শেখ হাসিনার সঙ্গে কাশ্মীর নিয়েও কথা বলেছেন ইমরান খান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভারত শাসিত কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে টেলিফোনে কথা বলেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বুধবার সকালে শেখ হাসিনাকে ফোন করেন ইমরান খান। এ সময় তারা দুই দেশের পারস্পরিক সম্পর্ক, করোনা পরিস্থিতিসহ কুশলাদি বিনিময় করেন।

এদিন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের টেলিফোন আলাপ নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে একটি টুইট বার্ত দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, কোভিড প্যানডেমিক পরিস্থিতি, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ছাড়াও ভারত শাসিত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার মধ্যে কথা হয়েছে। যুগান্তর

যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী কোনো পদক্ষেপ না মানার হুঁশিয়ারি ইরাকের

মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম অধ্যুষিত রাষ্ট্র ইরাকের মাটিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইরানবিরোধী কোনো তৎপরতাকে আর সহ্য করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-কাজিমি।

হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেছেন, ইরাকের মাটিতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের মার্কিন তৎপরতাকে মেনে নেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) তেহরানে ইরানি প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন।

প্রধানমন্ত্রী কাজিমি বলেন, আমাদের সার্বভৌমত্ব এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরস্পরের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে।

সাক্ষাৎকালে প্রেসিডেন্ট রুহানি বলেন, ইরান এবং ইরাক ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিকভাবে একে অপরের সঙ্গে গভীর বন্ধনে আবদ্ধ। দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার মাধ্যমে সম্পর্কটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে।

বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল পরিস্থিতি দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাটিয়ে উঠতে পারবে বলে ইরানি প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎ পরবর্তী এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট রুহানি দাবি করেন, বাগদাদ এবং তেহরান দ্বিপক্ষীয় বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ দুই হাজার কোটি ডলারে উন্নীত করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কাজিমির চলমান তেহরান সফর আমাদের সম্পর্ক উন্নতির ক্ষেত্রে মাইলফলক হয়ে থাকবে।

সাক্ষাতে ইরাকি প্রধানমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে তার দেশের সম্পর্ককে স্বাভাবিক সম্পর্কের চেয়ে অনেক ভালো বলে মন্তব্য করেছেন।

তিনি বলেছিলেন, ইরাক এবং ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের পেছনে আমাদের জনগণের প্রবল সমর্থন রয়েছে। এটি এ সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বড় ধরনের পৃষ্ঠপোষকতা হিসেবে কাজ করবে।

সূত্র : আল-জাজিরা