‘ইসলামে শান্তি, তাই হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেছি’

পাবলিকে এফিডেভিট করে হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নিজের নাম পরিবর্তন করে নতুন নাম রেখেছেন মোঃ আবদুল্লাহ। সে চিত্রা গ্রামের চন্দ্র মনী হাওলাদারের ছেলে। সে পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক।

ইসলাম ধর্মের বই পুস্তক পড়ে ও বিভিন্ন সময় ওয়াজ মাহফিলে আল্লাহ ও তার রাসুলের কথা শুনে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অসীম চন্দ্র হালদার (৩৭) নামে এক হিন্দু যুবক।

পরে বৃহষ্পতিবার নোটারি পাবলিকে এফিডেভিট করেন। তার স্ত্রী এবং ৩ সন্তান রয়েছে। এখন থেকে সে স্ত্রী সন্তানদের থেকে আলাদা জীবন যাপন করবেন বলে জানান। আবদুল্লাহ সবার কাছে দোয়া প্রার্থণা করেছেন।

আবদুল্লাহ জানান, কুরআন, হাদিস ও ইসলাম ধর্মের বই পুস্তক পড়ে এবং ওয়াজ মাহফিল শুনে ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হই। বুঝতে পেরেছি ইসলাম আসলেই শান্তির ধর্ম। তাই ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে মুসলমান হয়ে দুনিয়া ও আখেরাতে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চাই।

জানা যায়, বুধবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে মঠবাড়িয়া দক্ষিণ বন্দর জামে মসজিদের খতিব ও বেতমোর আশ্রাফুল উলুম ফাজিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আলহাজ্ব হযরত মাওঃ মোঃ শাহ জালাল এর কাছে কালিম পড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।

ইরানের হামলায় ধ্বংস হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ৬ হেলিকপ্টার!

কাসেম সোলাইমানি হত্যার প্রতিশোধ হিসেবে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ৬টি হেলিকপ্টার ধ্বংস হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে কাজ করে যাওয়া ইউরোপের বিখ্যাত সাংবাদিক রবার্ট ইনলাকেশ এই তথ্য দিয়েছেন।

রবার্ট ইনলাকেশ দাবি করেন, ইরাকে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটি আইন আল আসাদে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা গোপন করেছে মার্কিন প্রশাসন। ধীরে ধীরে কিছু সত্য বেরিয়ে এলেও ক্ষয়ক্ষতির পুরো চিত্র প্রকাশ করেনি তারা।

ইনলাকেশ তার এক নিবন্ধে বলেছেন, আমাদের কাছে এ পর্যন্ত যে তথ্য এসেছে তাতে অবশ্যই আমেরিকা তার নিজের ক্ষয়ক্ষতির ব্যাপারে মিথ্যা বলছে। ইরানের বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র আইন-আল আসাদ ঘাঁটির যে অংশে আঘাত হেনেছে সেখানে আমেরিকার অ্যাপাচি অ্যাটাক হেলিকপ্টার ছিল। হেলিকপ্টার রাখার ছয়টি হ্যাঙ্গার ধ্বংস হয়েছে, তাতে ধারণা করা হচ্ছে অন্তত ছয়টি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার-গানশিপ ধ্বংস হয়েছে।

সাংবাদিক ইনলাকেশ ডেনমার্কের একজন সেনার বরাত দিয়ে আরও বলেছেন, অনেক হেলিকপ্টার দ্বিখণ্ডিত হয়ে গেছে। শুধু তাই নয়, আইন আল-আসাদ ঘাঁটির ড্রোন অপারেটর ব্যারাক ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রে ধ্বংস হয়েছে।

কিন্তু হামলার পরপরই আমেরিকার পক্ষ থেকে কয়েকটি গাড়ি পার্কিংয়ের স্থান ও তাঁবু ধ্বংস হওয়ার কথা দাবি করা হয়। এ দিকে বার্তা সংস্থা এক বিশেষ প্রতিবেদনে মার্কিন ফার্স্ট সার্জেন্ট ওয়েসলি কিলপ্যাট্রিকের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানি হামলায় ওই রাতে ড্রোন পরিচালনা ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, গত ৩ জানুয়ারি এক অভিযানের মাধ্যমে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা কাসেম সোলাইমানিকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রতিশোধ হিসেবে ৮ জানুয়ারি ইরাকে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের আইন আল আসাদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান। এতে ওই ঘাঁটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।