আফগানিস্তান থেকে দ্রুত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র!

আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০০১ সালে মার্কিন বাহিনী আফগানিস্তানে অভিযান শুরু করলে তালেবানের পতন ঘটে। গত ফেব্রুয়ারিতে তালেবানের সাথে এক চুক্তি স্বাক্ষরের পর যুক্তরাষ্ট্র আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে সম্মতি জানায়।

গত চার মাসে দেশটি থেকে বিপুল সেনা সরিয়ে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় এক তৃতীয়াংশ সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১৩ হাজার সেনা থেকে কমে এখন আফগানিস্তানে ৮ হাজার ৬০০ সেনা রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান জেনারেল কেনেথ ম্যাকেনজি জানিয়েছিলেন, চুক্তি অনুযায়ী সেনা সরিয়ে নেয়ার কথা। আমরা আফগানিস্তান থেকে সেনা সরিয়ে নিচ্ছি।

তালেবানের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, ২০২১ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্য সব বিদেশী সেনা সরিয়ে নেয়া হবে।

ইরানের উপকূলজুড়ে রয়েছে বহু ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর: রিয়ার অ্যাডমিরাল তাংসিরি

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র নৌ ইউনিটের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল আলী রেজা তাংসিরি বলেছেন, আমরা সাগর উপকূলে ভূগর্ভে বহু ক্ষেপণাস্ত্র শহর নির্মাণ করেছি। এসব ভূগর্ভস্থ শহরে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সব ধরণের ব্যবস্থা রয়েছে।

ইরানের ‘সুবহে সাদেক’ সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেছেন। তাংসিরি আরও বলেন, আমাদের শত্রুরাও এটা ভালো করেই জানে পারস্য উপসাগর ও মোকরান উপকূল জুড়েই রয়েছে আইআরজিসি ও সেনাবাহিনীর ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর।

এছাড়া পারস্য উপসাগর এবং ওমান সাগরের সর্বত্রই আমাদের উপস্থিতি রয়েছে। এমন স্থানেও আমাদের উপস্থিতি যেসব জায়গার কথা শত্রুরা কল্পনাও করতে পারে না। তাদের জন্য অকল্পনীয় স্থানেও আমরা শত্রুদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে দেখা দিতে পারি।

তাংসিরি আরও বলেছেন, সাগর রক্ষার জন্যও স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী বা বাসিজের ইউনিট গঠন করা হয়েছে। এই স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর নৌ ইউনিটের অধীনে রয়েছে ২৩ হাজার সদস্য।

আইআরজিসি’র এই কমান্ডার বলেন, আমাদের পুরো উপকূলকেই ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত করা হয়েছে। ভূগর্ভস্থ শহরগুলো বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। এগুলো কোনো স্লোগান নয়, এটা বাস্তবতা।

পারস্য উপসাগরের ওপর নিজেদের সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে রিয়ার অ্যাডমিরাল তাংসিরি বলেন, হরমুজ প্রণালীতে যখনি কোনো নৌযান প্রবেশ করে তখন থেকে সেটা আমাদের পর্যবেক্ষণে চলে আসে।

সেখান থেকে বের হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই নৌযানের সব ধরণের তৎপরতা আমরা নজরদারি করি। আমরা জানি ওই যানটি ঠিক কোথায় অবস্থান করছে এবং কী করছে। এসব নৌযান ক্ষেপণাস্ত্রের আওতায় রয়েছে এবং ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা অনেক।

তিনি বলেন, অদূর ভবিষ্যতে আরও বেশি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র এবং নৌযানের খবর আসছে। এমন সব নৌযান আসছে যা শত্রুদেরকে বিস্মিত করবে। সুত্র: পার্সটুডে

নকল রুমে সেনারা পোজ দিয়ে ছবি তোলেন, মোদির সফর সাজানো ছিল!

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লাদাখ সফর নিয়ে এবার রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। প্রধানমন্ত্রী যেখানে আহত সেনাদের সঙ্গে দেখা করেন তা নাকি হাসপাতাল ওয়ার্ডই নয়। এমনই দাবি করছেন বিরোধীরা।

মোদির জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সেনাদের অন্য ঘরে নিয়ে গিয়ে তাদের বসিয়ে রেখে ছবি তোলার জন্য একপ্রকার ‘পোজ’ দিতে বলা হয়েছিল বলেও দাবি করছেন বিরোধীরা। এমন নানা কটুক্তি ও অভিযোগকে এদিন ‘দুর্ভাগ্যপূর্ণ’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে ভারতীয় সেনাদের তরফ থেকে।

একই সঙ্গে জানানো হয়েছে, যে ঘরে জওয়ানরা ছিলেন সেটাকে বহু আগেই কভিড প্রোটোকল অনুযায়ী ওয়ার্ডে পরিণত করা হয়েছে। যা আসলে একটি অডিও-ভিডিও ট্রেনিং রুম।

ওইদিন সেনাবাহিনী বিবৃতি দিয়ে জানায়, এটা দুর্ভাগ্যজনক যে, আমাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয় তা নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে। সশস্ত্র বাহিনী তাদের কর্মীদের সর্বোত্তম সম্ভাব্য চিকিৎসা দেয়।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার গালোয়ানের সংঘর্ষে আহত সেনাসদস্যদের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। লেহর সেনা হাসপাতালে গিয়ে জওয়ানদের মনোবল বাড়ানোর কাজ করেন তিনি। কিন্তু বিরোধী শিবির ও সমালোচকদের চোখে বেশ কিছু খটকা লাগে সেনাদের দেখে।

প্রথমত দেখা যায়, মোদি যে হলরুমে গিয়ে সেনাদের সঙ্গে কথা বলছেন সেটার সিলিংয়ে প্রজেক্টর লাগানো। যা থেকে স্পষ্ট হয়ে যায় সেটা হাসপাতালের ওয়ার্ড নয়। দ্বিতীয় কোনো আহত সেনাকে শুয়ে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়নি, প্রত্যেকে বসে ছিলেন।

তৃতীয়ত, কোনো জওয়ানের পাশে ন্যূনতম জলের বোতল বা ফল কিছুই ছিল না। চিকিৎসার কোনো সামগ্রীই দেখা যায়নি। ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, মোদি নিজের প্রচারের জন্য সীমান্তে আঘাত পাওয়া জওয়ানদের সঙ্গে কেন এমন আচরণ করছেন, কেনইবা তাদের কষ্ট দিচ্ছেন? এমন একাধিক প্রশ্নের মুখে অবশেষে সাফাই দিলো সেনা। তবে বহু প্রশ্নের উত্তর অধরাই রয়ে গেল।

সূত্র: মহানগর২৪

আমরা তুরস্ককে তিনটি মহাদেশের চিকিৎসাকেন্দ্র বানাতে বদ্ধপরিকর: এরদোগান

তুরস্ককে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের চিকিৎসাকেন্দ্র বানানো হবে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রজব তৈয়‍্যব এরদোগান। এসংবাদ জানিয়েছে আনাদোলু এজেন্সি ও ডেইলি সাবাহ।

তুরস্ককে তিনটি মহাদেশ যথা এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের চিকিৎসাকেন্দ্র বানানোর কথা ঘোষণা করেছেন তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রজব তৈয়‍্যব এরদোগান। গতকাল অর্থাৎ শনিবার ইস্তাম্বুলের কারতালে একটি নতুন মেডিকেল টাউন উদ্বোধনের সময় তিনি একথা জানিয়েছেন।

নতুন মেডিকেল শহর উদ্বোধন লগ্নে একটি বক্তব্যে তুরস্কের রাষ্ট্রপতি রজব তৈয়‍্যব এরদোগান বলেন, “করোনা ভাইরাস এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য ও পরিকাঠামোর গুরুত্ব প্রকাশ করেছে।”

তিনি এদিন করোনা ভাইরাস মহামারী সংকট থেকে বেরিয়ে আসতে তুরস্কের সফলতার কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন যে, তুরস্ক ঐসমস্ত সফল দেশের মধ‍্যে একটা যাদের করোনা মহামারীতে নগন‍্য সংখ্যার প্রাণহানি ঘটেছে।

করোনা মহামারী সংকটকালীন তুরস্ক মানবতার দৃষ্টান্ত রেখে বিভিন্ন দেশে করোনা সহায়তা পাঠিয়েছে। এদিন ১৩৮টি দেশে তুরস্কের করোনা সহায়তা প্রেরণের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান তুরস্কের তৈরি রেসপিরেটর ‘ব্রাজিল থেকে সোমালিয়া’ সহ বহু দেশে ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি এদিন তুরস্ককে তিনটি মহাদেশ যথা এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের চিকিৎসাকেন্দ্র বানানোর কথা ঘোষণা দিয়ে বলেন, ” আমারা তুরস্ককে তিনটি মহাদেশের চিকিৎসাকেন্দ্র বানানোর জন্য বদ্ধপরিকর।”

তিনি এদিন আরো জানিয়েছেন, তুরস্কের মেডিকেল শহরগুলো ইউরোপের উত্তম চিকিৎসা শহর ও বিশ্বের প্রথম সারির মেডিকেল শহর হিসেবে গণ্য হয়ে থাকে।

লাদাখের পর এবার আন্দামানের নিরাপত্তা নিয়েও চিন্তিত ভারত

লাদাখের গলওয়ান উপত্যকায় চীনা বাহিনীর সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এবার আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের নিরাপত্তা নিয়েও নড়েচড়ে বসেছে ভারত।

ভারত মহাসাগরের ওপর দিয়ে আন্দামান-নিকোবরের কাছ দিয়ে জ্বালানি তেল আমদানি করে চীন। সেই বিষয়টি মাথা রেখেই এখন আন্দামান-নিকোবর কমান্ডের গুরুত্ব বাড়ানো হচ্ছে।

ইতিমধ্যে ওই দ্বীপপুঞ্জে ভারত অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছে এই সময়। ভারতীয় এ সংবাদমাধ্যম জানায়, চীনের ‘সম্প্রসারণবাদ কৌশল’ মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরের ওপর আন্দামান-নিকোবরের অবস্থান দিল্লির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তাই আগামী কয়েক বছরের মধ্যে আন্দামান-নিকোবরের প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো ঢেলে সাজানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। খবর সাউথ এশিয়ান মনিটরের।

সেনা সূত্রের বরাতে খবরে বলা হয়, আন্দামান-নিকোবরে সেনার পরিকাঠামো ও সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়টি বহুদিন ধরেই আটকে ছিল। কিন্তু লাদাখে চীনের আক্রমণাত্মক ও বিস্তারবাদ মনোবৃত্তির জন্য এবার ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা নিয়েও সতর্ক ভারত।

জানা গেছে, ২০০১ সালে প্রথম আন্দামান-নিকোবর কমান্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশটির প্রথম ও একমাত্র থিয়েটার কমান্ড, যেখানে সেনা, বিমান এবং নৌসেনা একটিই অপারেশনাল কমান্ডারের অধীনে রয়েছে।

ভারত মহাসাগরের ওপর অবস্থানগত বিচারে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এখানকার কমান্ডের প্রতি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এতদিন যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়নি বলে সেনা সূত্র জানিয়েছে।

ফলে দীর্ঘদিন ধরে আন্দামান-নিকোবর কমান্ড অবহেলার শিকার হচ্ছিল। এছাড়া যথেষ্ট পরিমাণে বরাদ্দ সেখানকার কমান্ডের জন্য নির্দিষ্ট করা হতো না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এই সময় আরও জানায়, উত্তর আন্দামানের শিবপুরে নৌসেনার এয়ার স্টেশন আইএনএস কোহাসারের রানওয়ের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ক্যাম্পবেলে আইএনএস বাজের রানওয়ের দৈর্ঘ্য বাড়ানোরও কথা চলছে। প্রয়োজনে বড় যুদ্ধবিমান যাতে এখান থেকে কাজ করতে পারে, তার জন্য বাড়ানো হচ্ছে রানওয়ের দৈর্ঘ্য।

আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সেনা কর্মকাণ্ড বাড়ানোর জন্য যে রোল-অন প্ল্যান নেয়া হয়েছে, তাতে ১০ বছরের জন্য প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। আরও যুদ্ধবিমান, নৌজাহাজ ও সেনা সেখানে মোতায়েন করা হবে। এই কাজে ৫৬৫০ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে বলে খবরে উল্লেখ করা হয়।

২০২৭ সালের মধ্যে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সেনা পরিকাঠামো বৃদ্ধির কাজ সম্পূর্ণ করা হবে বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যটি।

এতটাই পেটাতাম যে ভারতীয়রা এসে মাফ চাইত: আফ্রিদি

সদ্যই করোনাভাইরাসের কবল থেকে মুক্ত হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক তারকা শহিদ আফ্রিদি। সুস্থ হয়েই আবারও শুরু করেছেন ভারত নিয়ে খোঁচাখুঁচি।

এবার তিনি দাবি করেছেন যে, ভারতের বিপক্ষে খেলার সময় বোলারদের এমনভাবে পেটাতেন যে, শেষে ভারতীয় বোলাররা এসে নাকি তার কাছে ক্ষমা চাইতে বাধ্য হতো। তার এই বক্তব্যে যে নতুন করে ঝামেলার সৃষ্টি হবে তা আর বলে দিতে হয় না।

গতকাল শনিবার একটি সাক্ষাৎকারে সাবেক অল-রাউন্ডার বলেছেন, ‘আমি সবসময় ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলাটা উপভোগ করতাম। আসলে দুটিই বড় দল।

ওদের বিপক্ষে ভালো খেলার চাপ বেশি থাকে। আমার মনে হয় ভারতের বিপক্ষে আমি ভালোই খেলেছি। ওদের বেশ ভালই ‘মেরেছি’। এত মেরেছি যে ম্যাচের শেষে এসে ক্ষমা চাইত।’
সত্যিকার অর্থে ভারতের বিপক্ষে আফ্রিদির রেকর্ড অন্য দেশের তুলনায় ভালো।

ভারতের বিপক্ষে সাবেক পাকিস্তান অধিনায়ক ৬৭টি ওয়ানডে ম্যাচে ১৫২৪ রান করেছেন। ৮টি টেস্টে তার সংগ্রহ ৭০৯ রান। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ক্রিকেটের তিনটি ফরম্যাট মিলিয়ে খেলা হয়েছে ১৯৯টি ম্যাচ। এর মধ্যে ভারত জিতেছে ৭০টি। পাকিস্তান জিতেছে ৮৬টি।

মোট ৫৯টি টেস্টের মধ্যে ভারত জিতেছে ৯টি। পাকিস্তান ১২টি। ১৩২টি ওয়ানডে ম্যাচের মধ্যে ভারতের দখলে গিয়েছে ৫৫টি। পাকিস্তান জিতেছে ৭৩টি।