ভারতকে বাংলাদেশের বার্তা; বিএসএফকে অবশ্যই সীমান্ত হত্যা বন্ধ করতে হবে

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) অবশ্যই সতর্ক হতে হবে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশ সীমান্তে তাদের নন-লেথাল (প্রাণঘাতী নয় এমন) অস্ত্র ব্যবহার করতে হবে।

মঙ্গলবার দেশটির গণমাধ্যম দ্য হিন্দু পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বরাত দিয়ে এই সংবাদ প্রকাশ করেছে। পত্রিকাটি ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছে বলে জানানো হয়েছে।

একে আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তের যে জায়গাগুলোতে প্রাণহানী হয় এবং বাংলাদেশি নাগরিক গুলিবিদ্ধ হয়— সেগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। হতাহতের ঘটনা কমিয়ে আনতে চিহ্নিত জায়গাগুলোতে বিজিবির অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার প্রসঙ্গ এনে তিনি বলেন, বিএসএফ সদস্যদের আরও সতর্ক হয়ে সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করা উচিত। আমাদের দেশের নাগরিক আইন লঙ্ঘন করলে তাদের গ্রেপ্তার করতে পারে। কিন্তু হত্যা কখনোই সমর্থনযোগ্য না।

গত রবিবার আসামের করিমগঞ্জ রাজ্যে তিন বাংলাদেশি নাগরিককে হত্যার পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

করিমগঞ্জ থানা পুলিশের দাবি করেছে, বাংলাদেশি তিন নাগরিক গরু চুরি করতে ভারতে গিয়েছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বিষয়ে বলেন, আমাদের দেশের চাহিদা ‍অনুযায়ী পর্যাপ্ত গরু আছে। অন্য কোথাও থেকে গরু আমদানি করার প্রয়োজন নেই। যদিও করিমগঞ্জের ঘটনাটির তদন্ত শেষ হয়নি, সীমান্তরক্ষী ও ভারতীয় নাগরিকদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা থাকবে তারা দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার বিষয়গুলো ভঙ্গ করবে না। ইনসাফ

আবারও ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র আগ্রাসন প্রতিরোধ করল সিরিয়া

সিরিয়া বলেছে, দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী সফলতার সাথে ইহুদিবাদী ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র আগ্রাসন মোকাবেলা করেছে।

সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন গতকাল জানিয়েছে, গোলান উপত্যকার ওপর দিয়ে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো রাজধানী দামেস্কের দিকে উড়ে যায়।

তবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র দামেস্কের আকাশে ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে সিরিয়ার প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং সে ফুটেজ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

সিরিয়ার সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী ইসরাইলের বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে এবং এই হামলায় সামান্য কিছু সরঞ্জামাদির ক্ষতি হয়েছে।

সিরিয়ার একটি সূত্র জানিয়েছে, ইহুদিবাদী ইসরাইল দামেস্কের কাছাকাছি কিসওয়া শহরে একটি গোলা-বারুদের গুদাম লক্ষ্য করে এই ক্ষেপণাস্ত্র আগ্রাসন চালায়।

ইসরাইলের ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্য করে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়লে প্রচণ্ড বিস্ফোরণের মাধ্যমে তা ধ্বংস হয়ে যায়। এ সময় শহরের অনেক ঘর-বাড়ির দরজা-জানালা কেঁপে ওঠে।

২০১১ সাল থেকে সিরিয়ার বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীদের সহিংসতা শুরু হয় এবং তখন থেকে দেশটি যুদ্ধের কবলে পড়ে রয়েছে। উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এখন মারাত্মকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়ায় পুরো সিরিয়া প্রায় মুক্ত হতে চলেছে।

এই অবস্থায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে মানসিকভাবে চাঙ্গা রাখার জন্য মাঝেমধ্যেই সিরিয়ার ওপর হামলা চালাচ্ছে ইসরাইল।

সূত্র: পার্সটুডে