিনি বলেন, “ইসলাম নিয়ে বাংলাদেশে স্পর্শকাতরতা রয়েছে, ফ্রান্সে যা হচ্ছে তা নিয়ে হয়ত আগামী কিছুদিনে আরো বিচ্ছিন্নভাবে কিছু প্রতিবাদ দেখা যাবে – কিন্তু এ নিয়ে যে দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হবে বা ফ্রান্স নিয়ে বাংলাদেশের জনমনে বড় কোনো বিরূপ মনোভাব জন্ম নেবে তা বলার সময় এখনো আসেনি।“

ড. খানের কথা, মুসলিম বিশ্বের কোথাও কোথাও যে প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে তার সাথে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোকে নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের কিছু আক্রমণাত্মক কথার সম্পর্ক রয়েছে।

এরদোগান দু’দিন আগে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে ইসলাম এবং মুসলিম বিদ্বেষী বলে বর্ণনা করে মন্তব্য করেন যে “ম্যাক্রোর এখন মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন।“

ড. আব্দুর রব খানের মতে, এরদোগানের এসব বিবৃতির সাথে আন্তর্জাতিক কিছু ইস্যুতে ফ্রান্স এবং তুরস্কের ক্রমবর্ধমান রেষারেষির কিছু সম্পর্ক রয়েছে।

সাবেক পররাষ্ট্র সচিব তৌহিদ হোসেনও মনে করেন না যে মুহাম্মদ (সা.)-এর কার্টুন বিতর্ক এবং প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোর কিছু মন্তব্য নিয়ে বাংলাদেশে ফ্রান্সের ভাবমূর্তিতে বড় কোনো ধস নামবে।

তিনি এ প্রসঙ্গে ২০০৫ সালে ডেনমার্কের একটি পত্রিকায় নবীর কার্টুন ছাপার প্রসঙ্গ টানেন। তখনও বাংলাদেশে বিক্ষোভ হয়েছে, ডেনিশ পণ্য বর্জনের ডাক দেয়া হয়েছিল, সরকারের পক্ষ থেকে ডেনমার্কের সরকারে কাছে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদও জানানো হয়েছিল।

তৌহিদ হোসেন বলেন, “তখনও সেগুলো ছিল তাৎক্ষণিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। এ নিয়ে ডেনমার্কের সাথে সম্পর্ক খারাপ বা ডেনমার্কের ভাবমূর্তি যে স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে গেছে তা হয়নি।“

তৌহিদ হোসেন বলেন, ফ্রান্স নিয়ে মুসলিম বিশ্বের কোথাও কোথাও নতুন করে যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে, তার সাথে ‘সাংস্কৃতিক ভিন্নতা‘র একটি সম্পর্ক রয়েছে। “মুহাম্মদ (সা.)-এর কোনো অপমান মুসলিমদের কাছে খুবই স্পর্শকাতর বিষয়, কিন্তু ফরাসিরা মনে করে যে কোনো কিছু এবং যে কাউকে নিয়ে কথা বলার অধিকার তাদের রয়েছে।“

তবে, তৌহিদ হোসেনের মতে, মত প্রকাশের যে যুক্তি ফ্রান্স দেয় তার ভেতর অনেক স্ব-বিরোধিতা রয়েছে।

“নাৎসিদের সমর্থনে আপনি সেখানে কিছু বলতে পারবেন না, আইন করে তা নিষিদ্ধ। আর্মেনিয়ায় গণহত্যা অস্বীকার করা আইন করে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা কি তাতে থাকে?“

তুরস্ক-ফ্রান্স ‘পাওয়ার গেম‘
ফরাসি প্রেসিডেন্ট এবং তার সরকার নিয়ে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোগানের মন্তব্য নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফ্রান্স।

ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোববার বলেন, প্রেসিডেন্ট এরদোগান মুসলিম বিশ্বের ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ঘৃণা উস্কে দিচ্ছেন। ফ্রান্স তুরস্ক থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতকে ফিরিয়ে এনেছে।

ড. আব্দুর রব খান মনে করেন, এরদোগান ফ্রান্স বা ফরাসি প্রেসিডেন্টকে নিয়ে যেসব বক্তব্য বিবৃতি দিচ্ছেন, তা সাথে সাথে এই দুই দেশের মধ্যে শুরু হওয়া ‘পাওয়ার গেমের‘ (ক্ষমতার রেষারেষি) সম্পর্ক রয়েছে।

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান নিয়ে তুরস্ক ও গ্রীসের মধ্যে যে রেষারেষি চলছে সেখানে ফ্রান্স সরাসরি গ্রীসকে সমর্থন যোগাচ্ছে।

লিবিয়ায় তুরস্কের সামরিক হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতাও করেছে ফ্রান্স। আজারবাইজান-আর্মেনিয়া সংঘাতে তুরস্কের ভূমিকার সমালোচনা করছেন প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো — এগুলো এরদোগানের একবারেই পছন্দ নয়।

সেইসাথে, সৌদি আরব এবং মিসরকে হটিয়ে ইসলামী বিশ্বের নেতৃত্ব নেওয়ার একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তুরস্কের মধ্যে, এবং অনেক পর্যবেক্ষকই মনে করেন সে কারণে মুসলিমদের স্পর্শকাতরতা নিয়ে – তা ফিলিস্তিনি সঙ্কট, রোহিঙ্গা সমস্যা বা কাশ্মির সমস্যা হোক বা ফ্রান্সে মুসলিম বিদ্বেষ হোক- এরদোগান খুবই সোচ্চার।

কতদূর গড়াতে পারে?
তৌহিদ হোসেন মনে করেন, ফ্রান্স-বিরোধী মনোভাব বাংলাদেশ বা মুসলিম বিশ্বে কতটা শক্তভাবে দানা বাঁধবে বা দীর্ঘস্থায়ী হবে তা অনেকটাই নির্ভর করবে ওআইসি‘র মত মুসলিম দেশগুলোর বড় যেসব প্লাটফর্ম রয়েছে তাদের ভূমিকার ওপর।

তিনি বলেন, “তারা যদি এ বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু করে, বিবৃতি দেয়- তাহলে হয়তো মুসলিম বিশ্বে আরো বেশি ফ্রান্স বিরোধী মনোভাব বিস্তার লাভ করতে পারে।“

তবে সৌদি আরব বা মিসর এরদোগানের সুরে সুর মেলাবেন – সে সম্ভাবনা এখন খুবই কম। তাদের কাছে ফ্রান্সের চেয়ে তুরস্কের এরদোগান সরকার এখন অনেক বড় শত্রু।

একইসাথে, অনেক পর্যবেক্ষক বলছেন, মুসলিম বিশ্বে তৈরি হওয়া অসন্তোষকে কতটা গুরুত্ব প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো দেন বা ভবিষ্যতে তিনি কি বলেন বা করেন – তার ওপর ফ্রান্স নিয়ে মুসলিমদের প্রতিক্রিয়ার গতি-প্রকৃতি অনেকটাই নির্ভর করবে।

ফ্রান্সে গত পাঁচ বছরে একের পর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। দু’শরও বেশি মানুষ মারা গেছে। ফলে, কট্টর ডানপন্থী দলগুলোর কাছে থেকে চাপে পড়েছেন ম্যাক্রো।

তৌহিদ হোসেন এবং আরো অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন, ইসলাম নিয়ে বা ইসলামি কট্টরপন্থা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রো যেসব স্পর্শকাতর কথাবার্তা বলছেন তার সাথে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির সম্পর্ক রয়েছে।

সামনের বছর ফ্রান্সে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগে ম্যাক্রো দেখাতে চাইছেন তিনি কট্টর ইসলাম এবং সন্ত্রাস দমনে কঠোর হতে দ্বিধা করবেন না। নয়া দিগন্ত

সূত্র: বিবিসি